বাংলাদেশ অনলাইন : | শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ইস্যুতে বরাবরই সরব অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সবশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও রাজপথে শোবিজ তারকাদের মধ্যে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। নাগরিক অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে বরাবরই কথা বলে এসেছেন তিনি। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশ নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানালেন ‘এশা মার্ডার’খ্যাত এ অভিনেত্রী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এদিন পরিবার নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বাঁধন। ভোট দিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশের পাশাপাশি, দেশ নিয়ে আশার কথাও ব্যক্ত করেন।
গণমাধ্যমকে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি ঢাকা-১৬ আসনের ভোটার। মা–বাবাকে নিয়ে ভোট দিয়েছি। আমি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখছি। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশ গঠনে কাজ করবে। সব ধর্ম-বর্ণের জন্য একটি নিরাপদ দেশ হবে, সেটাই প্রত্যাশা। আগামীর বাংলাদেশ একটি সাম্যের দেশ হবে। এখানে সবাই সবার অধিকার বুঝে পাবে।’
পরিবর্তনের পথ তৈরি হয় মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে, আর সেই অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমই ভোট বলে মনে করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘কোনো রকম ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এভাবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। যারা দেশের জনগণের জন্য কাজ করবে। সাম্য বজায় রাখবে। সবাই তাদের অধিকার বুঝে পাবে বলে আশা করি।’
সঙ্গে নতুন সরকারের প্রতি অভিনয় শিল্পী পেশাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ারও আহ্বান জানান বাঁধন। তিনি মনে করেন, দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের দিকে নির্বাচিত সরকারের নজর থাকবে। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘নির্বাচনের পরে প্রত্যাশা, তথ্য ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় এমন কেউ পাবেন যারা আমাদের ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে চিন্তা করবেন।
এছাড়া বড় চাওয়া পেশাগত স্বীকৃতি রাষ্ট্রীয়ভাবে যেন দেওয়া হয়। এটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। কারণ, সামাজিকভাবে আমাদের পেশাকে খুব একটা ভালোভাবে দেখা হয় না। পেশার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকলে ভালো হবে।’
Posted ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh