বাংলাদেশ ডেস্ক : | বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩
ছবি : সংগৃহীত
ভয়াবহ তাপে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের শহরগুলো। উচ্চ তাপমাত্রা জুনের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণের শহরগুলোকে প্রভাবিত করছে। দক্ষিণ টেক্সাস ও দক্ষিণ ফ্লোরিডা শহরগুলোকে সবচেয়ে কঠিনভাবে আঘাত করছে এই ‘তাপ দানব’। সপ্তাহের শেষদিকেই দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলও আক্রান্ত হবে। যা ফিনিক্সের মতো গরম শহরগুলোকে আরও গরম করে তুলবে। ফিনিক্স শহরটি ১১০ ডিগ্রির উপরে রেকর্ড ভাঙতে পারে। পরিস্থিতি অনুমান করে সপ্তাহের শুরুতেই লাস ভেগাস ও ফিনিক্সের জন্য অত্যধিক তাপ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যেখানে পরবর্তী সপ্তাহে তাপমাত্রা ১১০ ডিগ্রি বা তার বেশি হবে ও তা দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থায়ী হবে। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ফ্লোরিডা পর্যন্ত ৪০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাপ সতর্কতার অধীনে আছে। ফ্লোরিডার মিয়ামি, টেক্সাসের হিউস্টন ও সান্ত আন্তোনিওর মতো জায়গাগুলোতে তাপ প্রায় ১১০ ডিগ্রিতে শীর্ষে থাকবে।
ফিনিক্সে জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা অফিস বলেছে, দক্ষিণ-পশ্চিম জুড়ে তাপ প্রবাহ আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাবে। আগের বছর ঠিক একই অবস্থা ছিল ইউরোপে। গত ১০ জুলাই নেচার মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ইউরাপের রেকর্ড গ্রীষ্মকালীন গরমে গত বছর প্রায় ৬২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরের ৩০ মে থেকে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাপজনিত অসুস্থতায় ইউরোপে ৬১ হাজার ৬৭২ জন মারা গেছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয় ইতালি।
যেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার। স্পেনে মৃতের সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ও জার্মানিতে ছিল প্রায় ৮ হাজার। মৃতের সংখ্যাটিকে একটি বড় সংখ্যা বলে জানান গবেষণার প্রধান লেখক জোয়ান ব্যালেস্টার। সিএনএন। গবেষকরা জানান, তাপের প্রভাব বয়স্ক মানুষ ও নারীদের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাপজনিত মৃত্যুর হার পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ বেশি। আবার ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষের মৃত্যুর সংখ্যাও ছিল বেশি। এদিকে এ বছর তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙছে যুক্তরাষ্ট্রও। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মৃতের সংখ্যা ইউরোপের থেকে অনেক কম। যদিও মার্কিন স্বাস্থ্য ডাটার গুণমান নিয়ে সন্দেহ ও হতাশ হয়ে পড়েছেন অনেকেই।
Posted ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh