বাংলাদেশ অনলাইন : | সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
প্রতীকী ছবি
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, অনেক ছেলেমেয়ে বিদেশে পড়তে যায়। এক কেসে দেখা গেছে, ছেলের একটি সেমিস্টারের টিউশন ফি হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠানো হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, মানি লন্ডারিংটা কীভাবে হয়েছে দেখুন…। তবে তদন্তের স্বার্থে আমরা ব্যক্তির নাম প্রকাশ করছি না। কতটা ইনোভেটিভ প্রক্রিয়ায় টাকা পাচার হয়েছে…। আমরা জানতাম ওভার ইনভয়েসিং আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে, ব্যাংকিং সিস্টেমে বা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা চলে গেছে। তিনি বলেন, কিন্তু দেখা গেছে কিছু কিছু জায়গায় লুপ হোল খুঁজে ৪০০ কোটি…। পৃথিবীতে কারো টিউশন ফি ৪০০-৫০০ কোটি টাকা আছে?
তিনি আরও বলেন, পাচার করা টাকা উদ্ধারের জন্য প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার তৎপর ছিল। প্রফেসর ইউনূস প্রথম থেকেই বলে আসছেন যে এটা বাংলাদেশের মানুষের টাকা। আমাদের টপ প্রায়োরিটির ভেতরে এটা থাকবে।
শফিকুল আলম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ফোকাস ছিল পাচার করা টাকা কীভাবে আনা যায়। সে জন্য গত সেপ্টেম্বর মাসে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর।
Posted ১১:২২ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh