বাংলাদেশ অনলাইন : | সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। ছবি : সংগৃহীত
সদ্য অনুষ্ঠিত গণভোট যে অধ্যাদেশের আওতায় সম্পন্ন হয়েছে তার কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটিকে বিল আকারে সংসদে পাস করার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
গণভোট অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে গেছে। এর অধীনে গণভোট ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটির অধীনে আর কোনো গণভোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে এটিকে পুনরায় অনুমোদন দিয়ে বিল আকারে আইন করার কোনো প্রয়োজন নেই।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে এবং অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে এগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে সংশ্লিষ্ট গণভোট অধ্যাদেশটি সংবিধানের স্থায়ী অংশ নয় এবং এর কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
বিশেষ কমিটির বৈঠক সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো বর্তমান অবস্থায়ই পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, আবার কিছু অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে আগামী ১০ তারিখের মধ্যে সবগুলো বিল আনা সম্ভব হবে না। বাকি অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।
বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্যদের মতভিন্নতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল এবং সরকারি দলের কয়েকজন সদস্য ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন। তাদের মতামত রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়া বিল সংসদে উত্থাপনের সময় ফার্স্ট, সেকেন্ড ও থার্ড রিডিংয়ে সকল সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
৩০ দিনের সময়সীমা পার হলে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব অধ্যাদেশ বা বিল উপস্থাপন করা সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। তবে প্রয়োজন হলে পরবর্তী অধিবেশনে সেগুলো আবার বিল আকারে আনা হবে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, সীমানা নির্ধারণ বা আরপিও এর মতো কিছু অধ্যাদেশ ভবিষ্যতে কার্যকর প্রভাব ফেলবে, তাই এগুলোকে আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন।
মানবাধিকার কমিশন বা পুলিশ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বিষয়ে তিনি জানান, এগুলো আইন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা আইনমন্ত্রী দেবেন। এছাড়া আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি জানান।
Posted ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh