রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

অপহরণের ঘটনায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তোলপাড়

বাংলাদেশ রিপোর্ট :   |   বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৪

অপহরণের ঘটনায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তোলপাড়

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত অপরাধী চক্রের কর্মকান্ড যে কতটা বিস্তৃতি লাভ করেছে, তার প্রমাণ পাওয়া গেছে সাত বাংলাদেশী অপরাধী কর্তৃক দুই বাংলাদেশীকে অপহরণের চাঞ্চল্যকর ঘটনায়। কুইন্স বরোর বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউয়ে সংঘটিত একটি সংঘবদ্ধ অপহরণ, দৈহিক নির্যাতন ও অপহৃতদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঘটনায় গত ১১ জানুয়ারী ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল আদালত সাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

অভিযুক্ত বাংলাদেশীরা হচ্ছেন: সৈয়দ রুবেল আহমেদ (৪৩), শাহেদ আলম (২৯), আবু চৌধুরী (২৮), আনজু খান (২৮), সুলতানা রাজিয়া (৩৮) ও ইফফাত লুবনা (২৪)। এদের মধ্যে আবু চৌধুরী ও লুবনা স্বামী-স্ত্রী। গত ১০ জানুয়ারি বুধবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।

দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। অভিযুক্তরা ডিস্ট্রিক্ট জজ নিনা মরিসনের আদালতে পরবর্তী শুনানির জন্য হাজির হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আবু চৌধুরী ২৫০,০০০ ডলার ও তার স্ত্রী ইফফাত লুবনা ১০০,০০০ ডলারের জামিনে রয়েছেন। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা অভিযুক্তদের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন। অভিযুক্ত ইফফাত লুবনা আইনজীবী মামলা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। খান ও আলমকে বিনা জামিনে আটক রাখার আদেশ দিয়েছে আদালত। আহমদকে ১০০,০০০ ডলারের বন্ডে এবং রাজিয়াকে ৫০,০০০ ডলারের বন্ডে হোম ডিটেনশনের আদেশ দিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশী সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্র কর্তৃক নিরীহ বাংলাদের অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েঝে স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটিতে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে অপহরণ একটি ফেডারেল ক্রাইম। ঘটনাগুলোকে সেভাবেই গুরুত্ব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এ ঘটনার সংবাদও গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করেছে আমেরিকার মূলধারার মিডিয়াভ ফলে বিষয়চি বাংলাদেশী আমেরিকান নতুন প্রজন্মের মাঝেও সৃষ্টি করেছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। ফেডারেল কোর্টও এই অপরাধকর্মকে বিশেষ একটি জাতিগোষ্ঠীর কান্ড বলে মন্তব্য করেছে। স্থানীয় বাংলাদেশী সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও ভাবিয়ে তুলেছে সহিংস এই অপরাধ কর্ম।

গত বৃহস্পতিবার ইউনাইটেড ষ্টেটস এটর্নীর অফিস থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশী কমিউনিটির অপরাধীদের দ্বারা এত বড় অপরাধকর্ম আর সংঘটিত হয়নি বলে কমিউনিটির অনেককে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আদালতের নথিতে দেখা যায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও অপহরণের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে দুজন Ñ আবু চৌধুরী ও তার স্ত্রী লুবনার বিরুদ্ধে পৃথক আরেকটি অপহরণের ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। ইস্টার্ন ডিস্ট্রক্ট অব নিউইয়র্কের সরকার পক্ষের আইনজীবী ব্রেয়ন পিস বলেছেন, গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ অভিযুক্ত রুবেল আহমেদ, শাহেদ আলম, আবু চৌধুরী, আনজু খান ও সুলতানা রাজিয়া অপর এক বাংলাদেশী ব্যক্তিকে জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউর ১৮১ স্ট্রিটের কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি হোন্ডা মিনিভ্যানে তুলে অপহরণ করেন এবং হত্যারও হুমকি দেন। তারা তাকে বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উলঙ্গ করে তা ক্যামেরায় ধারণ করে সংঘবদ্ধ এই অপহরণকারী চক্র।

এসময় অপহৃত ব্যক্তি পানি পান করতে চাইলে তাকে অপহরণকারীরা চেতনানাশক মিশ্রিত পানি পান করায়। এতে তিনি চেতনা হারিয়ে ফেলেন। পরের দিন স্থানীয় একটি হাসপাতালে তার ঘুম ভাঙ্গে।

ব্রুকলীন ফেডারেল কোর্টে গত ১১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বিবাদী পক্ষের আইনজীবি সারাহ স্যাকস সুলতানা রাজিয়ার পক্ষে আদালতে শুনানি করেন। তিনি দাবি করেন যে অপহৃত ওই ব্যক্তির হাতে তার মক্কেল গত ৫ বছর ধরে হয়রানির শিকার হয়ে আসছেন। সেজন্য আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সুলতানা রাজিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তার দাবি হচ্ছে যে অপহৃত ব্যক্তি রাজিয়ার চুল ধরে টানছিলেন এবং তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করছিলেন। অপর ঘটনায় ২০২৩ সালের ১১ মে আবু চৌধুরী ও ইফফাত লুবনা নিউইয়র্ক সিটির উডসাইডের ব্রডওয়ে এভিনিউর ৭২ স্ট্রিটের কাছে অপর এক বাংলাদেশীকে অপহরণ করে।

অপহৃত এসময় আবু চৌধুরী জোর করে অপহৃতকে একটি মিনিভ্যানে তুলে নেন এবং তাকে পেটাতে শুরু করেন। তারা অপহৃতকে একটি হোটেলে নিয়ে যান এবং আবু চৌধুরী জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। আবু চৌধুরী অপহৃতের পিতার কাছে ফোন করে ২০,০০০ ডলার মুক্তিপণ দাবী করেন বলেও আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অপহরণের তিন দিন পর আবু চৌধুরী তাকে চোখ বেঁধে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রেখে যান বলেও প্রমান পেয়েছেন প্রসিকিউটররা। পরে অপহৃত ব্যক্তি তার চোখ খুলে একটি জানালা দিয়ে বাইরে আসেন এবং নেইবারহুডের লোকজনকে ৯১১ কল করতে বলেন।
অভিযুক্ত রুবেল আহমেদ, শাহেদ আলম, আনজু খান ও সুলতানা রাজিয়াকে বৃহস্পতিবার আটক করা হয়। আবু চৌধুরী ও লুবনাকে আগেই আটক করা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত আরো একজন পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এফবিআই ও নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ডিটেকটিভ শাখার অফিসারগণের সমন্বয়ে গঠিত ‘জয়েন্ট ভায়োলেন্ট টাস্ক ফোর্স’ দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে রিপোর্ট প্রদানের পরই আদালত রায় প্রদান করেন।

মামলার বিস্তারিত বিবরণ অনুযায়ী ব্রুকলিনের ফেডারেল কোর্টে আগের একটি রায় বাতিল করে সৈয়দ রুবেল আহমেদ, শাহাদ আলম, আবু চৌধুরী, আঞ্জু খান ও সুলতানা রাজিয়ার বিরুদ্ধে জন ডো-১ (প্রকৃত নাম নয়) অপহরণ এবং আবু চৌধুরী ও ইফফাত লুবনার বিরুদ্ধে জন ডো-২ (প্রকৃত নাম নয়) কে অপরহণ করার জন্য ষড়যন্ত্র করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পেশ করার বিষয় জানান হয়েছে। আবু চৌধুরি ও তার স্ত্রী লুবনার বিরুদ্ধে এর আগে জন ডো-২ কে অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছিল। আসামী ও ভুক্তভোগীগণ একই জাতিগত গোষ্ঠীর (বাংলাদেশী কমিউনিটি) সদস্য। আহমেদ, আলম, খান ও রাজিয়াকে আজ (১১ জানুয়ারী ২০২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আজ বিকেলেই ইউনাইটেড স্টেটস ম্যাজিস্ট্রেট জজ জোসেফ এ, মারুতোলোর সামনে হাজির করা হয়। আবু চৌধুরি ও লুবনা-কে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরবর্তী তারিখে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে। সপ্তম আসামী পলাতক রয়েছেন।

ইউনাইটেড স্টেটস অ্যাটর্নি ফর দ্য ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব নিউ ইয়র্ক ব্রিয়ন পিস, এফবিআই এর নিউইয়ক ফিল্ড অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর-ইন-চার্জ জেমস স্মিথ, এবং এনওয়াইপিডি’র কমিশনার এডওয়ার্ড এ. কাবান গ্রেফতার ও অভিযোগের বিষয় নিশ্চিত করেছেন। ইউএস অ্যাটর্নি ব্রিয়ন পিস বলেছেন, অভিযোগ অনুসারে, অভিযুক্তরা বাদীদের ওপর নির্মম দৈহিক ও যৌন নির্যাতন করেছে। অভিযুক্তরা অপরাধকে আরো ভয়াবহ করতে ভুক্তভোগীদের কমিউনিটির প্রেক্ষাপটকে কাজে লাগিয়েছে। অভিযুক্তদের দ্বারা যদি আরো কেউ কোনোভাবে নিপীড়িত বা হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন তাহলে তাদেরকে ইউনাইটেড স্টেটস অ্যাটর্নি’স অফিসের ওয়েবসাইট https://www.justice.gov/usao-edny/report-crime ভিজিট করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অভিযোগ দায়ের করার জন্য অনুরোধ জানান হয়েছে। অ্যাটর্নি ব্রিয়ন পিস তদন্তে সহায়তা করার জন্য জয়েন্ট রোবারি ভায়োলেন্ট ক্রাইমস টাস্ক ফোর্সকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। এ টাস্ক ফোর্স এফবিআই এজেন্ট ও এনওয়াইপিডি’র গোয়েন্দা সমন্বয়ে গঠিত।

বিবরণীতে অ্যাটর্নি ব্রিয়ন পিস আরো উল্লেখ করেছেন যে, অপহরণের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের উপর বিবাদীরা যে সহিংস শারীরিক ও যৌন নিপীড়ন করেছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমাদের সমাজে সহিংস অপরাধের কোনো স্থান নেই। যারা এ ধরনের অপরাধ করবে, তারা অবশ্যই কঠোর বিচারের সম্মুখীন হবে এবং অপরাধীদের শান্তি নিশ্চিত করতে এফবিআই এবং এফবিআই নিউইয়র্ক অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর ইন চার্জ — সেটা যাতে ঘটে, FBI এবং FBI নিউ ইয়র্ক জয়েন্ট ভায়োলেন্ট ক্রাইম টাস্ক ফোর্স তা নিশ্চিত করবে,” FBI অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর-ইন-চার্জ জেমস স্মিথ বলেছেন।
এনওয়াইপিডির কমিশনার কাবান বলেছেন যে, এনওয়াইপিডির পুরুষ ও নারী সদস্যরা এ ধরনের অপরাধকে অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ হিসেবে নিন্দা করেন। আমরা এবং আইন প্রয়োগকারী অন্যান্য অংশীদাররা সহিংসতা এবং নিপীড়ন সংক্রান্ত সব অভিযোগকে অতি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে এবং নিউইয়র্ক সিটির রাস্তা থেকে এ ধরনের অপরাধ নির্মূল করার ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিদ্ধ।

বিবরণীতে আরো বলা হয় যে, ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ জ্যামাইকার ১৮১ হিলসাইড এভিনিউ থেকে জন ডো- কে অপহরণ করে, যখন তিনি সেখানে হাটাহাটি করছিলেন।
অপহরণকারী আহমেদ, আলম, চৌধুরী, খান এবং রাজিয়া তাকে জোর করে একটি হোন্ডা মিনিভ্যানে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তারা অপহৃত ব্যক্তিকে ১৪ ঘন্টা ধরে নিপীড়ন করে। অভিযোগে বলা হয়, চৌধুরী মিনিভ্যানের ভিতরেই জন ডো-১ কে মারতে শুরু করেন।
এরপর তাকে মিনিভ্যান থেকে বের কওে এক আবাসিক এলাকায় নগ্নাবস্থায় দাঁড় করিয়ে ছবি তোলেন। অপহরণের সময় আহমেদ, আলম, খান এবং রাজিয়া মোবাইল ফোনে আবু চৌধুরী এর সাথে যোগাযোগ করে সারা রাত জুড়ে বিভিন্ন স্থানে চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং জন ডো-১ কে আরো মারধর ও হত্যার হুমকিতে অংশ নেন। জন ডো-১ পানি পান করতে চাইলে অভিযুক্তরা তাকে চেতনানাশক মিশ্রিত পানি দিয়েছিল। জন ডো-১ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং পরদিন স্থানীয় একটি হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পান।
অপহরণের অভিযোগ এবং আদালতে পেশকৃত আরজি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১১ মে থেকে তিন দিন পর্যন্ত চৌধুরী ও লুবনা জন ডো-১ কে অপহরণ ও নিপীড়ন করেছিল। জন ডো-২ উডসাইডের ৭২ তম স্ট্রিট ও ব্রডওয়ের পাশে এক রেস্টুরেন্টের বাইরে লুবনার সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তখন চৌধুরী জন ডো-২ কে জোর করে একটি মিনিভ্যানে তুলে প্রহার শুরু করেন।

অপহরণের পর চৌধুরী ও লুবনা জন ডো-২কে একটি হোটেলে নিয়ে যায় এবং জন ডো ২ এর ওপর চৌধুরী যৌন নিপীড়ন করেন। এছাড়াও চৌধুরী জন ডো ২ এর পিতার কাছে ফোন করে তার পুত্রের মক্তিপণ হিসেবে ২০,০০০ ডলার দাবি করেন। অভিযুক্তরা তাকে পুলিশের কাছে যাওয়ার ব্যাপারেও সতর্ক করে যে, তিনি যদি তা করেন তাহলে তারা তাকে সহজেই বাংলাদেশী কমিউনিটিতে খুঁজে পাবেন। অপহরণের তৃতীয় দিনে চৌধুরী জন ডো-২ কে বেঁধে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রেখে যান। জন ডো-২ দাঁত দিয়ে তার বাঁধন কেটে, জানালা ভেঙে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ৯১১ নম্বরে কল করতে অনুরো জানিয়ে নিজেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে, অফিস’স জেনারেল ক্রাইম সেকশন কর্তৃক। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউনাইটেড স্টেটস অ্যাটর্নি স্টেফানি পাক এবং প্যারালিগ্যাল এক্সপার্ট ভিনসেন্ট চিয়াপিনি, ক্যাটরিনা বাতিস্তা যৌথভাবে প্রসিকিউশনের দায়িত্বে রয়েছেন।

Posted ৬:২৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৪

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.