বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

কোটি টাকার ইভিএমের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়; দুদকের তদন্ত শুরু

বাংলাদেশ অনলাইন :   |   শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

কোটি টাকার ইভিএমের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়; দুদকের তদন্ত শুরু

ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকায় কেনা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। যার অধিকাংশই নষ্ট হয়ে পড়ে আছে কমিশনের গুদামে। সামনের নির্বাচনে আদৌ এসব মেশিন ব্যবহার করা হবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে সংশয়। ইভিএম মেশিন কেনাকাটায় দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বাংলাদেশের নির্বাচনি ব্যবস্থায় আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে চালু হয় ইভিএম। লক্ষ্য ছিল দ্রুত, নির্ভুল এবং স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ।

চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহার শুরু হয় ২০১০ সালে। তখন ৯৩টি বুথে স্থাপন করা হয়েছিলো ইভিএম মেশিন। ধীরে ধীরে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং জাতীয় নির্বাচনের কিছু আসনে এর ব্যবহার বাড়ানো হয়।

যদিও রাজনৈতিক দল গুলো শুরু থেকেই ইভিএম এর বিরোধীতা করে আসছিলো। রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধীতার মুখে ২০১৭ সারে ২ লাখ ইভিএম কেনার প্রকল্প হাতে নেয় নির্বাচন কমিশন। যেখানে ব্যয় ধরা হয় ৪ হাজার কোটি টাকা।

সে সময় প্রতিটি ইভিএম এর ব্যায় ধরা হয় ২ হাজার ৩৮৭ ডলার এছাড়া ২৫ হাজার টাকা ধরা হয় অন্যান্য সরঞ্জামের ব্যয়। তখনই প্রশ্ন ওঠে এত খরচ নিয়ে। অথচ ওই একই সময় ভারতের ইভিএম কেনে মাত্র ২০ হাজার রুপিতে। তুলনা করলে প্রায় ১০ গুন বেশি দামে ইভিএম কেনার প্রক্রিয়া করে নির্বাচন কমিশন।

২০১৮ সালের নির্বচনে ১৫০টি আসনে ইভিএম এ ভোট গ্রহন হয়। যদিও সে সময়ের নির্বাচনে রাতে ভোট দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ায় বিএনপি।

এর ঠিক ৫ বছরের মাথায় দেড় লাখের বেশি ইভিএম মেশিন নষ্ট হওয়ায় দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে হাতে গোনা কিছু আসনে ইভিএম ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিলো।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারচুপির পরই বিস্ফোরণের অপেক্ষা ছিলো গণমানুষের ক্ষোভ। মেধা ও কোটাকে সামনে রেখে পরিবর্তন হয় গণ অভ্যুত্থান হয় দেশে। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়ে শেখ হাসিনা।

ইতিমধ্যেই হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তবে এই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হয়নি। এছাড়া উপ নির্বাচনেও ইভিএম এর ব্যবহার হবে না বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া কেনাকাটার দূর্নীতি তদন্তে মাঠে কাজ করছে দুদক জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিব।

সব রাজনৈতিক দলের বিরোধীতার পরও এ ধরণের প্রকল্প হাতে নেয়া উচিত হয়নি বলে মত নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের। ইভিএম—একটি সম্ভাবনার নাম, কিন্তু বাস্তবতায় তা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ।

Posted ৯:২০ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

কাঁঠাল সমাচার

(2226 বার পঠিত)

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.