নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় সংগঠনগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইয়র্কের নির্বাচনে এবার রেকর্ড ভোটার সদস্য হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত যাচাই শেষে ১ জুলাই মোট ৩৫ হাজার ৩২১ জন ভোটার তালিকা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী।
এরমধ্যে আজীবন সদস্য ১০২৬ এবং নতুন সদস্য ৩৪২৯৫ জন। নতুন আজীবন সদস্য হয়েছেন ১৬ জন। সব মিলিয়ে মোট আয় হয়েছে ৬ লাখ ২৯ হাজার ৪০০ ডলার। তার মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ ডলার আয় হয়েছে আজীবন সদস্য থেকে। বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী কমিটি ইতোমধ্যে আবু নাসেরকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। কমিশন প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা হাতে পেলেই নির্বাচনী তফসিলসহ পরবর্তী আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে।

কার্যকরী কমিটি ভোটার হওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করেছিল ৩০ জুন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা সোসাইটির কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন, তাদের আবেদন গ্রহণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। অপর প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু এবং সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ। যদিও দুই পক্ষই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেনি। ভোটার আবেদন জমা দেওয়ার পরই প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
৩০ জুন বিকেল থেকেই সোসাইটির কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটার আবেদন জমা দেওয়া শুরু হয়। প্রথমে কুনু-ফিরোজ প্যানেল এবং পরে সেলিম-আলী প্যানেলের পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা দেওয়া হয়। অনেকেই বড় বড় প্যাকেটভর্তি আবেদনপত্র নিয়ে কার্যালয়ে আসেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আবেদন গ্রহণ চললেও নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে অধিকাংশ আবেদন শেষ দিনের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
ভোটার আবেদন জমা দেওয়ার সময় সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমি, প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ফিরোজ আহমেদসহ সোসাইটির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, নির্বাচন কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এখন জমা পড়া সব আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই, সদস্যপদ ফি মিলিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
Posted ১২:৫১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh