বাংলাদেশ অনলাইন : | মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৫
ভূমিকম্প। প্রতীকী ছবি
বাংলাদেশে চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম সাত দিনে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হলো। এর মধ্যে ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্প ছিল তীব্র ধরনের। আর ৩ জানুয়ারি হওয়া ভূমিকম্পটি ছিল মাঝারি মাত্রার। দুই ভূমিকম্পের অভিন্ন বৈশিষ্ট্য হলো, দুটোরই উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের বাইরে। ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) উৎপত্তিস্থল চীনের জিজাং এলাকা। আর ৩ জানুয়ারির ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের হোমালিন নামের একটি স্থান। এক সপ্তাহে দেশে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার বিশেষ কোনো তাৎপর্য আছে কি?
আগেই বলা হয়েছে, দুটি ভূমিকম্পের একটিরও উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ নয়। ৩ জানুয়ারি হওয়া ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৪৮২ কিলোমিটার দূরে। আর আজ যেখানে উৎপত্তি হয়েছে, সেই চীনের জিজাংয়ের দূরত্ব ঢাকা থেকে ৬১৮ কিলোমিটার দূরে।
এত দূরে উৎপত্তি হওয়া দুটি ভূমিকম্পের আদৌ কি কোনো প্রভাব বাংলাদেশে আছে, এর উত্তরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবীর আজ সকালে প্রথম আলোকে, ‘এত দূরে উৎপত্তি হওয়া দুটো ভূমিকম্পের তেমন কোনো প্রভাব আমাদের এখানে নেই। শুধু কম্পন অনুভূত হয়েছে। কোনো ক্ষয়ক্ষতিও নেই। তবে আজকের ভূমিকম্পটি মানমাত্রার দিক থেকে তীব্র। তাই অনেক দূরে এর উৎপত্তি হলেও বাংলাদেশ থেকে অনুভূত হয়েছে।’
ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১। আর গত ৩ জানুয়ারি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। আজকের ভূমিকম্প শুধু চীন নয়, ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশ থেকে একযোগে অনুভূত হয়েছে। বস্তুত এর মাত্রা তীব্র হওয়ার কারণেই দূর থেকেও এটি অনুভূত হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
কিন্তু দূরে হলেও বাংলাদেশে এর ঠিক তাৎপর্য কোথায়? এর উত্তরে রুবায়েত কবীর বলছিলেন, যে দুটি ভূমিকম্প গত সাত দিনের মধ্যে হয়ে গেল, সেগুলোর উৎপত্তিস্থলগুলোর বিবেচনায় বলা যায়, ওই সব এলাকা এমনিতেই ভূমিকম্পপ্রবণ। ওই সব এলাকায় মাঝেমধ্যে এ ধরনের ভূমিকম্প হয়। হিমালয়ের এভারেস্টের উত্তর প্রান্তে আজকের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। হিমালয় পরিবেষ্টিত ওই এলাকায় আগেও এমন ভূমিকম্প হয়েছে।
Posted ১২:০৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh