নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নিউইয়র্ক : নায়াগ্রা ফলসে ফোবানার উদ্বোধনকালে অতিথি ও আয়োজকবৃন্দ।
লেবার ডে উকেন্ড ঘিরে বিগত বছরগুলোর মতো এবারো নানা আয়োজনে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা)-এর তিনটি বিভক্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো উত্তর আমেরিকার গত ২৯, ৩০ ও ৩১ আগষ্ট। অনুষ্ঠিত এবারের সম্মেলন ছিলো ৩৯তম ফোবানা কনভেনশন। এই তিনটি সম্মেলনের একটি সম্মেলন হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যের নায়াগ্রা ফলসে, অপরটি হয় জর্জিয়া রাজ্যের আটলান্টায়। আরেকটি হলো কানাডার মনট্রিয়লে। নিউইয়র্ক (ইউএনএ)
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুক্রবার (২৯ আগষ্ট) ফোবানা সম্মেলন তিনটি শুরু হয়। বিগত বছরগুলোর মতো এবছরের সম্মেলনগুলোতে সেমিনার, আলোচনা, কাব্য জলসা, মেলা প্রভৃতি থাকলেও তবে মূল আকর্ষণ ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘিরে। এছাড়াও সম্মেলনগুলোতে ছিলো তথা কথিত ‘কমিউনিটির কল্যাণে ভালো কাজের স্বীকৃতি’ স্বরূপ ‘অ্যাওয়ার্ড/প্ল্যাক’ প্রদান পর্ব। সম্মেলনগুলোর অনুষ্ঠানগুলোতে মূলধারার রাজনীতিক ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। ৩১ আগষ্ট, রোববার রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভক্ত তিনটি সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।

নায়াগ্রা ফোবানা।
এদিকে বিভক্ত ফোবানার তিনটি সম্মেলনের স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী বছরও পৃথক তিনটি স্থানে ৪০তম ফোবানা সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আটলান্টা সম্মেলন থেকে আগামী বছরের (২০২৬) সম্মেলন ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেসে এবং ২০২৭ সালের সম্মেলনের জন্য টেক্সাসের হিউস্টন আর মন্ট্রিয়ল সম্মেলন থেকে আগামী সম্মেলন (২০২৬) ফ্লোরিডায় হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে নায়াগ্রা ফলস সম্মেলনের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় নতুন কমিটি (আংশিক) গঠন করা হলেও আগামী বছর সম্মেলনের নতুন ভেন্যু কোথায় হবে বা আয়োজক সংগঠন হবে কোন সংগঠন সে ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের এক ছাতার নীচে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে ১৯৮৭ সালে অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ‘ফোবানা’ প্রতিষ্ঠা হয়। বৃহৎ এই সংগঠনটি তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে দেশ ও প্রবাসের একটি ‘আইকনিক’ সংগঠনে পরিণত হলেও পরবর্তীতে নেতৃবৃন্দের ব্যক্তিগত ইগো, রাজনৈতিক মতপার্থক্য সহ ফোবানা গঠনতন্ত্র না মানার কারণে সংগঠনটি বিভক্ত হয়ে পড়ে। আর বিভক্তির ফলে ফোবানা হারিয়েছে তার ঐতিহ্য। সাধারণ প্রবাসীদের একটিই দাবী যেকোন মূল্যে ঐক্যবদ্ধ ফোবানা।
নায়াগ্রা ফলস ফোবানা:
নিউইয়র্কের নায়াগ্রা ফলসের ‘শেরাটন নায়াগ্রা ফলস’-এ ২৯ আগষ্ট শুক্রবার এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ থেকে আগত অধ্যাপক ড. সলিমুলাস্নাহ খান। এ সম্মেলনে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা অতিথি হিসেবে যোগ দেন। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফোবানা স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ। সঞ্চালনায় ছিলেন এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী কাজী আজম। সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে আমন্ত্রিত অতিথি ছাড়াও ফোবানার কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খান, গিয়াস আহমেদ, আলী ইমাম মজুমদার, আবু জোবায়ের দারা, মইনুল হক চৌধুরী হেলাল ও ফিরোজ আলম শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এই সম্মেলনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী আসিফ আকবর, প্রীতম, আতিয়া আনিসা ও রেশমী মির্জা। এছাড়াও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের মধ্যে রানো নেওয়াজ, শাহ মাহবুব, কামরুজ্জামান বকুল, অনিক রাজ প্রমুখ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। উপস্থাপনায় ছিলেন সোনিয়া সিরাজ।

এদিকে নায়াগ্রা ফলস সম্মেলনের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় নতুন কমিটি (আংশিক) গঠন করা হলেও আগামী বছর সম্মেলনের নতুন ভেন্যু কোথায় হবে বা আয়োজক সংগঠন হবে কোন সংগঠন সে ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। ২০২৬ সালের ফোবানা সম্মেলনের ভেন্যুর বিষয়ে নতুন কমিটি পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে। নায়াগ্রায় অনুষ্ঠিত ৩৯তম ফোবানা কনভেনশনের স্টিয়ারিং কমিটির সভায় আগামী ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য গিয়াস আহমেদ চেয়ারম্যান, ফিরোজ আহমেদ এক্সিকিউটিভ মেম্বার সেক্রেটারী, কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, শাহাব উদ্দিন সাগর জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ মেম্বার সেক্রেটারী এবং ওয়াহিদ কাজী এলিন ট্রেজারার নির্বাচিত হয়েছেন। স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সদস্য পদাধিকার বলে সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ। নতুন কমিটির নির্বাচিত ছয় জন এবং তিন জন সাবেক চেয়ারম্যান যথাক্রমে মোহাম্মদ হোসেন খান, আলী ইমাম, ডা. মাসুদুর রহমান ও সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ মিলে পূর্নাঙ্গ স্টিয়ারিং কমিটি গঠন এবং পরবর্তী কনভেনশনের স্থান পরে ঘোষণা করবেন বলে শাহাব উদ্দীন সাগর জানিয়েছেন। তবে কানাডার একটি আর যুক্তরাষ্ট্রের দুটি রাজ্য থেকে আগামী বছর সম্মেলন আয়োজন করার দাবী করা হয় বলে সভা সূত্র জানায়।
আটলান্টা ফোবানা:
‘বাংলা ধারা’ আয়োজিত আটলান্টায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ফোবানা সম্মেলন শুরু হয় ২৯ আগষ্ট শুক্রবার। রোববার সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে। ‘গ্যাস সাউথ কনভেনশন সেন্টার’-এ আয়োজিত এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে জমজমাট ফোবানা আয়োজন এটি। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী এতে যোগ দেন। ফলে সম্মেলনটি জমজমাট হয়ে উঠে। শনিবার সকালে ফোবানা সম্মেলনের বিজনেস নেটওয়ার্ক পর্বে আলোচনায় অংশ নিয়ে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বার্ট জোনস বলেছেন, শুধু জর্জিয়াতেই নয়, সর্বত্রই বাংলাদেশীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় কমিউনিটি। ফোবানার মাধ্যমে আটলান্টার গ্যাস সেন্টারে বাংলাদেশীদের যে সমাবেশ ঘটেছে তা এ কমিউনিটির ঐক্য ও সংহতির প্রমাণ বহন করে। এর আগে লেফটেন্যান্ট গভর্নর ফোবানা সম্মেলনের প্রধান মঞ্চ এবং বিভিন্ন হল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা স্টল ঘুরে দেখেন। তিনি আয়োজকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং অভিবাদন বিনিময় করেন।
বিজনেস নেটওয়ার্ক লাঞ্চে সভাপতিত্ব করেন হোস্ট কমিউনিটির চেয়ারপার্সন ডিউক খান। এসময় বক্তব্য রাখেন আবীর আলমগীর, মোহাম্মদ আলমগীর, মাহবুবুর রহমান ভুইয়া ও নাহিদুল খান সাহেল। আলোচনা পর্বে আরও মতবিনিময় করেন ফোবানা লোকাল কমিটির প্রেসিডেন্ট ডিউক খান, ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডিএম সালাউদ্দিন মাহমুদ, মায়ামির কনসাল জেনারেল মিস সেহেলি সাবরিন, জর্জিয়া স্টেট সিনেটর গেইভ ওকিই, ষ্টেট সিনেটর শেখ রহমান, ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান রেহান রেজা, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি গোলাম ফারুক ভুইয়া, ফোবানা’র সিনিয়র কো-কনভেনর কাজী নাহিদ, চীফ কো-অর্ডিনেটর এম মৌলা দিলু, কাব্য জলসা ও সাহিত্য সভা কমিটির চেয়ারম্যান আবু লিয়াকত হুসেন প্রমুখ।
সংস্কৃতিক পর্বে দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পরা সঙ্গীত পরিবশেন করেন । এছাড়াও প্রবাসের বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন।
কাব্যজলসা: এই সম্মেলনে বর্ণাঢ্য কাব্যজলসাঅনুষ্ঠিত হয়। কবিতা পাঠ, বক্তব্য আর সাহিত্যচর্চার উচ্ছ্বাসে ভরে উঠেছিল পুরো আয়োজন। এতে সভাপতিত্ব করেন কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু লিয়াকত হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রিজোয়ান আহমেদ হৃদয়। কাব্যজলসার প্রধান অতিথি ছিলেন কবি ও বাচিক শিল্পী ড. ভাস্বর বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রবাসের মাটিতেও কবিতা মানুষের হৃদয়ে নতুন বীজ বোনে। কাব্যই পারে ভিন্ন সংস্কৃতিকে একত্র করতে। আলোচনা করেন, বক্তব্য রাখেন এবং কবিতা পাঠে অংশ নেন রাশেদ চৌধুরী, মৃদুল রহমান, জুয়েল সাদাত, কৃষন রয়, পংকজ কুমার, হেলাল উদদীন রানা, জাফরিন ফরিদ, সোহানা তুলি, সেলিনা মলি, ইকবাল এমদাদ জুয়েল, জুনায়েদ আকতার, আনিস আহমেদ, জাকিয়া তৌফিক, নাসিম জাফর, সরোয়ার কামাল,কাকলি বিশ্বাস, মাহমুদ মোরশেদ আনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ শারমিন, আবীর আলমগীর, সুমিত্রা পন্ডিত, ফাহমিদা হোসেন শম্পা, তামান্না জেসমিন এবং ওমর কায়সার। প্রত্যেকে কবিতার ভূমিকায় ব্যক্তিগত অনুভূতি আর সাহিত্য ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
এক পর্যায়ে একে একে শুরু হয় কবিতা পাঠ। প্রবাসী জীবনের টানাপোড়েন, জন্মভূমির স্মৃতি, ভালোবাসা, মানবতা আর সমকালীন সমাজ নিয়ে আবৃত্তি করেন কবি-লেখকরা। মুগ্ধ শ্রোতারা বারবার করতালি দিয়ে কবিদের উজ্জীবিত করেন। অনুষ্ঠান শেষে আবু লিয়াকত হোসেন বলেন, ‘ফোবানার কাব্যজলসা শুধু কবিতা নয়, এটি প্রবাস জীবনে আমাদের সংস্কৃতির শিকড়কে ধরে রাখার এক মহোৎসব।’

মন্ট্রিয়ল ফোবানা
মন্ট্রিয়ল ফোবানা:
নানা আয়োজনে ফোবানা সম্মেলন কানাডার মন্ট্রিয়লে অনুষ্ঠিত হয়। এবার ফোবানার ৩৯তম আসরের আয়োজক ছিলো কানাডা বাংলাদেশ সলিডারিটি। ২৯ আগষ্ট শুক্রবার মন্ট্রিয়লে তিনদিনব্যাপী ফোবানার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ। সম্মেলন চলে ৩১ আগষ্ট রোববার রাত পর্যন্ত। সম্মেলনগুলোতে স্থানীয় শিল্প সহ বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীরা সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। বাংলাদেশ, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় তিনদিনব্যাপী ফোবানা সম্মেলন। শুক্রবার ফোবানার প্রথম দিনে গালা নাইটে পাঁচ শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথি যোগ দেন বলেন আয়োজকরা দাবী করেন। ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন শহর থেকে এবং বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীরা। তাদের গল্প-আড্ডায় এক মেলবন্ধনের সৃষ্টি হয়। সম্মেলনের এবারের স্লোগান ছিলো ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্যে আলোকিত মন্ট্রিয়ল’।
আয়োজকরা জানান, তিনদিনের অনুষ্ঠান থরে থরে সাজানো হয়েছিলো বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা অনুষ্ঠান। গান-নাচের পাশাপাশি ছিলো শিল্প, সাহিত্য ও অর্থনীতি নিয়ে সেমিনার। অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। পরে সমবেত কণ্ঠে ফোবানার থিম সঙ গেয়ে শোনান সংগীত শিল্পীরা।
সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে বক্তব্য রাখেন ফোবানা এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, এবারের সম্মেলনের কনভেনর জিয়াউল হক জিয়া, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী নিহাল রহিম প্রমুখ।
নতুন কমিটি ২০২৫-২০২৬ ঘোষণা: কানাডার মন্ট্রিয়লে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী সম্মেলনের শেষ দিনে অনুষ্ঠিত ফোবানার সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নিউইয়র্কের জাকারিয়া চৌধুরীকে পুনরায় চেয়ারম্যান, কানাডার দেওয়ান মনিরুজ্জামান-কে ভাইস চেয়ারম্যান, টেক্সাসের নেহাল রহিম কে এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী, নিউইয়র্কের আমিনুল ইসলাম কলিন্স কে জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি নির্বাচিত করা হয়।
সভায় আগামী বছর ফোবানা সম্মেলনের হোস্ট সংগঠন হিসেবে নির্বাচিত হয় অরলেন্ডো বাংলাদেশ সমিতি, ফ্লোরিডা। এছাড়া সভায় জাকারিয়া চৌধুরী কর্তৃক আনিত এক প্রস্তাবে ফোবানার গঠনতন্ত্রে নতুন একটি আর্টিকেল সংযোজন করা হয়। এতে বলা হয় বায়ান্নর মহান ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহ-ই এই ফোবানার অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
Posted ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh