নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
গত ২৬ জুলাই (শনিবার) জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এক সভায় নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন বরোতে বসবাসরত বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকানদের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশিজ ফর জোহরান’ নামে এক সংগঠনের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে: “ভোট ফর জোহরান, ভোট ফর আওয়ার ফিউচার।” প্রাথমিকভাবে কমিটিতে ৩৪ জনকে সমন্বয় করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে পরবর্তীতে বরো লিডারদের নিয়ে এই কমিটি আরো সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি বরোতে একটি করে সাব-কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বাংলাদেশি ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমাদের মেয়র প্রার্থী, যিনি সিটিতে বসবাসকারী প্রান্তিক মানুষের কথা বলেন, তাকে যে কোনোভাবে বিজয়ী করা। একই সাথে বাংলাদেশী কমিউনিটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা।
কমিটির পক্ষে বলা হয় যে, ‘বাংলাদেশিজ ফর জোহরান’ নামের এই সংগঠনের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো ‘বাংলাদেশি ভোট ম্যাটারস’ বার্তাটি মূলধারার রাজনীতিতে পৌছে দেওয়া, যাতে পরবর্তীতে যেকোনো নির্বাচনের সবাই গুরুত্বের সঙ্গে বাংলাদেশি ভোট ব্যাংকের বিষয়ে বিবেচনা করে। বর্তমান মেয়র ইলেকশনকে কেন্দ্র করে প্রাইমারি এবং সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের মধ্যে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে তাতে আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেক ছেলেমেয়ে মূলধারার রাজনীতিতে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করার জন্য উদ্বুদ্ধ হবে বলে আমরা মনে করি, যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি মাইলফলক তৈরি করবে বলে বিশ্বাস করি।
এ কমিটি গঠনের উদ্যোক্তা কমিউনিটি অ্যঅক্টিভিস্ট ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান এবং তার সাথে সার্বিক সহযোগিতা নতুন প্রজন্মের অ্যাক্টিভিষ্ট জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকায় সাব-কমিটি গঠন করে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে। কমিটির সাথে ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট টিমের একজন সমন্বয়কারী আছেন. যার প্রায় ৭০ হাজার ফলোয়ার ছাত্র আছেন। কমিটির আহ্বায়ক শাহনেওয়াজ, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সুবহান, প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার।
এছাড়া চেয়ারম্যান হচ্ছেন: অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, কো-চেয়ার: আরমান চৌধুরী, চিফ অ্যাডভাইজার: মাফ মেসবাহউদ্দিন, সিনিয়র অ্যাডভাইজার: গিয়াস আহমেদ, সহ সমন্বয়কারী : কাজী ফৌজিয়া, কাজী আজম, কবির চৌধুরী, আহসান হাবীব, বেলাল চৌধুরী, ড.সিদ্দিকুর রহমান। উপদেষ্টা: আবদুর রহিম হাওলাদার, তারিকুর রহমান, এএফএম জামান, ফিরোজ আহমেদ, শামসুল ইসলাম, রাসাক মালিক, ফখরুল আলম, মাজেদা উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, জোহর চৌধুরী, তারেকুর রহমান, আফতাব মান্নান। সমন্বয়কারী: মো: আলাউদ্দিন, তরিকুল হোসেন বাদল, এনায়েত মুন্সী, নওশাদ হায়দার, জিল্লুর রহমান, আমানুল হক। জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারি: মোল্লা সানি, রাসেল নাসের। মিডিয়া অ্যাফেয়ার্স: প্রিসিলা ফাতেমা, ইয়ুথ কেঅির্ডিনেটর: ফারহান আবদুর রহমান, ফারহান আবদুর রহমান।
কমিটির লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমরা যখন একটি অভিন্ন কারণে ঐক্্যবদ্ধ তখন আমাদের উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আমাদের কমিটি দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে তাদের পাশাপাশি দাঁড়িয়েছি, যারা উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশ্বাসী। যিনিই নেতৃত্বে আসুন না কেন আমরা চাইবো যে তিনি আমাদের জন্য লড়বেন। সেজন্য জোহরান মভমদানিকে সমর্থন করি, যিনি এমন এক নেতা যিনি মানুষের কথা শোনেন, নতুন ধ্যান-ধারণা গ্রহণ করেন এবংআমাদের যা প্রয়োজন তা নিস্পত্তি করতে আগ্রহ প্রদর্শন করেন। আমরা সংগঠিত হয়ে এমন একজন প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবো, যিনি আগামী দিনের সমস্যাসমূহ মোকাবিলা করবেন।
বাংলাদেশি-আমেরিকানদের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশিজ ফর জোহরান’ নামে এক সংগঠনের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে: “ভোট ফর জোহরান, ভোট ফর আওয়ার ফিউচার।” প্রাথমিকভাবে কমিটিতে ৩৪ জনকে সমন্বয় করা হয়। অনুষ্ঠানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে পরবর্তীতে বরো লিডারদের নিয়ে এই কমিটি আরো সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি বরোতে একটি করে সাব-কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বাংলাদেশি ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমাদের মেয়র প্রার্থী, যিনি সিটিতে বসবাসকারী প্রান্তিক মানুষের কথা বলেন, তাকে যে কোনোভাবে বিজয়ী করা। একই সাথে বাংলাদেশী কমিউনিটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা।
কমিটির পক্ষে বলা হয় যে, ‘বাংলাদেশিজ ফর জোহরান’ নামের এই সংগঠনের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো ‘বাংলাদেশি ভোট ম্যাটারস’ বার্তাটি মূলধারার রাজনীতিতে পৌছে দেওয়া, যাতে পরবর্তীতে যেকোনো নির্বাচনের সবাই গুরুত্বের সঙ্গে বাংলাদেশি ভোট ব্যাংকের বিষয়ে বিবেচনা করে। বর্তমান মেয়র ইলেকশনকে কেন্দ্র করে প্রাইমারি এবং সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিদের মধ্যে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে তাতে আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেক ছেলেমেয়ে মূলধারার রাজনীতিতে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করার জন্য উদ্বুদ্ধ হবে বলে আমরা মনে করি, যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি মাইলফলক তৈরি করবে বলে বিশ্বাস করি।
এ কমিটি গঠনের উদ্যোক্তা কমিউনিটি অ্যঅক্টিভিস্ট ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান এবং তার সাথে সার্বিক সহযোগিতা নতুন প্রজন্মের অ্যাক্টিভিষ্ট জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকায় সাব-কমিটি গঠন করে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।
কমিটির সাথে ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট টিমের একজন সমন্বয়কারী আছেন. যার প্রায় ৭০ হাজার ফলোয়ার ছাত্র আছেন। কমিটির আহ্বায়ক শাহনেওয়াজ, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সুবহান, প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। এছাড়া চেয়ারম্যান হচ্ছেন: অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, কো-চেয়ার: আরমান চৌধুরী, চিফ অ্যাডভাইজার: মাফ মেসবাহউদ্দিন, সিনিয়র অ্যাডভাইজার: গিয়াস আহমেদ, সহ সমন্বয়কারী : কাজী ফৌজিয়া, কাজী আজম, কবির চৌধুরী, আহসান হাবীব, বেলাল চৌধুরী, ড.সিদ্দিকুর রহমান।
উপদেষ্টা: আবদুর রহিম হাওলাদার, তারিকুর রহমান, এএফএম জামান, ফিরোজ আহমেদ, শামসুল ইসলাম, রাসাক মালিক, ফখরুল আলম, মাজেদা উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, জোহর চৌধুরী, তারেকুর রহমান, আফতাব মান্নান। সমন্বয়কারী: মো: আলাউদ্দিন, তরিকুল হোসেন বাদল, এনায়েত মুন্সী, নওশাদ হায়দার, জিল্লুর রহমান, আমানুল হক। জয়েন্ট মেম্বার সেক্রেটারি: মোল্লা সানি, রাসেল নাসের। মিডিয়া অ্যাফেয়ার্স: প্রিসিলা ফাতেমা, ইয়ুথ কেঅির্ডিনেটর: ফারহান আবদুর রহমান, ফারহান আবদুর রহমান।
কমিটির লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমরা যখন একটি অভিন্ন কারণে ঐক্যবদ্ধ তখন আমাদের উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। আমাদের কমিটি দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে তাদের পাশাপাশি দাঁড়িয়েছি, যারা উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশ্বাসী। যিনিই নেতৃত্বে আসুন না কেন আমরা চাইবো যে তিনি আমাদের জন্য লড়বেন। সেজন্য জোহরান মভমদানিকে সমর্থন করি, যিনি এমন এক নেতা যিনি মানুষের কথা শোনেন, নতুন ধ্যান-ধারণা গ্রহণ করেন এবংআমাদের যা প্রয়োজন তা নিস্পত্তি করতে আগ্রহ প্রদর্শন করেন। আমরা সংগঠিত হয়ে এমন একজন প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবো, যিনি আগামী দিনের সমস্যাসমূহ মোকাবিলা করবেন।
Posted ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh