বাংলাদেশ অনলাইন : | মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র থেকে টানা তিন মাসে প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) পেছনে ফেলে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় পাঠানো দেশের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে দেশটি। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের রেমিট্যান্স সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে দেখা গেছে, ওই তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যমতে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৪০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এই তালিকায় শীর্ষ থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি থেকে তিন মাসে ৯৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এরপরে রয়েছে যথাক্রমে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, ইতালি, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর। গত বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স আসে ২৯ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। পরের মাস সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৯ কোটি ডলার। নভেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫১ কোটি ১৯ লাখ ডলারে।
এ ছাড়া গত আগস্টে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৪ কোটি ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ৫ কোটি ডলার বেশি ছিল। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই সেপ্টেম্বরে এসে প্রবাসী আয়ে আরব আমিরাতকে পেছনে ফেলে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সেপ্টেম্বরে আরব আমিরাত থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৬ কোটি ডলার। অক্টোবরে আসে ৩৩ কোটি ডলার ও নভেম্বরে ২৯ কোটি ডলারে নেমে আসে।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
সবশেষ মাস ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি। এ সময় আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৩৭ কোটি ডলারের বেশি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুন মাসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর জুলাইয়ে প্রবাসী আয় এসেছিল প্রায় ১৯১ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় ছিল। তবে, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করে পরিস্থিতি। এরই ধারাবাহিকতায় গত আগস্টে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।
এ ছাড়া, গত সেপ্টেম্বরে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে। অক্টোবরে আসে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। নভেম্বরে আসে ২১৯ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর সবশেষ ডিসেম্বরে আসে ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।
Posted ১০:১১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh