বিশেষ প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
নতুন অর্থবছরের বাজেটে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, যার পরিমাণ ৫৭ হাজার ৩০২ কোটি টাকা। সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে, যার পরিমাণ ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব করেন।
বাজেটে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বরাদ্দের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ৪৯ হাজার ৩৮৭ কোটি টাকা; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪৬ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা; স্থানীয় সরকার বিভাগে ৪০ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা; সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ৩৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এরপর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ৩০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা; কৃষি মন্ত্রণালয়ে ২৭ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা; কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে ১৮ হাজার ১১৫ কোটি টাকা; বিদ্যুৎ বিভাগে ১৪ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকা; স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ১৩ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই ব্যয় ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা) চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি সচল রাখতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিসহ (এডিপি) মোট উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা।
কোন পণ্যের দাম বাড়বে, কোন পণ্যের দাম কমবে
জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ৩টার দিকে তিনি বাজেট প্রস্তাব পেশ করা শুরু করেন। এটা বিএনপি সরকারের এই মেয়াদের প্রথম বাজেট। বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই ব্যয় ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এই বাজেটে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বেশকিছু পণ্যের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। আবার কিছু কিছু পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে সেসব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সাধারণত বাজেটের শুল্ককর প্রস্তাব ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়ে যায়। যদিও সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুল্ককর কমানোর পণ্যসংখ্যাই বেশি।
খেজুর ও মসলায় স্বস্তি : বাজেটে খেজুর আমদানির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় কমবে এবং বাজারে খেজুরের দামও কিছুটা কমতে পারে। একইভাবে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচসহ বিভিন্ন মসলা আমদানির ক্ষেত্রেও ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক তুলে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। ফলে এসব পণ্যের বাজারদরে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
শিশুখাদ্য : শিশুখাদ্য উৎপাদনের কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় কমে বাজারে শিশুখাদ্যের দামও কমতে পারে।
সার : সারের ব্যবসায়ী পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একইসঙ্গে জিংক সালফেট সার উৎপাদনের কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।
কীটনাশক : কীটনাশক উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং আমদানি করা কীটনাশকের ওপর ৭.৫ শতাংশ অগ্রিম কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমতে পারে।
পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাদ্য : পোল্ট্রি, ডেইরি ও মাছের খাদ্য উৎপাদনের তিনটি কাঁচামালকে শূন্য শতাংশ রেয়াতের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে পশু ও মাছের খাদ্যের উৎপাদন ব্যয় কমতে পারে।
পোল্ট্রি যন্ত্রপাতি : পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ খামারিরা কম দামে পেতে পারে।
চিকিৎসা ব্যয়ে কমতে পারে চাপ
কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার : দেশের বিপুল সংখ্যক কিডনি রোগে আক্রান্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং ডায়ালাইসিস প্রক্রিয়া সচল রাখতে ডায়ালাইসিস ফিল্টার একটি সংবেদনশীল ও অপরিহার্য চিকিৎসাসামগ্রী। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এতে প্রতিবার ডায়ালাইসিসে প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ কমতে পারে বলে জানা গেছে।
ব্লাড টিউবিং সেট : হেমোডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত ব্লাড টিউবিং সেট আমদানিতে ৭.৫ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
হার্টের রিং : হার্টের রিং বা স্টেন্ট সরবরাহের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতিটি স্টেন্টের দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।
চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্স : ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হলে প্রতিটি লেন্সের দাম প্রায় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।
মৃতদেহ সংরক্ষণের খরচ : মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত মর্চুয়ারি আমদানির শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।
ক্যান্সারের ওষুধ : ক্যান্সারবিরোধী ওষুধ উৎপাদনের নতুন ৯টি কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ওষুধ : ওষুধের কাঁচামাল এপিআই তৈরির ৫১টি নতুন উপকরণের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বাজারে ওষুধের দামে কমবে।
ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল : আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে নতুন করে আরও ১৭টি মৌলিক কাঁচামাল অন্তর্ভুক্ত করে আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যে বড় ছাড়
ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার ও প্রিন্টার : উন্নত বাংলাদেশ এবং আইটি খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে সমুদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
কম্পিউটারের এসএসডি : এসএসডি আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ব্যতীত সমুদয় রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সার্ভার : সার্ভার আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।
পস মেশিন : পয়েন্ট অব সেলস মেশিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ এবং অগ্রিম কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব আশা করা যায়।
পরিবহন খাত
ইলেকট্রিক গাড়ি : ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের ইলেকট্রিক গাড়ির করভার ৯৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত গাড়ির করভার ৮০ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে ইভি গাড়ির দাম কমতে পারে।
প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি : ১৮০০ সিসি পর্যন্ত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির মোট করভার ৯৩.১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭৩.৪৩ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইভি চার্জার ও চার্জিং স্টেশন : ইলেকট্রিক গাড়ির চার্জার ও চার্জিং স্টেশনের ওপর বিদ্যমান ৩৯.৭৫ শতাংশ করভার সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে। ফলে সস্তায় সেবা পাওয়া যেতে পারে।
সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল খাতেও সুবিধা : গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র এবং এর যন্ত্রাংশ আমদানিতে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চপ্রযুক্তির সিনেমা ক্যামেরার আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য সুবিধা : বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের চলাচলে সহায়ক ২১ ধরনের যন্ত্রপাতি আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক, ভ্যাট ও আগাম কর সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ফলে এসব পণ্য আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হতে পারে। তবে কিছু পণ্যে বসবে বাড়তি ভ্যাট। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
আবাসন নির্মাণ পণ্য : নতুন অর্থবছরে যারা বাড়ি তৈরির কথা ভাবছেন, তাদের জন্য কিছুটা দুঃসংবাদ থাকছে। আবাসন খাতের অন্যতম প্রধান উপাদান এমএস রড এবং এ জাতীয় পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর ও ভ্যাট প্রায় ১০ শতাংশ বাড়তে পারে। যাতে রডের দাম বাড়বে।
তামাকপণ্য : এমনকি ধূমপায়ীরাও হিসাবের বাইরে নন। সিগারেটের ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। নিকোটিন পাউচের ওপর বসছে ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হতে পারে। সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড রাখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহল বা মদের ওপর লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব আসতে পারে, যা বাড়িয়ে দেবে মদের দাম। উচ্চমূল্যের বিলাসী খাবার এবং নতুন করে ১০টি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে। বিদেশ থেকে আমদানি করা উচ্চ মূল্যের হিমায়িত মাছে নতুন করে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।
কাজু বাদাম : দেশীয় চাষীদের সুরক্ষায় কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্কহার ৫ শতাংশ থেকে একলাফে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে। অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রস্তাবিত কর-শুল্ক ছাড় কার্যকর হলে একদিকে যেমন উৎপাদন ব্যয় কমবে, অন্যদিকে ভোক্তারাও কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে সরাসরি মূল্যসুবিধা পেতে পারেন। তবে এসব সুবিধার প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে বাজার ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়নের ওপর।
Posted ১০:০৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh