বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

বিএনপির কাউন্সিল এ বছরই : মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ অনলাইন :   |   বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বিএনপির কাউন্সিল এ বছরই : মির্জা ফখরুল

ছবি : সংগৃহীত

এ বছরের মধ্যেই বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে,বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালে।

বুধবার রাতে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা জানান। গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা, জাতীয় সংসদের কার্যক্রম, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, সরকারের সফলতা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভিসি নিয়োগ, অর্থনৈতিক অবস্থাসহ বিভিন্ন প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপির কাউন্সিল এই বছরের মধ্যেই হবে। এখনো আমরা সময় নির্ধারণ করেনি। তবে শিগগিরই হবে কাউন্সিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করা হবে।’

তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় এক মাস চেক এক মাসের মধ্যে তো সবচেয়ে বড় সাকসেস হচ্ছে যে কমিটমেন্টগুলো আমরা করেছিলাম আমাদের নির্বাচনের পূর্বে তাবাস্তবায়ন করতে শুরু করতে পেরেছি। তার মধ্যে ছিল আমাদের ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রজেক্ট আমরা শুরু করে দিয়েছি, এরপরে কৃষকদের ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ, সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি, ইমাম,মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মগুরুদের মাসিক ভাতা প্রদান শুরু করতে পেরেছি।আগামী পয়লা বৈশাখে হতে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে… সব মিলিয়ে দিস ইজ ভেরি বিগ এচিভমেন্টস।’

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পরে গুলশানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এই অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় করলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয় হচ্ছে যে তেলের দাম এখনো বাড়েনি। তেল নিয়ে কোনরকম বড় রকমের কোন স্ক্যান্ডেল তৈরি হয়নি।এবার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি গুলোতে বেতন না দেওয়ার ঝামেলা নিয়ে যেসব ঝামেলা হয় সে সমস্ত ঝামেলা কিন্তু এবারে হয়নি। কারণ আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল সবগুলোতে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সংসদ শুরু হয়ে গেছে। সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হয়েছে, বিভিন্ন কমিটি গঠন হয়েছে। আমি মনে করি, দিজ আর গুড এচিভমেন্টস। ওভারঅল এক মাসে বিগ সাকসেস সরকারের।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ অর্থনীতিকে একেবারে সুস্থ করে ফেলা এবং অর্থনীতিকে সঠিক রাস্তায় নিয়ে আসা। এটা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আপনারা জানেন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর চেঞ্জ হয়েছে এবং যার ফলে যে নীতি ফলো করা হচ্ছিল সেটাকে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা ঋণ পেতে শুরু করেছেন, ইকোনমিকঅক্টিভিটিজগুলো বাড়তে শুরু করেছে… এটা একটা বড় পরিবর্তন বলে আমি মনে করি। যখনই আপনার ছোট ব্যবসায়ীরা কাজ করতে পারবে এবং তারা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে এবং সাধারণ মানুষ যখন কিনতে পারবে তাদের কয় ক্ষমতা বাড়বে তখন ইকোনমিক অক্টিভিটি বাড়বে।বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এডভান্টেজ হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা, এই জনসংখ্যা ইকোনমিকে বাড়িয়ে দেয়। একটা উদাহরণ দিচ্ছি যে, এক টাকা করে খরচ করলে প্রতি প্রতিদিন আপনার প্রায় ২০ কোটি টাকা খরচ হবে।এই ধরনের অর্থনীতি দিন দিন প্রসারিত হবে। যদি সুশাসন ঠিক থাকলে অবশ্যই অর্থনীতি গতি পাবে।”

‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা কিন্তু জুলাই সদনের ব্যাপারে শতভাগ কমিটেড। বাট কোনগুলো? যেগুলো আমরা সই করেছি এই কথাটা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই। আমরা যেগুলোতে একমত হয়েছি সেই বিষয়গুলোতে আমরা কমিটেড। সেই কমিটমেন্ট আমরা থেকে এতটুকু নড়বো না। তবে আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যেটা আপনার কোন শর্ত… এটা তো মেনে নেওয়াটা আমাদের জন্য নিশ্চয়ই আপনার সবসময় সম্ভব না হতে পারে। তবে সেটা আমরা আলোচনা করেছি।’

আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি দমনে সরকার তার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে জানিয়ে তিনি বলেন, মব কালচারের ব্যাপারটা একেবারে নাই বলেই চলে এই এক মাসে। বড় কোন ঘটনাই ঘটেনি। অলরেডি দুর্নীতি দমন কমিশন রিজাইন করেছে। নতুন দুর্নীতি দমন কমিশন আসবে। বিভিন্ন জায়গায় যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদেরকে থ্রেড করা হয়েছে, বলা হয়েছে যে জিরো টলারেন্স… এই ব্যাপারে কোন রকম আপোষ আমরা করব না। সুতরাং বিগিনিং…. শুরু। এরপরে দেখবেন যে দুর্নীতি কত কমে আসছে।’

দলীয় লোক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বসানো বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ দলীয় লোকগুলো আসবে। আমাদের আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড তো অতটা খারাপ না, আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড ভালোই আছে। ইউনিভার্সিটি ভাইস চ্যান্সেল যারা পরীক্ষিত লোক, তারা একাডেমিকালি অত্যন্ত যোগ্য, প্রশাসনিক দিক দিয়ে যোগ্য… কোনদিক থেকে আমি তো অসুবিধা দেখি না।’

অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপি পূর্ব থেকে হোমওয়ার্ক করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এগুলোর হোমওয়ার্ক আগেই করেছি …নট দ্যাট যে আমরা এটাকে একটা পপুলিস্ট একটা স্লোগান দিয়ে নেমে গেছি। কোথা থেকে টাকা আসবে, কিভাবে আসবে, তার ফান্ড কিভাবে, আপনার সঞ্চয় কিভাবে করা হবে, আপনার রেভিনিউ কিভাবে আসবে …এ সমস্ত হোমওয়ার্ক করা হয়েছে।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয় দেখছেন, যা কিছু লিখছেন, সমালোচনা করছেন। বাধা কি হয়েছে? এখন পর্য়ন্ত সেই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি যে,বলতে পারেন আমরা নেগেটিভ কোনো কাজ করেছি। আমাদের তথ্যমন্ত্রী তো প্রত্যেকদিন বলতেছেন,আমাদের সমস্ত খোলা, আমরা সমস্ত ওয়েলকাম করব, কাউকে কারো চাপ সৃষ্টি করা হবে না। ওইটাই আমাদের নীতি প্রথম থেকে। আপনারা নিরপেক্ষভাবে দেখবেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় এসেছে সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করেছে কিন্তু মিডিয়া এটা অস্বীকার কোনো উপায় নেই।

Posted ২:০৩ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

কাঁঠাল সমাচার

(2226 বার পঠিত)

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.