বাংলাদেশ অনলাইন : | বুধবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
ছবি : সংগৃহীত
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তাঁর পরিবারের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৪ সেপ্টেম্বর (বুধবার) দুদকের কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংস্থাটির সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন বলেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পাওয়া গেছে।
দুদকের চিঠিতে বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনা ও বাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক সেনাপ্রধানের ভাইদের দুর্নীতির বিষয়ে কমিশনের অনুসন্ধানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দুদক সচিব বলেন, তাঁদের তথ্য চেয়ে নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তারা কাজ করছেন। একই দিনে কমিশন সভায়, ফেনী–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ, কমিশন বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও স্ত্রী নূরজাহানের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দলটির সুবিধাভোগী, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, পুলিশ, আমলাসহ দেড় শতাধিক ব্যক্তির তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) চিঠি দিয়েছে দুদক। দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিনও তথ্য চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘অনুসন্ধান ও তদন্তের স্বার্থে এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।’
Posted ১১:৩৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh