বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই ২০২৩
ফাইল ছবি
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি কারাগার কোম্পানি ‘কোর সিভিক’ পরিচালিত নিউ জার্সির একমাত্র ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টার বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে ইমিগ্রান্ট অধিকার প্রবক্তা গ্রুপসমূহ। প্রায় এক ডজনের বেশি ইমিগ্রান্ট অধিকার সংগঠন নিউ জার্সির ‘এলিজাবেথ কন্ট্রাক্ট ডিটেনশন ফ্যাসিলিটি’র সামনে বেশ কয়েকটি বিক্ষোভ অনুষ্ঠানে আয়োজন করবে, যদি স্টেটের আইন অনুযায়ী আনডকুমেন্টেড ইমিগ্রান্ট আটকে রাখার জন্য ‘আইস’ এর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত ডিটেনশন সেন্টারটি উক্ত কোম্পানিটি আগস্ট মাসের মধ্যে বন্ধ করে না দেয়।
ইমিগ্রান্ট অধিকার প্রবক্তা সংগঠনগুলোর দাবির মধ্যে আরো অন্তর্ভূক্ত রয়েছে যে, ডিটেনশন সেন্টার বন্ধের পাশাপাশি সেখানে আটক সকল আনডকুমেন্টেড ইমিগ্রান্টকে মুক্তি দিতে হবে। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্র বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ইমিগ্রান্টদের অবিলম্বে মুক্তি দান করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
নিউ জার্সির এলিজাবেথ ডিটেনশন সেন্টারে ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইন লংঘনের কারণে অভিযুক্তদের আটক রাখা হয়েছে। এখানে ৩০০ জনকে আটক রাখার ব্যবস্থা রয়েছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের সময় লক্ষ্যণীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছিল। ‘কোর সিভিকের’ মুখপাত্র ব্রায়ান টড বলেছেন যে তারা দীর্ঘদিন যাবত ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান উভয় সরকারের আমলে আমেরিকার ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, বেসরকারি কারাগার কোম্পানি ‘কোর সিভিক’ নিউ জার্সির ২০২১ সালের এক আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিল, যে আইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন বন্দিদের আটক রাখা হয়, এমন ডিটেনশন সেন্টারের মেয়াদ বৃদ্ধির নতুন চুক্তি না করার নির্দেশনা ছিল। কোম্পানির পক্ষে বলা হয় যে, এ ধরনের আইন অসাংবিধানিক এবং ফেডারেল আইনের পরিপন্থী।
মামলায় তারা স্থগিতাদেশ চেয়েছিল, যাতে ‘আইস’ কোর সিভিকের সঙ্গে তাদের চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে স্টেটের কাছ থেকে বাধাপ্রাপ্ত না হয়। বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ৩১ আগস্ট শেষ হবে। মামলাটি এখনো বিচারাধীন।
Posted ৩:৪৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই ২০২৩
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh