বাংলাদেশ অনলাইন : | সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কোরবানির শিক্ষা অনুপ্রেরণা জোগায় বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (২৪ মে) আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার স্ত্রী হজরত হাজেরা ও প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের সামনে সমাগত। ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ ও কোরবানির মহান আদর্শে উজ্জীবিত করে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার চেতনা জাগ্রত করে। সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কোরবানির শিক্ষা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।’
ত্যাগ ও কোরবানির মানসিকতা নিয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে মত দেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশ থেকে ফ্যাসিবাদী শক্তি পালিয়ে গেলেও দেশ এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। তারা বিদেশে অবস্থান করে এবং দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থেকে নানাভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশ যাতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তারা নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে যাচ্ছে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের সব চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।’
ঈদুল আজহা সামনে রেখে হজরত ইব্রাহিম, হজরত হাজেরা ও হজরত ইসমাইলের মহান ত্যাগের ইতিহাস গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তাদের সেই ত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যদি আমরা আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জানমাল ও প্রিয় বস্তু কোরবানি করতে পারি, তবেই আমাদের ত্যাগ ও কোরবানি আল্লাহর কাছে কবুল ও সার্থক হবে, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি দেশবাসীর সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ জীবনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন এবং নিজের ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
Posted ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh