বাংলাদেশ অনলাইন : | বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪
চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে কয়েকজন অস্ত্রধারী গুলি ছোঁড়ে। ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মহানগর যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংঘাতের সময় একাধিক অস্ত্রধারীকে দেখা গেছে, যারা অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করছে এবং অন্যদের ধাওয়া করছে। আর একই সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজনসহ তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন উঠেছে, যারা গুলি করেছে, তারা কারা?
নাঈম নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এক আন্দোলনকারী জানান, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মুরাদপুর থেকে দুই নম্বর গেইট যাচ্ছিলাম। তখন ছাত্রলীগ-যুবলীগ এবং কিছু টোকাই লাঠিসোঠা নিয়ে আমাদের আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করে। গুলি করেছে আন্দোলনকারীদের ওপর। এখন তারা ষোলশহর দুই নম্বর গেইট এলাকায় অবস্থান করছে। সেখান থেকে তারা থেমে থেমে আমাদের ওপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করছে।’
একই অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদেরও। জরুরী বিভাগে কথা হয় কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল নীরবের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘মহসীন কলেজ ও চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের কমপক্ষে ২০ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আন্দোলনকারীদের কয়েকজনের হাতে অস্ত্র ছিল। তারা গুলি ছুড়েছে। তাদের হাতে ছুরি এবং লাঠিও ছিল।’
দুইপক্ষ পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিলেও বাস্তবে কোনো পক্ষ অস্ত্রধারীদের পরিচয় শনাক্ত করেনি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় আন্দোলনকারীদের দিকে গুলি ছোঁড়া হয়েছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ অনেকটা নিষ্ক্রিয় ছিল বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তবে পুলিশ বলছে তারা সক্রিয় ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তোষ চাকমা প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিকেল চারটার পর থেকে মুরাদপুর এলাকায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুইপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ অস্ত্রধারীদের বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
Posted ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh