রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

পৃথিবীর পাঁচ ভাগের চার ভাগ মানুষ এখন শহরে থাকে—জাতিসংঘের সমীক্ষা

বাংলাদেশ অনলাইন :   |   শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

পৃথিবীর পাঁচ ভাগের চার ভাগ মানুষ এখন শহরে থাকে—জাতিসংঘের সমীক্ষা

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার চার-পঞ্চমাংশই এখন শহুরে এলাকায় বসবাস করছে। জাতিসংঘের এক নতুন সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। নিউইয়র্কভিত্তিক জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ জানিয়েছে, বিশ্বের ৮১ শতাংশ মানুষ এখন শহর ও নগরে বসবাস করেন, যা আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।

এর আগে ২০১৮ সালের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস’-এ বলা হয়েছিল, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৫৫ শতাংশ শহরে বাস করে। তবে সেই হিসাবের ভিত্তি ছিল বিভিন্ন দেশের নিজস্ব ‘শহর’ এর সংজ্ঞা, যা দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ—ডেনমার্কে ২০০ জনের বসতি শহর হিসেবে বিবেচিত হলেও জাপানে এই সংখ্যা ৫০ হাজার।

এ অবস্থায় সুস্পষ্ট ও একক সংজ্ঞা তৈরি করতে গবেষক সারা হার্টগের নেতৃত্বে একটি দল নতুন মানদণ্ড ব্যবহার করে। তাঁদের সংজ্ঞায়, ৫০ হাজারের বেশি জনসংখ্যা ও প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব কমপক্ষে ১ হাজার ৫০০ হলে সেটিকে ‘নগর’ এবং ন্যূনতম ৫ হাজার বাসিন্দা ও প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৩০০ হলে সেটিকে ‘শহর’ হিসেবে ধরা হয়েছে। বাকিগুলোকে গ্রামীণ এলাকা ধরা হয়।

২৩৭টি দেশ ও অঞ্চলের স্যাটেলাইট এবং জাতীয় জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪৫ শতাংশ মানুষ এখন নগরে, আর ৩৬ শতাংশ মানুষ ছোট-বড় শহরে বাস করে। ফলে মোট ৮১ শতাংশ মানুষই এখন শহুরে জীবনযাপন করছে। বাকি ১৯ শতাংশ মানুষ গ্রামের বাসিন্দা।

গবেষণা বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৮৩ শতাংশ মানুষ শহরাঞ্চলে থাকবে। তখনো শহরে বসবাসকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

নগরায়ণের চালিকা শক্তি অঞ্চলভেদে ভিন্ন। পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রামের মানুষ শিক্ষার সুযোগ, কাজ ও সামাজিক জীবনের আকর্ষণে শহরে ভিড়ছে। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় বিদেশিদের অভিবাসন এ ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ফ্যাক্টর, আর সাব-সাহারান আফ্রিকায় উচ্চ জন্মহারই এর প্রধান কারণ।

নগরায়ণ পরিবেশ ও স্বাস্থ্য দুদিকেই প্রভাব ফেলে। পরিকল্পনাহীন শহরায়ণ গাড়ি নির্ভরতা বাড়িয়ে দূষণ বাড়াতে পারে, আবার সুশৃঙ্খল নগর-পরিকল্পনা পরিবহনব্যবস্থাকে শক্তি-সাশ্রয়ী করতে পারে। শহরে বায়ুদূষণ, তাপমাত্রা এবং সবুজ এলাকার অভাব মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সংযোগ শহরজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা।

গবেষকদের ভাষ্যে, নগরায়ণ থামিয়ে দেওয়া নয়, বরং শহরকে আরও বাসযোগ্য, আরও সবুজ করে তোলাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

Posted ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.