বাংলাদেশ অনলাইন ডেস্ক : | সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায় দেশে ফেরা মাত্রই গ্রেপ্তার করে তাকে জেলে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
রোববার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরত দেয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। এখন প্রশ্নটা হচ্ছে, তিনি যদি ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকেন তাহলে তো তিনি নিজে নিজে আসার কোনো সুযোগ নাই। হয় প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তির আওতায় তাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে অথবা তাকে পুশব্যাক করবে। আর শেখ হাসিনা (রয়টার্সে) যেটা বলছেন, তিনি এবং তার দলীয় নেতাকর্মীরা একত্রে এসে আত্মসমর্পণ করবেন। এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নাই। কারণ তিনি তো এখন তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তিনি তো স্বাধীন নেই অথবা তিনি আত্মগোপনে নেই।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আমাদের কাছে মনে হয় তার বক্তব্য বাংলাদেশে তার নেতাকর্মীদের কোনোভাবে একটু উজ্জীবিত রাখা কিংবা একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা ছাড়া অন্য কোনো কারণ নাই।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ পরবর্তী আপিল প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সেকশন ২১ এর ৩ পরিষ্কার করে বলছে, ৩০ দিনের পরে আর কোনো আপিল হবে না। যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় অথবা তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায়, তিনি প্রথমত জেলে যাবেন। জেলে যাবার পর তিনি আপিল করতে পারবেন কি পারবেন না সে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। যদি আপিল করার সুযোগ না থাকে তাহলে সাজাবহাল থাকবে। যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তি সাপেক্ষে যা হয়, তা হবে।
Posted ২:২০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh