বাংলাদেশ ডেস্ক : | বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে পারসোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচার (পিসিই) ফেডের গড় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ শতাংশ। তবে অক্টোবরে এটি ছিল ৩ শতাংশ। আগের মাস সেপ্টেম্বরে ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যা আগের মাসটির তুলনায় মোটামুটি স্থিতিশীল এবং অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সঙ্গেও সংগতিপূর্ণ। খবর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। অস্থির খাদ্য ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতি বাদ দেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে বছরওয়ারি মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে, যা এক বছর আগে ছিল ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। সে হিসেবে বার্ষিক মূল্যস্ফীতিও কমেছে।
অন্যান্য ইতিবাচক খবরের পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধির গতি কমে আসার বিষয়টিও ফেড কর্মকর্তাদের জন্য সুখবর। ভোক্তারা ধীরগতিতে ব্যয় বাড়াচ্ছেন। সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তিগত ব্যয় দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় কিছুটা মন্থর গতিকে নির্দেশ করে। প্রতিবেদনটি ফেড কর্মকর্তাদের কাছে গুরুপূর্ণ বিষয় হতে পারে। কারণ তারা ২০২৩ সালের চূড়ান্ত সভার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা ১২-১৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
যদিও বিনিয়োগকারীরা ব্যাপকভাবে প্রত্যাশা করছেন, সভায় নীতিনির্ধারকরা ঋণ গ্রহণের ব্যয় অপরিবর্তিত রাখবেন। সভা থেকে শীর্ষ অর্থনীতিবিদরা একটি নতুন অর্থনৈতিক প্রক্ষেপণ প্রকাশ করবেন, যা ভবিষ্যতের নীতির জন্য তাদের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিতে পারে। সভা শেষে ফেড প্রধান জেরোম এইচ পাওয়েলের একটি সংবাদ সম্মেলন করার কথা। ইনফ্লাশন ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা ওমর শরীফ জানান, তারা এখনই ‘মিশন সম্পন্ন’ ঘোষণা করার বিষয়ে সতর্ক রয়েছেন। মূল্যস্ফীতি ও ভোক্তা ব্যয় উভয়ই কীভাবে এগিয়ে যাবে, নীতিনির্ধারকরা নিবিড়ভাবে তা পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা এরই মধ্যে সুদহার ৫ দশমিক ২৫ থেকে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন, যা দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর। অনেক কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এখন এটি বন্ধ করার সময় একই সঙ্গে নীতিটি কীভাবে কার্যকর হয়, তা দেখারও সময়।
ফেডারেল ডিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রেসিডেন্ট জন সি উইলিয়ামস সম্প্রতি এক আলোচনায় ইঙ্গিত দিয়েছেন, মূল্যস্ফীতির আকার মাঝারি হবে। যদিও এমন তথ্যের পর ফেডের কর্মকর্তারা সুদহার আরো বাড়াতে পারেন বলেও আশঙ্কা করেন তিনি। জন সি উইলিয়ামস বলেন, ‘যদি মূল্যস্ফীতি ও বাজারের ভারসাম্যহীনতা আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি থাকে, তাহলে মুদ্রানীতি আরো কঠোর করার প্রয়োজন হতে পারে।’
নিজের মূল্যায়ন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সুদহার লক্ষ্যমাত্রার সর্বোচ্চ স্তর বা তার কাছাকাছি রয়েছে।’ ফেডারেল রিজার্ভের অন্য এক সদস্য ক্রিস্টোফার ওয়ালার বলেন, ‘হাতে থাকা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে চতুর্থ প্রান্তিকে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংযত করার প্রাথমিক লক্ষণ দেখে আমি উৎসাহিত। মূল্যস্ফীতি এখনো খুব বেশি। আমরা যে ধীরগতি দেখছি, তা বজায় থাকবে কিনা তা শিগগিরই জানা যাবে।’
Posted ১:২৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh