নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩
বাংলাদেশের ৫৩তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে গত ২১ নভেম্বর সোমবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে এক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁপিয়েরে ল্যাক্রুয়া, অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খারে, নিরাপত্তা বিভাগের এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল উনাইসি ভুনিওয়াকা, জাতিসংঘের মিলিটারি এডভাইজর জেনারেল বিরামে ডিওপসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ (স্থায়ী প্রতিনিধি) ও সামরিক উপদেষ্টাগণ (মিলিটারি এডভাইজর)অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, তাঁদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের কারণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা,দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও নানাবিধ উন্নয়ন কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধবিধস্ত দেশের পুনর্গঠনে প্রশংসনীয় অবদান রাখছে। এসকল কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। এই উদ্যোগসমূহের বাস্তবায়ন সশস্ত্র বাহিনীকে আরো দক্ষ ও শক্তিশালী করে তুলবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।”
অনুষ্ঠানে দেশে ও বিদেশে সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে একটি তথ্যবহুল ব্রিফিং প্রদান করেন মিশনের ডিফেন্স এ্যাডভাইজার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাদেকুজ্জামান। বক্তব্য পর্ব শেষে স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আগত অতিথিদের নিয়ে কেক কাটেন এবং সকলকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। এসময় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
Posted ৪:২৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh