বাংলাদেশ অনলাইন : | শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)
দেশে চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ১১ হাজার ৩১৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দলীয় লোকজন। এ তথ্য দিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। প্রতিষ্ঠানটির ফেব্রুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এ প্রতিবেদনটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে এমএসএফ। প্রতিষ্ঠানটি পত্রিকার প্রতিবেদনে এবং নিজস্ব অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন তৈরি করে।
এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে সন্ত্রাসবাদ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গাজীপুরসহ সারা দেশে এই অভিযান শুরু করা হয়। ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলার শিকার হন ১৫ থেকে ১৬ শিক্ষার্থী। এরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া তথ্য অনুসারে, অপারেশন ডেভিল হান্ট শুরু হওয়ার পর ৮ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে আজ এ অপারেশনের আওতায় পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৩১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া অপারেশন ডেভিল হান্টের পাশাপাশি বিভিন্ন নতুন ও পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২০ হাজার ৩৭২ জন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলছেন, শিক্ষার্থীরা ওই রাতে ডাকাতির খবর পেয়ে তা প্রতিহত করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তখন তাঁদের ওপর আক্রমণ করা হয়। এ ঘটনায় আহত একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮ ফেব্রুয়ারি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের গাজীপুরের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ মোহিত বাদী হয়ে গাজীপুর সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ২৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আমজাদ হোসেন মোল্লা নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী।
Posted ১০:৫৩ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh