বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
ফাইল ছবি
নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেটে অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং এর বেড়ে চলা সংকট কাটিয়ে উঠার উদ্যোগে স্টেটের নেতারা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়ার পর স্টেট গভর্নর ক্যাথি সি হকুল অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং এর বিরাজমান শূন্যতা পূরণের আদেশ দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার তিনি এ সংক্রান্ত বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন রেসিডেন্সিয়াল রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট ও স্টেটের আবাসন সংকট কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে। এ ব্যাপারে তিনি এ বছরের প্রথম দিকে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের নির্বাহীদের সঙ্গে তার আলোচনা পর্যালোচনার পর এ ঘোষণা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে ব্যয়বহুল আবাসনের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটি অন্যতম, যেখানে অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং এর স্বল্পতার কারণে বাড়ি ভাড়া প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে মধ্যবিত্ত আয়ের লোকদের পক্ষেও নিউইয়র্কে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করার পর তাদের আয়ের অবশিষ্ট অর্থে সংসার পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং এর আওতা বৃদ্ধির ব্যাপারে নিউইয়র্ক স্টেট আইনসভায় উত্থাপিত বিল পাসে সদস্যরা এ হার মেনেছেন রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর চাপের কাছে। বিলগুলো ওপর আলোচনা হলেও তা মুখ থুবড়ে পড়েছে হাউজের ফ্লোরে।
এ পরিস্থিতিতে স্টেট গভর্নর হস্তক্ষেপ করেছেন এবং হাউজিং সংকট হ্রাস ও অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং এ যে শুন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করার আদেশ দিয়েছেন। তার আদেশে রিয়েল এস্টেট ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে ব্রুকলিনের গোয়ানাস নেইবারহুডে যেসব ডেভেলপারের হাউজিং প্রজেক্ট আছে, তারা তাদের কাজ এগিয়ে নিতে পারবে। তারা স্টেট এজেন্সিগুলোর মালিকানাধীন খালি জমির বরাদ্দ নিয়ে হাউজিং প্রকল্প শুরু করতে পারবে বলে নিউইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, অন্যান্য স্টেটের তুলনায় নিউইয়র্কে হাউজিং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি মন্থর এবং গভর্নর হকুল তার স্টেটে হাউজিং প্রকল্পের গতি বৃদ্ধিকে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নিউইয়র্ক সিটির প্রায় প্রতিটি বড় আবাসিক প্রকল্প গত ৫০ বছর ধরে ট্যাক্স ইনসেনটিভ সুবিধা ভোগ করছিল, যা তীব্র সমালোচনা মুখে গত বছর মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। এই কর্মসূচির আওতায় চলমান আবাসন প্রকল্পগুলোকে ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করতে হবে।
কিন্তু ডেভেলপাররা সতর্ক করেছিল যে ব্রুকলিনের গোয়ানাস নেইবারহুডের ৮ হাজারের বেশি অ্যাপার্টমেন্টসহ অন্য যেসব এলাকা রিজোনিং করা হয়েছে, সেসব এলাকার অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংগুলোর নির্মাণকাজ যথাসময়ে শেষ হবে না। এর প্রধান কারণ করোনা মহামারীর সময়ে কাজ বন্ধ থাকা বা মন্থর হওয়া এবং নির্মাণ সামগ্রীর সরবরাহ হ্রাস ও মুদ্রাস্ফীতিজনিত মূল্য বৃদ্ধি। অতএব নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল, তা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিলম্বিত হতে পারে। স্টেটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন যে, সিটিজুড়েই এ অবস্থা চলছে এবং প্রয়োজনে মেয়াদ সম্প্রসারিত করা হতে পারে।
Posted ৩:১৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh