বাংলাদেশ অনলাইন : | রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
ফাইল ছবি
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা টানা তিন দিন ধরে একই পর্যায়ে রয়েছে। দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ থাকলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি দীর্ঘ ভ্রমণের মতো ধকল সহ্য করার উপযুক্ত নয়। মেডিকেল বোর্ডের অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুতই তাকে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে খালেদা জিয়া তেমন সাড়া দিচ্ছিলেন না। তবে তিন দিন পর শনিবার (২৯ নভেম্বর) তিনি সামান্য কথা বলেছেন বলে জানা গেছে। চিকিৎসকরা জানান, তিনি এখনো একটি গুরুতর শারীরিক অবস্থার মধ্যেই রয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে কিডনির ডায়ালাইসিস চলছে—গতকাল রাত ১০টার দিকে একটি ডায়ালাইসিস সম্পন্ন হয়েছে। এতে তার অবস্থায় উন্নতি না এলেও কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে।
এ বিষয়ে মেডিকেল বোর্ডের একাধিক সদস্য জানান, আগামী কয়েকটি দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে তার কিডনির কার্যক্ষমতায় স্থিতিশীলতা না এলে স্থায়ী উন্নতি আশা করা কঠিন। ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার গভীর রাতে তার অবস্থার অবনতি শুরু হয়। কয়েক বছর ধরেই এই হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন।
চিকিৎসকদের ভাষ্য, খালেদা জিয়ার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তার শরীর এখনো ক্রিয়াশীল রয়েছে—হাত-পা কিছুটা নাড়াচাড়া করতে পারছেন এবং দু-একটি কথা বলেছেন।
এদিকে পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। শনিবার বিকেলে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, লন্ডন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ সম্ভাব্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করা এবং ভিসা–সংক্রান্ত প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এখনো ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় আছেন এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে চিকিৎসা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ও লন্ডনের লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞরাও চিকিৎসায় যুক্ত আছেন।
Posted ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh