বাংলাদেশ অনলাইন : | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
গাঢ় নীল রঙের গাউন পরে হোটেল থেকে বের হতেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন ঐশ্বরিয়া
ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকে বলা হয় ‘কুইন অব কান’। ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী আয়োজনে হাজির হয়ে সবার নজর কেড়ে নিলেন তিনি। ঝলমলে গাউন নয়, এবার ঐশ্বরিয়া বেছে নিলেন একেবারে ভিন্নধর্মী সাদা টাক্সেডো লুক। স্টাইলিশ সেই পোশাকের সঙ্গে পালকের বোয়া আর নতুন হেয়ারস্টাইল মিলিয়ে যেন রেড কার্পেটে অন্য এক ঐশ্বরিয়া।
ফ্রান্সের আয়োজিত কান চলচ্চিত্র উৎসবের ক্লোজিং সেরেমনিতে ফটোগ্রাফারদের সামনে আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে পোজ দিতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। তার এই অল-হোয়াইট লুক ইতোমধ্যেই ফ্যাশন দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ঐশ্বরিয়ার এই কাস্টম পোশাকটি তৈরি করেছেন চীনা ডিজাইনার চেনি চ্যান। স্টাইলিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট মোহিত রাই ও তার দল। গয়না ছিল যুক্তরাজ্যের হাসানজাদেহ জুয়েলারির। ভোগ ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডিজাইনার চেনি চ্যান বলেন, ঐশ্বরিয়ার ওপর সাদা রঙ সবসময়ই দারুণ লাগে। তার ‘তাল’, ‘মহব্বতে’ ও ‘দেবদাস’-এর আইকনিক লুকগুলো থেকেই আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি।
এই বিশেষ টাক্সেডোতে ছিল ঝলমলে সিকুইন, ক্রিস্টাল-খচিত বোতাম এবং স্তরযুক্ত নচ ল্যাপেল। জ্যাকেটের প্যাডেড শোল্ডার, ফুল স্লিভ এবং কাফে লেস ট্রিম পুরো লুকে যোগ করেছে নাটকীয়তা। কোমরে ফিটিং কাট তার ফিগারকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। জ্যাকেটের ভেতরে ঐশ্বরিয়া পরেছিলেন সাদা বুস্টিয়ার, যেখানে ছিল লেস এমব্রয়ডারির কাজ। সঙ্গে ছিল সিলভার সিকুইন-খচিত ফ্লেয়ার প্যান্ট। পুরো লুককে আরও আলাদা করেছে পালক দিয়ে তৈরি টেকসই বোয়া ও ক্যাট-ইয়ার স্টাইলের শাল।
এই লুকের সঙ্গে ভারী গয়না ব্যবহার করেননি ঐশ্বরিয়া। তিনি বেছে নেন সাদা পিপ-টো পাম্পস ও ডায়মন্ড রিং। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার বারগান্ডি রঙের খোলা চুল। সফট ব্লোআউট ওয়েভে সাজানো সেই হেয়ারস্টাইলকে অনেকে বলছেন তার সাম্প্রতিক সময়ের সেরা লুকগুলোর একটি।
মেকআপে ছিল গাঢ় প্লাম লিপস্টিক, উইংড আইলাইনার, শিমারি আইশ্যাডো, হাইলাইটার ও সফট ব্রোঞ্জারের নিখুঁত ব্যবহার। সব মিলিয়ে কান উৎসবের শেষ দিনে ঐশ্বরিয়া যেন আবারও নিজের ফ্যাশন সাম্রাজ্যের শক্ত অবস্থান জানিয়ে দিলেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
Posted ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh