বাংলাদেশ অনলাইন : | সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২
ইমরান খানের সমর্থনে করাচি, পেশোয়ার, মুলতান, খানেওয়াল, খাইবার, ইসলামাবাদ, লাহোর, অ্যাবোটাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভে দলের প্রচুর কর্মী ও সমর্থক সামিল হয়েছেন : রয়টার্স
ইমরান খান ক্ষমতা হারানোর পর পাকিস্তানে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি ইমরান খান। তারপরেই তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের(পিটিআই) কর্মীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে। ১০ এপ্রিল (রবিবার) করাচি, পেশোয়ার, মুলতান, খানেওয়াল, খাইবার, ইসলামাবাদ, লাহোর, অ্যাবোটাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভে দলের প্রচুর কর্মী ও সমর্থক সামিল হয়েছেন। এদিকে শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ইমরান খান দাবি করেছেন, দ্বিতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়েছে। বিদেশি শক্তি চক্রান্ত করে তার সরকার ফেলে দিয়েছে। মানুষ নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করতে পথে নামবে। ইমরান খানের দলের মুখপাত্র বলেছেন, দেশের নীতি ও সংবিধানভঙ্গের প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ হবে। পাকিস্তানের সব শহরে তারা বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছেন। বিক্ষোভের পর ইমরান তার সমর্থকদের ধন্যবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এরকম অত্যাশ্চর্য সমর্থন দেখানোর জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। স্থানীয় মীরজাফররা বিশ্বাসঘাতকতা করে ক্ষমতায় এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সরকার ক্ষমতায় আসছে।
দেখা যাচ্ছে, দেশে ও বিদেশে বসবাসকারী পাকিস্তানিরা এই চক্রান্তের বিরোধিতা করছেন। কেমন বিক্ষোভ হলো ইসলামাবাদে জিরো পয়েন্টে ইমরানের সমর্থকরা সমবেত হন। শুরু হয়. বিক্ষোভ। এর ফলে বিশাল যানজট হয়। রাওয়ালপিন্ডিতে বহু মানুষ সমবেত হয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। সেখানে নেতারা ভাষণ দেন। তাদের নিশানায় ছিলেন মূলত শাহবাজ শরিফ। পেশোয়ারে প্রেস ক্লাবের সামনে প্রচুর বিক্ষোভকারী জমায়েত হন। সেখানে প্রচুর নারী এসেছিলেন। লাহোর, করাচি সহ বিভিন্ন শহরে এবং বিদেশেও ইমরানের দলের কর্মী ও সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। ডয়চে ভেলে
Posted ৫:১৩ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh