শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় শোক দিবস পালিত

বাংলাদেশ রিপোর্ট :   |   বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট ২০২১

যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় শোক দিবস পালিত

ওয়াশিংটন দূতাবাসে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধা নিবেদন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার শোকাবহ ঘটনা স্মরণে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবসটি পালন করা হয়। দিনের কর্মসূচির মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ, তার ও পরিবারের সদস্যসহ নিহত অন্যান্য সকলের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া, আলোচনা ও তরাবরক বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন

ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী স্মরণে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে। দূতাবাসের কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যবৃন্দের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে এবং বিশ্ব ব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ শফিউল আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এমপি, মোহাম্মদ শফিউল আলম এবং দূতাবাসের কর্মকর্তাদের নিয়ে জাতির পিতার মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

রাষ্ট্রদূতের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সমুন্নত রাখার এবং জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করার মাধ্যমে শোককে শক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে সম্মানিত সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন এবং জাতির অগ্রগতি বিপন্নকারী স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি দ্বারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার এ জঘন্য কাজের নিন্দা জানান।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এমপি তার বক্তব্যে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন, কেননা তিনি ১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলনের সময় ছাত্রনেতা হিসেবে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে জনাব মঞ্জু উল্লেখ করেন যে, বঙ্গবন্ধু কন্যা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান লক্ষ্যনীয়ভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত এবং শেষ দিন পর্যন্ত জাতির প্রতি তার দায়িত্ব পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে তাঁর অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। বাংলাদেশের মত একটি নব্য স্বাধীন দেশকে পরিচালিত করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেন যে, বাংলাদেশের বেশিরভাগ আইন, বিধি এবং প্রতিষ্ঠান নির্মাণের কাজটি বঙ্গবন্ধু তার রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার চার বছরেরও কম সময়ের মধ্যে হয় সম্পন্ন করেছিলেন নতুবা সূচনা করেছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ১৫ আগস্টের সকল শহীদ এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে একটি বিশেষ প্রার্থনাও অনুষ্ঠিত হয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবস পালন

বাংলাদেশ ডেস্ক : জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় গত ১৫ আগস্ট মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ উপলক্ষে সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠানটি সরাসরি ও ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, শেখ হাসিনা মঞ্চের নেতৃবৃন্দ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন।

জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালনের এই কর্মসূচি শুরু করা হয়। এরপর জাতির পিতা, বঙ্গমাতা এবং তাঁদের শহীদ পরিবারবর্গসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক দিয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার নেতৃত্বে মিশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ শ্রদ্ধা জানান। এরপর দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

স্বাগত ভাষণে রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বিশ্বব্যাপী জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের প্রাক্কালে এবারের জাতীয় শোক দিবসের এ অনুষ্ঠান বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে দেওয়া জাতির পিতার ভাষণের উদ্বৃতি -‘মানব জাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারা বিশ্বের সকল নর-নারীর গভীর আশা-আকাক্সক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায় নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না’ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। বলেন, ‘জাতির পিতার কালজয়ী সেই ভাষণের মর্মবাণী এবং তাঁর নীতি-আদর্শ অনুসরণ করে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বশীল ভূমিকা রেখে চলেছে বাংলাদেশ।’

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রূপকল্প ২০২১, রূপকল্প ২০৪১ এবং ডেল্টা পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নে সকলকে আরও নিবেদিত হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনা ও নেতৃত্বে আমরা জাতিসংঘে ফলপ্রসু অংশগ্রহণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছি। শান্তিরক্ষা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়নসহ অসংখ্য বহুপাক্ষিক বিষয়ে আমাদের নিবিড় ও নেতৃত্বশীল অংশগ্রহণ ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ আজ একমর্যাদা পূর্ণ নাম।’ পঁচাত্তরের পনের আগস্টের প্রেক্ষাপটসহ জাতির পিতার জীবন ও কর্ম তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। ইতোমধ্যে জাতির পিতা হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছে মর্মে উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘এখনও দন্ডপ্রাপ্ত খুনীদের কেউ কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।’ প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে জাতির পিতার জীবন ও কর্ম চর্চার আহ্বান জানান তিনি। রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, ‘প্রতিনিয়ত জাতির পিতার জীবন ও আদর্শ চর্চার মাধ্যমেই গড়ে উঠবে দেশপ্রেমিক, উন্নত চিন্তার নতুন প্রজন্ম যারা জাতির পিতার সোনার বাংলা বিনির্মাণে অবদান রাখবে। দেশকে ভালোবাসবে, দেশকে নিয়ে চিন্তা করবে, দেশের উন্নয়নে গর্ব বোধ করবে।’ উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সন্তানগণ। বক্তাগণ পনের আগস্টের এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার মাধ্যমে জাতির পিতা যে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্ব স্ব অবস্থান থেকে তা অর্জনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কনস্যুলেট জেনারেল

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালন করে। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা ও কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্ধনমিত পতাকার সাথে জাতীয় সংগীত পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন সাদিয়া ফয়জুননেসা এবং কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্য ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কালজয়ী নেতৃত্বের উপর নির্মিত একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সভায় ১৫ আগস্টের এই দিনটিকে তিনি ইতিহাসের সবচাইতে জঘন্যতম ও কলঙ্কজনক দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। কনসাল জেনারেল তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু একটি সুখী, সমৃদ্ধ, শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলেও তাঁর আদর্শ ও স্বপ্নকে ঘাতকরা কখনই হত্যা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্যগতিতে উন্নয়নের শিখরে আরোহণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। এছাড়াও কনস্যুলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনী, ব্যক্তিত্ব ও আদর্শের উপর আলোকপাত করেন। ফেইসবুক লাইভে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানটিতে নিউয়র্কস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ অনেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্য ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগ

শোক ও শ্রদ্ধায় নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উদযাপনঃ নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ ও অন্যান্য কর্মসূচী গত ১৫ আগস্ট বিকেলে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরীর পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক। জাতীয় শোক দিবস উদযাপনের কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো ১৫ই আগষ্ট, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ। ১৫ আগষ্ট ও সকল গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পবিত্র কোরান শরীফ থেকে তেলাওয়াত করেন ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা আনসারী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সুচনা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডা. মাসুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সদস্য হিন্দাল কাদির বাপ্পা, মো: এন আমিন, শাহীন দেলোযার, সুলেমান আলী, নুরুল ইসলাম নজরুল, নুরুল আফসার সেন্টু, আব্দুল হামিদ, ইলিয়ার রহমান, উদ্দিন আলমগীর, মাসুদ সিরাজী, সাইকুল ইসলাম, মাহফুজুল হক হায়দার, রশীদ রানা, শিবলী ছাদেক শিবলু, সুমন মাহমুদ, ইসমত হক খোকন, দুলাল বিল্লাহ্, মঈনুল হোসেন সোয়েব, গোলাম হাসান, কানিজ ফাতেমা, মোহাম্মদ বাবুল, শফিউদ্দিন তালুকদার, গোলাম মাওলা চৌধুরী, নোভেল আমিন, মো: হারুন, মো: মুসা, সেলিনা তুহিন দোয়া মাহফিল শেষে মহানগর আওয়ামী লীগের সকলের সহযোগিতায় সুষ্টুভাবে খাবার বিতরণ করা হয়।

Posted ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট ২০২১

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.