বাংলাদেশ অনলাইন : | সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী জোয়েল মোকিয়র (বাঁ থেকে), ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট। ইলাস্ট্রেশন : নোবেল প্রাইজ ডটঅর্গ এর সৌজন্যে
টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে গবেষণার জন্য এ বছর অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন তিন গবেষক। তাঁরা হলেন আমেরিকান-ইসরায়েলি জোয়েল মোকিয়র, ফ্রান্সের ফিলিপ আগিয়োঁ ও কানাডার পিটার হাউইট।
১৩ অক্টোবর (সোমবার) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে রয়াল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস। গবেষকদের মধ্যে জোয়েল মোকিয়র (৭৯) প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধির প্রয়োজনীয় শর্তগুলো চিহ্নিত করেছেন। তিনি পুরস্কারের অর্ধেক অর্থ পাবেন। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোকিয়র দেখিয়েছেন, কীভাবে টেকসই প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়।
আর ‘ক্রিয়েটিভ ডেস্ট্রাকশন’ বা ‘সৃজনশীল বিনাশ’ তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার জন্য পুরস্কারের বাকি অর্থ পাবেন আগিয়োঁ (৬৯) ও হাউইট (৭৯)। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে তারা ‘সৃজনশীল বিনাশ’ নামে পরিচিত গাণিতিক মডেল তুলে ধরেন। নতুন ও উন্নত কোনও পণ্য বাজারে আসার পর পুরনো পণ্য বিক্রি করা কোম্পানিগুলো কীভাবে পিছিয়ে পড়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়- সেটি এই তত্ত্বে দেখানো হয়েছে।
পুরস্কার কমিটির চেয়ার জন হাসলার সাংবাদিকদের বলেন, গবেষকদের কাজের মাধ্যমে বোঝা গেছে কীভাবে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং তা দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখা যায়।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, অর্থনীতিতে নোবেলই একমাত্র পুরস্কার যেটি সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের উইল বা ইচ্ছাপত্রে (১৮৯৬) উল্লেখ ছিল না। ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুদানের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এ কারণে সমালোচকেরা এটিকে ‘ভুয়া নোবেল’ বলেও অভিহিত করেন। তবে রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞানের মতোই এই পুরস্কারের বিজয়ী নির্বাচন করে রয়াল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
Posted ১০:৪৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh