বাংলাদেশ অনলাইন : | শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) অবৈধ অভিবাসীদের প্রত্যর্পণ সম্পর্কিত বিষয়ে ভারতকে ‘অসহযোগী’ দেশের তালিকায় যুক্ত করেছে। তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ভুটান, কিউবা, ইরান, পাকিস্তান, রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলা।
নাগরিকদের ভ্রমণের নথি বা প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত সহায়তা না করায় এ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
মূলত, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছেন। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অভিবাসী তাড়ানোর অভিযান শুরুর পরিকল্পনা করছেন, যার ফলে নির্বাসন আদেশের মুখোমুখি হাজার হাজার ভারতীয় অভিবাসী।
২০২৪ সালের ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হওয়ার পর টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, যেসব দেশ অভিবাসীদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানাবে তাদের সঙ্গে ব্যবসা না করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এসব দেশের ব্যবসা ‘অত্যন্ত কঠিন’ করে তুলবেন এবং তাদের ওপর ‘মোটা অঙ্কের শুল্ক’ আরোপ করা হবে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘ওদের বের করতে যা যা লাগে, আমি আইনের সীমার মধ্যে করব। তবে আমি আশা করি আমাদের খুব বেশি প্রয়োজন হবে না, কারণ আমি তাদের বের করতে চাই এবং আমি চাই না যে তারা আগামী ২০ বছরের জন্য শিবিরে বসে থাকুক।’
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র লোকজনকে ঢুকতে দেবে, তবে তা কেবল বৈধভাবে। ট্রাম্প জোর দিয়ে জানান, তিনি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমরা ন্যাশনাল গার্ড পাব এবং আমাদের দেশের আইন অনুসারে আমি যতদূর যেতে পারি ততদূর যাব।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে, কারণ ভারতীয় নাগরিকদের লক্ষ্য করে নির্বাসন ব্যবস্থা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণ হবে।
Posted ১০:২১ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh