বাংলাদেশ অনলাইন : | বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১২ মার্চ। অধিবেশনের প্রথম দিনই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির এই ভাষণে প্রাধান্য পাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-এর সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলের দুর্নীতি, অনিয়ম, অপশাসন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগসমূহ।
মন্ত্রিপরিষদ সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির ভাষণে ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ওপর নির্যাতন, গুম-খুন, তথাকথিত আয়নাঘরসহ দমন-পীড়নের বর্ণনা বিস্তারিতভাবে উঠে আসবে। একই সঙ্গে বর্তমান ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লিখিত অগ্রাধিকার ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারগুলোও ভাষণে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে আলোচনা করেন। অধিবেশনের শেষ দিনে ওই প্রস্তাব গৃহীত হয়। তবে রাষ্ট্রপতির এই ভাষণ তিনি বা তার দপ্তর সরাসরি প্রস্তুত করেন না। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ভাষণের খসড়া তৈরি করে, যা পরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের রিপোর্ট শাখার এক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া প্রস্তুতের কাজ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই চলছে। শিগগিরই এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। জানা গেছে, এবারের ভাষণ প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার হতে পারে। তবে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণের পূর্ণ পাঠ না করে মূল ও চুম্বক অংশ পাঠ করবেন। বাকি অংশ স্পিকারের অনুমতিক্রমে পঠিত বলে গণ্য হবে।
Posted ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh