শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

যুক্তরাষ্ট্র ৮০ হাজার ভিসা বাতিল করল

বাংলাদেশ ডেস্ক :   |   বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র ৮০ হাজার ভিসা বাতিল করল

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের পরিপন্থি তৎপরতায় লিপ্ত এবং সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি বিবেচনায় ৮০ হাজার বিদেশির নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত ১০ মাসে বাতিল করা এসব ভিসার মধ্যে ৮ হাজার স্টুডেন্ট ভিসাধারী ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিনিয়র অ্যাডভাইজার স্টিফেন মিলার ১৭ নভেম্বর গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার পাশাপাশি গ্রিনকার্ড বাতিল, এমনকি সিটিজেনশিপ কেড়ে নেওয়ার ঘটনা অব্যাহত থাকবে। কারণ যারা চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই এবং দুর্বৃত্তপনায় লিপ্ত অথবা নেশাগ্রস্ত হয়ে গাড়ি চালায়, তারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবে না। ইসরায়েলের মতো বন্ধু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যারা কাজ করছে বা ষড়যন্ত্র চালায় তাদের ভিসাও (ইমিগ্র্যান্ট/নন-ইমিগ্র্যান্ট) বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’ উল্লেখ্য, গত জুনে আফগানিস্তান, ইরান, মিয়ানমার, সুদান, ইয়েমেনসহ ১২ রাষ্ট্রের নাগরিকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া কিউবা, ভেনেজুয়েলা, তুর্কমেনিস্তানসহ আরও সাত রাষ্ট্রের নাগরিকের ভিসা ইস্যুতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়। এভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি কঠোর নিয়মের মধ্যে আনার পরও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিলের প্রক্রিয়ায় অভিবাসীদের কঠোর শ্রমে গড়া যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেকের কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছে। বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতায় চ্যাম্পিয়ন বলে দাবিকারী যুক্তরাষ্ট্রে এখন কথা বলতেই শুধু নয়, সমাজমাধ্যমে মতামত ব্যক্ত করতেও অনেকে দ্বিধায় পড়ছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নানান পদক্ষেপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিবেচিত হলেও ভিসা বাতিলের ঘটনা ঘটছে।

ইতোমধ্যে অনেকের গ্রিনকার্ড বাতিল এবং সিটিজেনশিপ কেড়ে নিয়ে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন স্টিফেন মিলার। আর এমন তৎপরতায় সহজসরল বিদেশিরাও (বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও) ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট তথা আইসের অভিযানে আটক হওয়ার তথ্যও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এমন অভিযোগ খ ন করে ১৭ নভেম্বর স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র গণমাধ্যমে বলেছেন, ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও যারা অবস্থান করছিলেন এবং যারা চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই, খুন-রাহাজানিতে জড়িয়ে পড়েছেন তাদের গ্রেপ্তার অভিযান আরও বাড়ানো হবে।

সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে এসব করা হচ্ছে বলে দাবি করেন এই মুখপাত্র। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ভিসাধারীদেরও খোঁজা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বার্থের বিরুদ্ধে যারা কাজ করছে তাদের বহিষ্কারের অভিযানও ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হবে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্যনুযায়ী, গত ১০ মাসে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ড্রাইভিংকালে গ্রেপ্তারের পর ১৬ হাজার নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল করা হয়েছে। ১২ হাজার ভিসা বাতিল করা হয়েছে খুন-খারাবিতে জড়িত থাকায়। আর চুরিচামারির দায়ে গ্রেপ্তার ৮ হাজার জনের ভিসা বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, গত জানুয়ারির ২০ তারিখে ক্ষমতা গ্রহণের পরই ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে এবং এটি ছিল তাঁর অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগোট এ প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘যেসব বিদেশি আমাদের আইনকে তোয়াক্কা করে না কিংবা যারা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, তাদের ভিসা বাতিলে ট্রাম্প প্রশাসন বিন্দুমাত্র দ্বিধা করছে না।’

কোন পথে অভিবাসীদের ভাগ্য!

শরণার্থী নীতিতে বড় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। নতুন পরিকল্পনায় কেউ যুক্তরাজ্যে আশ্রয় পেলেও, স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদন করতে অপেক্ষা করতে হবে ২০ বছর। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, দেশটির বর্তমান আশ্রয়ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তার মতে, অবৈধ অভিবাসন দেশকে বিভক্ত করে ফেলছে। গত সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, শরণার্থীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বয়ংক্রিয় অধিকার বাতিলের পাশাপাশি সরকারি সুযোগ-সুবিধাও সীমিত করা হচ্ছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিবর্তনের ফলে যুক্তরাজ্য ইউরোপের অন্যতম কঠোর অভিবাসন নীতির দেশে পরিণত হবে। ক্ষমতাসীন লেবার সরকারের এই সংস্কারে শরণার্থীদের মর্যাদা অস্থায়ী করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দেশটিকে ‘নিরাপদ’ ধরা হলে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে এমন বিধান যুক্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শরণার্থীর পরিস্থিতি প্রতি ৩০ মাসে একবার পুনর্বিবেচনা করা হবে। স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার অপেক্ষার সময় ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ২০ বছর করা হচ্ছে। মূলত ডেনমার্কের অভিবাসন মডেল থেকে নেওয়া এই পরিকল্পনায় আশ্রয় প্রত্যাখ্যানের পর আপিলের সুযোগও কমিয়ে আনা হবে। তবে সরকার একইসঙ্গে নতুন বৈধ অভিবাসন পথ খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানানো হয়নি। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯ হাজার ২৯২ জন ছোট নৌকায় চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। যা ২০২৪ সালের চেয়ে বেশি। তাদের প্রায় সবাই-ই যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেই আশ্রয় প্রার্থনা করেন।

যুক্তরাজ্যে সরকার আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য স্বয়ংক্রিয় সাপ্তাহিক আর্থিক সহায়তা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ভাতা ও আবাসনের ব্যবস্থা সরকারই করে থাকে। তবে বিপুল ব্যয়ে হোটেল ব্যবহার নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। যারা কাজ করার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কাজ করেন না অথবা অপরাধে দণ্ডিত তাদের জন্য সামাজিক সহায়তা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হতে পারে। ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান-এর খবর অনুযায়ী, আশ্রয়প্রার্থীদের ব্যক্তিগত সম্পদ বা অর্থ থেকে তাদের আবাসনের খরচ আদায় করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে সরকারের অভিবাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস টাইমস রেডিওকে বলেন যাদের সম্পদ আছে, তাদের পক্ষে নিজেদের ব্যয়ের একটি অংশ বহন করা স্বাভাবিক। এদিকে, ব্রিটিশ সরকার ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশনের (ইসিএইচআর) যুক্তরাজ্যে প্রয়োগের নিয়ম পরিবর্তন করতে চায়, যাতে অনিয়মিত অভিবাসীদের ‘ডিপোর্ট’ বা নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সহজ হয়। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ৮-এর (ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের অধিকার) পরিসর কমানোর পরিকল্পনা করছেন। কেবলমাত্র যুক্তরাজ্যে নিকটাত্মীয় যেমন সন্তান বা অভিভাবক থাকলেই কেউ অনিয়মিত হয়েও সেখানে থাকতে পারবেন। এ ছাড়া ইসিএইচআর-এর অনুচ্ছেদ ৩ থেকে উদ্ভূত আধুনিক দাসত্ব প্রতিরোধ আইনের প্রয়োগও সংকুচিত করার কথা ভাবছে সরকার, যাতে এই আইনের মাধ্যমে আশ্রয়ের দাবি করা কঠিন হয়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্য এই অনুচ্ছেদ সংশোধনে আলোচনাও শুরু করতে চায়।

ব্রিটিশ সরকারের হিসাবে, ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় আবেদনের হার ১৩ শতাংশ কমেছে। ২০২১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ৪ লাখেরও বেশি আশ্রয় আবেদন নথিভুক্ত হয়েছে। যা ২০১১-২০১৫ সালের মধ্যে নথিভুক্ত ১ লাখ ৫০ হাজার আবেদনের তুলনায় অনেক বেশি। অনিয়মিত অভিবাসী পুনরায় গ্রহণে অনীহা দেখানোর অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার অ্যাঙ্গোলা, নামিবিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রকে ভিসা সীমিত করার হুমকি দিয়েছে। সরকারের অভিবাসন প্রতিনিধি অ্যালেক্স নরিস স্কাই নিউজকে বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ‘এক মাস’ সময় দেওয়া হয়েছে।

লন্ডনের দাবি, এই দেশগুলোর ‘হাজার হাজার’ নাগরিক বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অনিয়মিত অবস্থায় আছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে আরও কিছু দেশকে ভিসা সীমিতকরণের আওতায় আনা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশের নাগরিকরা বৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেও ‘উচ্চ হারে’ আশ্রয় আবেদন করছেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করা হলেও লেবার পার্টির ভেতরেই তীব্র আপত্তি উঠেছে। লেবার এমপি টনি ভন বলেন, এই নীতি বিভেদের সংস্কৃতি উৎসাহিত করছে। শরণার্থী অধিকার সংগঠন রিফিউজি কাউন্সিল পদক্ষেপগুলোকে কঠোর এবং অকার্যকর বলে অভিহিত করেছে। জরিপে পিছিয়ে থাকা লেবার সরকারকে অনেকেই রিফর্ম ইউকের ডানপন্থি অবস্থান অনুকরণের অভিযোগ করছেন। তবে প্রতিমন্ত্রী অ্যালেক্স নরিস বলেন, এতে কোনো রাজনৈতিক হিসাব নেই।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি, নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীরাও শঙ্কিত
যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক দশক আগে নাগিরকত্ব পাওয়া অভিবাসীরাও নতুন করে ফের অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। দ্বিধা ও ভয় তাদের নিত্য সঙ্গী। মার্কিন প্রশাসনের সুরক্ষার আশ্বাস পেয়ে যারা দেশটির নাগরিক হয়েছিলেন তারাও এখন গভীর শঙ্কায় পড়েছেন। ভয় ও উৎকণ্ঠায় নিজ রাজ্যে ভ্রমণ সীমিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। এর কারণ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতিÑবিশেষ করে গণহারে বহিষ্কার অভিযান, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রচেষ্টাÑমার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীদের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করেছে। অনেকেরই মনে করছেন নাগরিকত্ব আর সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। বার্তা সংস্থা এপির এক খবরে বলা হয়েছে, সিয়েরা লিওনের গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে দাউদা সিসে যখন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তখন তাকে নাগরিকত্বের ভিত্তিতে সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। দীর্ঘদিন আশ্রয়কেন্দ্রে অতিবাহিত করা সিসের কিভাবে নাগরিক হতে হয় সে বিষয়ে কোনো ধারণাই ছিলনা। তাকে বলা হয় তিনি নাগরিক হলে তিনি নিরাপদ থাকবেন এবং ভোটের অধিকার পাবেন।

সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হন। সিসে বলেন, তাকে দেয়া প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই তিনি নাগরিক হন। তবে যেই নাগরিকত্বকে একসময় তিনি সুরক্ষার মূল প্রতীক হিসেবে দেখেছিলেন তা এখন অস্থিতিশীলতার পাহাড়ে পরিণত হয়েছে। বহু বছর আগে নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীদের অনেকেই এখন দেশ ত্যাগ নিয়ে উদ্বিগ্ন। একবার দেশ ছাড়লে পুনরায় ফিরে আসতে পারবেন কিনা সেই ভয় তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। যেখানে সেখানে তাদের ফোনগুলো চেক করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বহু আমেরিকান নাগরিকদের অভিবাসী হিসেবে আটক করা হয়েছে। পরিবারের কাছে সন্তানদের জন্ম সনদ থাকা সত্ত্বেও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের একটি স্মারকলিপি প্রকাশিত হয়।

যেখানে বলা হয়েছে, যারা অপরাধ করেছেন অথবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য পদক্ষেপ বাড়ানো হবে। এক পর্যায়ে ট্রাম্প নিউইয়র্ক সিটির নির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির নাগরিকত্ব বাতিল করার হুমকি দিয়েছিলেন। অথচ মামদানি শিশু অবস্থাতেই নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। কারণ তারা মনে করছেন এতে তাদের ওপর নেতিবাচক সিদ্ধান্ত চাপাতে পারে।

Posted ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.