বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২
জাফর মাহমুদ
বাংলা সিডিপ্যাপ নিউইয়র্ক স্টেট হেলথ ডিপার্টমেন্টের লিড এফআই এওয়ার্ড অর্জন করেছে। নিউইয়র্কের স্বল্প আয়ের পরিবারের বয়স্করা সেবা পাচ্ছেন কনজিউমার ডাইরেক্টেড পারসোনাল এসিসট্যান্স প্রোগ্রাম বা সিডিপ্যাপের মাধ্যমে। যা হোমকেয়ার সার্ভিস নামে পরিচিত। ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে নিউইয়র্ক স্টেট হেলথ ডিপার্টমেন্টের চলমান এই হোমকেয়ার প্রকল্প। নিউইয়র্ক সিটি সহ বিভিন্ন শহরের প্রবাসী বাংলাদেশী বয়স্কগণ নিজ দেশীয় মালিকানাধীন সিডিপ্যাপের মাধ্যমে সেবা পেয়ে আসছেন ২০১৬ সাল থেকে। আর এই সেবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলা সিডিপ্যাপ।
শুধু তাই নয় বাংলা সিডিপ্যাপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ বাংলাদেশী কমিউনিটিতে হচ্ছেন হোমকেয়ার সেবার অগ্রপথিক। সে হিসেবে বাংলা সিডিপ্যাপই হচ্ছে কমিউনিটির সবচেয়ে পুরনো হোমকেয়ার প্রতিষ্ঠান। সিডিপ্যাপ সেবাগ্রহিতা নিজের চাহিদা বা প্রয়োজনে ব্যক্তিগত সহকারির কাছ থেকে সেবা নিয়ে থাকেন। এখানে সেবা গ্রহিতার পছন্দ বা অপছন্দই প্রাধান্য পায়। আর হোম কেয়ার এজেন্সীগুলো রোগীর সেবা কার্যক্রম দেখোভাল করে থাকে। ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক স্টেট বয়স্কদের সেবাখাতের আইনটি সংশোধন করে। তখনই আবুজাফর মাহমুদ বাংলা হোমকেয়ারকে বাংলা সিডিপ্যাপ নামকরণ করেন। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ৫৩৫ জন কর্মচারি কাজ করছেন। জ্যাকসন হাইটসে রয়েছে তার করপোরেট অফিস। ব্রকলিনে বাংলা সিডিপ্যাপের একটি বড় শাখা রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের শতভাগ কর্মচারিই বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট।
বাংলা সিডিপ্যাপ এর প্রেসিডেন্ট কুইন্স কমিউনিটি বোর্ড ৪ এর সদস্য ও আর্ন্তজাতিক বিষয়ে লেখক আবু জাফর মাহমুদ। হোমকেয়ার সার্ভিসকে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে জনপ্রিয় ও পরিচিতি করানোর পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। ২০১১ সাল থেকে বাংলা হোমকেয়ার নামে কমিউনিটিতে প্রবীনদের হোমকেয়ার সেবা, সেবক/সেবিকাদের ট্রেনিং দিয়ে আসছে তার প্রতিষ্ঠান। মানবসেবায় হিমালয় ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে দাদা-দাদী, নানা-নানী ও বাবা-মা’দের সেবা দেবার প্রত্যয় তার। আবু আবজাফর মাহমুদ বলেন, বৃদ্ধবৃদ্ধাদের সেবা দেবার সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয়ভাবেই এদেশে চালু হয়েছে। আমি তাকে ভালোবাসা হিসেবে নিয়েছি। ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে নেইনি কখনো।
সিডিপ্যাপ সেবাগ্রহিতা নিজের চাহিদা বা প্রয়োজনে ব্যক্তিগত সহকারির কাছ থেকে সেবা নিয়ে থাকেন। এখানে সেবা গ্রহিতার পছন্দ বা অপছন্দই প্রাধান্য পায়। আর হোম কেয়ার এজেন্সীগুলো রোগীর সেবা কার্যক্রম দেখোভাল করে থাকে। ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক স্টেট বয়স্কদের সেবাখাতের আইনটি সংশোধন করে। তখনই আবুজাফর মাহমুদ বাংলা হোমকেয়ারকে বাংলা সিডিপ্যাপ নামকরণ করেন।
বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ৫৩৫ জন কর্মচারি কাজ করছেন। জ্যাকসন হাইটসে রয়েছে তার করপোরেট অফিস। ব্রকলিনে বাংলা সিডিপ্যাপের একটি বড় শাখা রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানের শতভাগ কর্মচারিই বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট। ২০২০ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে হোমকেয়ার ব্যবসার ক্ষেত্রে লিড এফআই (লিড ফিস্কেল ইন্টারমেডিয়ারি) প্রদানের জন্য নিউইয়র্ক হেলথ ডিপার্টমেন্ট হোমকেয়ার এজেন্সীগুলোর কাছ থেকে আবেদন গ্রহন করে। এতে প্রায় ৪০০ আবেদন জমা পড়ে।
এরমধ্যে ৬৫টি এজেন্সীকে নির্বাচিত করা হয়। যেসব এজেন্সীতে বর্তমানে ৪০০ বা তার অধিক ক্লায়েন্ট রয়েছে তারাই এই উপাধি পাবার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ ব্যবসার সাথে জড়িত বাংলাদেশি আবুজাফর মাহমুদের বাংলা সিডিপ্যাপ ছাড়াও গিয়াস আহমেদের ইমিগ্র্যান্ট এলডার হোমকেয়ার, রিফাত ইসলামের দাদা হোমকেয়ার, আসিফ বারীর বারী হোমকেয়ার, ও মোহাম্মদ শাহরিয়ার এর ডিএইচ হোম কেয়ার রয়েছে।
Posted ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh