নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের ‘মাদার সংগঠন’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের দ্বি-বার্ষিক কার্যকরি কমিটির (২০২৫-২০২৬) নির্বাচন আগামী ২৭ অক্টোবর রোববার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৫টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই কেন্দ্রগুলো হলো উডসাইড, ওজনপার্ক, ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন ও জ্যামাইকা এলাকায়। সেলিম-আলী এবং রুহুল-জাহিদ পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এই নির্বাচনে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট জামাল আহমেদ জনির নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সফল করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন আব্দুল হাকিম মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন, আব্দুল মান্নান, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান বাদল ও আহবাব চৌধুরী খোকন।
গত ১৩ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সোসাইটির সকল ভোটারের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে নির্বাচনী আচরণবিধি উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পাঁচটি কেন্দ্রে নির্ধারিত জিপকোড অনুযায়ী ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ জন্য তারা ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেছে। পোলিং সেন্টারসহ কোন কোন জিপকোডের ভোটারদেরকে কোন কেন্দ্রে ভোট দিতে হবে, তাও জানানো হয়েছে। কুইন্সে ভোট হবে উডসাইডের গুলশান ট্যারেসে (ঢাকা ক্লাব), দ্বিতীয় কেন্দ্র হলো ওজনপার্কে মুনা সেন্টার। তৃতীয় কেন্দ্র ব্রুকলিন পিএস ৭৯, চতুর্থ ব্রঙ্কসে গোল্ডেন প্যালেস আর পঞ্চম জ্যামাইকার ইকরা পার্টি সেন্টারে।
নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোট দেওয়ার দিন ভোটারদের আইডি নিয়ে যেতে হবে। আইডি ছাড়া কেউ ভোট দিতে পারবেন না। আইডি যেগুলো ব্যবহার করা যাবে, এর মধ্যে রয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্টেট আইডি, সিটি আইডি, গ্রিনকার্ড, ওয়ার্ক অথরাইজেশন কার্ড অথবা পাসপোর্ট। এগুলোর যেকোনো একটি আইডি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
নির্বাচনের আচরণবিধিতে বলা হয়, নির্বাচন কেন্দ্রের ২০০ ফুটের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না, পোস্টার-ব্যানার লাগানো যাবে না এবং ফ্লায়ার দেওয়া যাবে না। যদি কেউ এ ধরনের কাজ করেন, তাহলে কমিশন পোস্টার-ব্যানার সরিয়ে ফেলবে। এ ছাড়া জরিমানাও করতে পারে ওই প্রার্থীকে। কোনো ধরনের রেডিও স্পিকার অথবা যেকোনো ধরনের শব্দযুক্ত মাইকিং ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কোনো জিনিস কেউ ব্যবহার করলে কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।
নির্বাচন কেন্দ্র ও কেন্দ্রের ২০০ ফুটের মধ্যে আন-অথরাইজড কিংবা আন-লফুল কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। নির্বাচনের দিন কোনো প্রার্থী যদি কোনো ব্যক্তির সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানানো হবে। একজন প্রতিবন্ধী ভোটারকে ভোট দিতে সহায়তা করার জন্য কেবল একজন মনোনীত ব্যক্তিকে অনুমতি দেওয়া হবে। কোনো প্রার্থী নির্বাচনী কোনো কেন্দ্রে কমিশনের অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রার্থীরা ভোটের দিনে ১০ মিনিটের জন্য ভোটকেন্দ্রে কেবল ভোটিং মেশিন চেক করতে পারবেন।
একজন লাইফ মেম্বার তার ভোট দেওয়ার জন্য লাইফ মেম্বারের কার্ড দিয়ে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন ও ভোট দিতে পারবেন। তিনি আলাদা আইডি না নিলেও চলবে। একজন ভোটারের তার জিপকোড অনুযায়ী যে কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার কথা, তিনি কেবল সেই কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন। অন্য কোনো কেন্দ্রে ভোট দিতে পারবেন না। প্রার্থী, লাইফ মেম্বার ও পোলিং এজেন্ট হলেও পারবেন না। কেবল প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার তিনি যে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের কাজ করবেন, সেই কেন্দ্রে ভোট দিতে পারবেন। বাকি সব ভোটারকে নিজ নিজ জিপকোড অনুযায়ী নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দিতে হবে।
একজন ভোটারের আইডি কার্ডের সঙ্গে নাম, জন্ম তারিখ ও ফটো আইডির তথ্য একই হতে হবে। আইডির সঙ্গে এই তিনটি না মিললে তিনি ভোট দিতে পারবেন না। যদি এমন কোনো বিষয় দেখা দেয়, বিধিবিধানের কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে বা সাংঘর্ষিক, তখন নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী সমস্যাটির সমাধান করবে। এ ছাড়া ভোটার, প্রার্থী ও নির্বাচন-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ওজনপার্কে রুহুল-জাহিদ পরিষদের সভা
নিউইয়র্ক : প্রবাসে বাংলাদেশী পার্লামেন্ট হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৭ অক্টোবর। নির্বাচন কে সামনে রেখে রুহুল-জাহিদ পরিষদ বিরামহীন প্রচারনার সাথে বিভিন্ন এলাকায় প্যানেল পরিচিতির সভার আয়োজন করে। গত ১৪ অক্টোবর রুহুল-জাহিদ পরিষদ সিটি লাইনের (ওজনপার্ক) লাবন্য পার্টি হলে প্যানেল পরিচিতি সভার আয়োজন করে। পরিচিতি সভা ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। সবার সেরা পরিষদ রুহুল-জাহিদ পরিষদ স্লোগানে ছিল অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত। সব শ্রেণীর মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজকদের উদ্বেলিত করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিয়ানী বাজার সমিতির সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মহিউদ্দিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিয়ানীবাজার সমিতির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান দুখু। পরিচালনায় সহযোগীতা করেন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা হেলিম উদ্দিন। মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন সোসাইটির বর্তমান সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক সভাপতি বুরহান উদ্দীন কপিল, কমর উদ্দীন, সভাপতি প্রার্থী রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জাহিদ মিন্টু, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের একাংশের সভাপতি ময়নুল ইসলাম, মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, এম বাসেত রহমান, আলিম উল্লাহ, মোশাররফ হোসেন সবুজ, জে মোল্লা সানি। পবিত্র কুরআন তেলওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন মৌলানা সায়ফুল আলম সিদ্দিকী। স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন গৌছ উদ্দিন খান।
প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের পরিচিতি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আজিজুর রহমান সাবু। পরিচিতি অনুষ্ঠান শেষে সভাপতি প্রার্থী রুহুল আমিন সিদ্দিকী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেকে অনেক কথা বলা বলি করে। তিনি এসব কথার প্রতিবাদ করে বলেন, কেউ আমার সম্মুখে এসে কোন কথা বলতে পারবে না।

আমি সোসাইটির জন্য সবসময় ভাল কাজ করেছি। সভাপতি প্রার্থী রুহুল আমিন সিদ্দিকী বলেন, অনেকে আবার বলেছিল আমাদের প্যানেল হবে না, আমাদের নাকি ভোট নেই, আমরা নাকি ভোট পাব না। কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে না। এখন আবার বলছে তাদের ভোট চুরি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাজ সেবা করতে হলে ভাল মন নিয়ে আসেন। আগে নিজে ভাল হোন। তারপর সমাজ সেবায় আসুন। তিনি প্যানেলের সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা আমাদের পক্ষে বিতর্কে যাবেন না। আগামী ২৭ অক্টোবর রুহুল-জাহিদ প্যানেলে ভোট প্রদান করার আহ্বান জানান।
সেক্রেটারী প্রার্থী জাহিদ মিন্টু প্যানেলের ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনায় সোসাইটির কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রসঙ্গে বলেন, তার প্যানেল নির্বাচনে জয়ী হলে সবাইকে সাথে নিয়ে সোসাইটির কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। তার প্যানেল বিজিত হলে ও যারা বিজয়ী হবে সোসাইটির কমপ্লেক্সের জন্য তাদেরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জাহিদ মিন্টু বলেন, রুহুল- জাহিদ পরিষদ নবীন প্রবীণ ও মহিলাদের সমন্বয় করে গঠন করা হয়েছে। এই প্যানেলে সব পেশার, দক্ষ সংগঠক নিয়ে গঠিত। যারা সোসাইটির সাথে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত তাদের প্যানেলে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদেরকে মুলধারায় যেতে হলে ঐক্যের বিকল্প নেই। কমিউনিটির বিভক্তি আমরা লক্ষ্যে যেতে পারবো না।
আমরা সেই ঐক্যের জন্য কাজ করবো। প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আরিফুর রহমান, কাজী ফৌজিয়া, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী শেফাজ, আব্দুল মতিন, জালালাবাদের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল গনি আসাদ, আল আমান মসজিদের সভাপতি কবির চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিলাল চৌধুরী, আব্দুল করিম, ওজনপার্কে এংকোর ট্রাভেল্সের স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন প্রিন্টু প্রমুখ। সভাপতি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
রুহুল-জাহিদ প্যানেলের প্রার্থীরা হচ্ছেন সভাপতি রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক চৌধুরী, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার খান বাবু, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ এস সাদী (সাদী মিন্টু), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনিকা রায় চৌধুরী, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নাদির আহমেদ আইয়ুব, সাহিত্য সম্পাদক রোমানা আহমদ, ক্রীড়া সম্পাদক আলমগীর হোসেন, স্কুল ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক শাহনাজ হোসেন। কার্যকরি কমিটির সদস্য পদে লড়ছেন মোহাম্মদ রব মিয়া, মোহাম্মদ তাজু মিয়া, এমডি এন ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ডালিম ও সাইফুল ইসলাম।
জ্যামাইকায় ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ
নিউইয়র্ক : অনিয়ম দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ সোসাইটি গড়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের নির্বাচনী সমাবেশ। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ‘সেলিম-আলী’ পরিষদ নির্বাচিত হলে ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি, মূলধারায় শক্ত অবস্থান ও বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, নতুন প্রজন্মের সাথে সেতুবন্ধন সুদৃঢ় করে সোসাইটিকে আরো গণমুখি, কল্যাণকর ও জবাবদিহিতামূলক সর্বজনীন সংগঠনে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে সমাবেশ থেকে।

গত ১৩ অক্টোবর রোববার রাতে জ্যামাইকার আল আল আকসা পার্টি হলে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেলের জ্যামাইকা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে এইসব প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে প্যানেলটির প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
‘সেলিম-আলী’ প্যানেলের জ্যামাইকা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আহ্বায়ক আহসান হাবীব ও সদস্য সচিব রেজাউল আলম অপুর যৌথ পরিচালনায় এবং জ্যামাইকা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কর্মকর্তা এবিএম ওসমান গণির সভাপতিত্বে এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ নেওয়াজ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনকের সভাপতি বদরুল হোসেন খান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ হোসেন খান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী সোসাইটির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আজহারুল হক মিলন, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম ও সদস্য সচিব কাজী তোফায়েল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা ছদরুন নূর, সরাফ সরকার, তৈয়বুর রহমান হারুন, শাহ শহীদুল হক, সভাপতি প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ সভাপতি প্রার্থী মহিউদ্দিন দেওয়ান সহ সভাপতি কামরুজজামান কামরুল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভুইয়া, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভুইয়া রুমী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউক খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনিক রাজ, ব্রুকলীন ও ওজনপার্ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী নাঈম টুটুল, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, ফারুক হোসেন মজুমদার, মিসবাহ আহমেদ, আহসান হাবীব, আকতার হোসেন, এবাদ চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন স্বপন, এনায়েত মুন্সী, গহর কিনু চৌধুরী, আমীন মেহদেী বাবু প্রমুখ।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, মূলধারার রাজনীতিক মোরশেদ আলম, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক ট্রাষ্টিবোর্ড সদস্য আলী ইমাম শিকদার, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর নূরুল আজিম, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আব্দুল হাসিব মামুন, হাজী আবদুর রহমান, আবু তালেব টৌধুরী চান্দু, আলমগীর খান আলম, হারুন ভূইয়া, মামুন মিয়াজী, আবুল কাসেম, ওজনপার্ক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মকবুল রহিম চুনই, কাজী আসাদ উল্লাহ, হেলাল উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম লিপন, নওশাদ হায়দার প্রমুখ। সমাবেশে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেলের কর্মী-সমর্থকরা ছাড়াও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কার্যকরী সদস্য প্রার্থী মনসুর আহমেদ। দোয়া পরিচালনা করেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর খতিব ও ইমাম মির্জা আবু জাফর বেগ। প্রবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন রিনা সাহা। এরপর বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র এর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।
নির্বাচনী সমাবেশে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেলের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন জ্যামাইকা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। এ প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ সভাপতি কামরুজজামান কামরুল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহকারী সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভুইয়া, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভুইয়া রুমী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডিউক খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনিক রাজ, প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জামিল আনসারী, সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ এ আখতার বাবুল, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক আশ্রাফ আলী লিটন, স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হাসান জিলানী এবং কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ সিদ্দিক পাটোয়ারী, হারুন চেয়্যারম্যান, আবুল কাশেম চৌধুরী, জাহাঙ্গীর সেহরাওয়ার্দী, মনসুর আহমেদ ও হাসান খান।
সমাবেশে বক্তারা সোসাইটির আগামী নির্বাচনে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেলের প্রার্থীদের যোগ্য পার্থী হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের নির্বাচিত করার জন্য সবার সহযোগিতা ও ভোট কামনা করেন।
বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র আসন্ন নির্বাচনে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের আপত্তিকৃত ২৮২টি ভোট বাতিল করার দাবি জানিয়ে এ অনিয়মের জন্য বর্তমান কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষকে অভিযুক্ত করা হয়।তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন। সোসাইটির ভাবমূর্তি রক্ষার্থে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।সভায় সভাপতি প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সংশ্লিষ্ট সকলের দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করে বলেন, তাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি, মূলধারায় শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা, নতুন প্রজন্মের সাথে সেতুবন্ধন সুদৃঢ় করে সোসাইটিকে আরো গণমুখি, কল্যাণকর ও জবাবদিহিতামূলক সর্বজনীন সংগঠনে রূপান্তরের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
Posted ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh