বাংলাদেশ অনলাইন : | শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
কাউকে কিছু না জানিয়ে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৯ মে (শুক্রবার) বেলা দুইটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় গাড়ি চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃধা ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম।
জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালামকে তাঁর বাসার সামনে যেতে বলেন। সেখানে গেলে তিনি আমাদের গাড়িগুলো ছেড়ে দিতে বলেন। এরপর তাঁর গাড়িতে আমাদের উঠিয়ে নেন। প্রধানমন্ত্রী কেন ডেকেছেন, কোথায় যাবেন, সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা ছিল না।’
মীর শাহে আলম বলেন, ‘পরে দেখি, তিনি ঢাকায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়নকাজ ও কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেমন হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখতে বের হয়েছেন। কয়েকটি এলাকার অবস্থা দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।’
পরিদর্শনকালে হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব এলাকায় বর্জ্য অপসারণে অবহেলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তাঁর নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির। দুজনই উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্র বলছে, কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে কয়েকটি এলাকায় সেই নির্দেশনার ঘাটতি ধরা পড়ে।
Posted ৯:২৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh