বাংলাদেশ অনলাইন : | বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ইতোমধ্যে ২৯৯টি সংসদীয় আসনের ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে এখন মোতায়েন আছে বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই তথ্য জানিয়েছেন।
৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল আগেই।
৯০ শতাংশের কথা বললেও কতটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্টভাবে হিসাব দিতে পারেননি নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ। একইসঙ্গে সংখ্যাটি বুধবার জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সিসি ক্যামেরা ছাড়াও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রয়োজন বিবেচনায় ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সারাদেশে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত আছেন।
এ বিষয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে এত ফোর্স, এত ক্যাপাসিটি ডেপ্লয় কখনোই করা হয়নি। তাই নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। এরপরও যদি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে, সেটার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে অভিযান চালিয়ে ৮৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নির্বাচন কমিশনের ধারণা, এসব অস্ত্রের একটি বড় অংশই নির্বাচনের সময় নাশকতার উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল।
Posted ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh