নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
নিউইয়র্কে গোল্ডেন এজ হোমকেয়ারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘কফি উইথ এ কপ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা। গত ১২ নভেম্বর জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টে আয়োজন করা হয় এনওয়াইপিডি ও কমিউনিটির এ মতবিনিময় সভা। সভায় বাংলাদেশি কমিউনিটি ও নিউইয়র্ক সিটির পুলিশ সদস্যরা একত্রিত হয়ে নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোর জন্য আলোচনা করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, আপনার অভিবাসী মর্যাদা যাই হোক না কেন, যে কোন সমস্যায় পুলিশের সাথে নির্ভয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা নিউইয়র্ক সিটিকে নিরাপদ রাখতে কমিউনিটির সবার কাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যেতে চাই।
গোল্ডেন এজ হোমকেয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও, মূলধারার রাজনৈতিক শাহ নেওয়াজের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন এনওয়াইপিডির কমিউনিটি অ্যাফায়ার্সের সার্জেন্ট এমডি এ লতিফ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কুইন্স উত্তরের (পেট্রোল) ডেপুটি চিফ জোসেফ ডব্লিউ হিউয়ার্ড, কমিউনিটি অ্যাফায়ার্সের অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনার আইডেন ফস্টার, ডেপুটি চিফ ভিক্টোরিয়া সি প্যারি, মাইক, ইন্টিলিজেন্স পাবলিক সিকিউরিটি সেকশনের ডিটেকটিভ আব্দুস চৌধুরী, ডিটেকটিভ ওসামা আমীন, ডিটেকটিভ স্পেশালিস্ট অ্যাঞ্জেল ফ্যামিলিয়া, ১১৫ প্রিসিঙ্কটের কমান্ডিং অফিসার ডেপুটি ইন্সপেক্টর ডেভিড কর্ডানো, ক্যাপ্টেন আব্বাস, লিউট্যানেন্ট জোসেফ ভি ডিন, ডিটেকটিভ গঞ্জালেস গাভ্রিয়েল, ১১২ প্রিসিঙ্কটের ডেপুটি ইন্সপেক্টর অ্যালেন ডাউনি, ১০৪ প্রিসিঙ্কিটের কমান্ডিং অফিসার ডেপুটি ইন্সপেক্টর কারাম চৌধুরী।
কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোল্ডেন এজ হোম কেয়ারের ভাইস প্রেসিডেন্ট রানো নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দিন দেওয়ান, জেনারেল সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী, সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আহসান হাবীব, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, জ্যামাইকা বাংলাদেশ সোসাইটির সেক্রেটারি সৈয়দ রাব্বি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে শাহ নেওয়াজ বলেন, স্থানীয় প্রিসিঙ্কটের পুলিশ কর্মকর্তারা দিনরাত পরিশ্রম করে বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। যে কোন প্রয়োজনেই তাদের পাশে পাওয়া যায়। তাদের সঙ্গে কমিউনিটির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, এ জন্য তাদের এ সম্পর্ককে আরো গভীর করতেই ‘কফি উইথ এ কপ’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি কমিউনিটির কল্যাণে কোন পদক্ষেপ নেয়া যায় কিনা- তা আলোচনা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনওয়াইপিডির পক্ষ থেকে বেশ কিছু সচেতনতামূলক লিফলেট বিলি করা হয়। এর মধ্যে ছিল চুরি প্রতিরোধ, লোটো স্ক্যাম, ক্রাইম প্রিভেনশন অ্যালার্ট, বাসা-বাড়ির নিরাপত্তা অন্যতম।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুলিশের কর্মকর্তারা বলেন, যে কোন পরিস্থিতিতে যুক্তারাষ্ট্রের একটি বিষয় সবাইকে মেনে চলতে হবে, তা হচ্ছেÑ আইনের যথাযথ অনুসরণ। এখানে আইন সবার জন্য সমান। ব্যক্তির অভিবাসন স্ট্যাটাস যাই হোক না কেন, তিনি রাষ্ট্রের সব মৌলিক সুবিধাই পাবেন।
আইনের মধ্যে থেকেই নিউইয়র্কের যে কোন নাগরিক তার সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা পেতে পারেন। রাষ্ট্র তা প্রদানে বদ্ধপরিকর। এ জন্য এনওয়াইপিডির বিভিন্ন বিভাগ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। নাগরিদকের উচিত যথাযথ ইউনিটে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়া। পুলিশ ও সিটির নাগরিকদের যৌথ প্রচেষ্টায় নিউইয়র্কের জীবন আরো সুন্দর হয়ে উঠবে।
Posted ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh