বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ | ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

‘আবাবিল আসবে’ শর্ত ‘সুদৃঢ় ঈমান’

জাফর আহমাদ   |   বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

‘আবাবিল আসবে’ শর্ত ‘সুদৃঢ় ঈমান’

আল্লাহর রিজার্ভফোর্স আছে, বদরের অদৃশ্য শক্তি এখনো মজুদ আছে, পৃথিবীতে আবাবিলপাখি আছে,নমরুদের মশাও আছে। কিন্তু কোন হীনমন্য, পতন্মুখ ও দূর্বল বা ত্রুটিযুক্ত ঈমানদারদের সহযোগীতার জন্য তারা পৃথিবীতে নেমে আসে না। মশার সাহায্যের জন্য একজন ইবরাহিম আ: এর মতো আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরশীল লোক দরকার। বদরের মতো আল্লাহর রিজার্ভফোর্স-এরসাহায্য পেতে হলে আবুবকর,ওমর, ওসমান,আলী ও মুয়াজ রাজি’আল্লাহু তা’আলা আনহুম-এর মতো ঈমানদার দরকার। সুদৃঢ় ঈমানদার হলে সংঘবদ্ধভাবে আবারো ঝাঁকে ঝাঁকে আবাবিল আসবে, নমরুদের সেই মশাও আসবে এবং বদরের সেই বাহিনীও আকাশ থেকে আল্লাহর নির্দেশে নেমে আসবে। ঈমান ও তায়াক্কুলের শর্ত পুরণ হলে আরো অসংখ্য আল্লাহর সাহায্য আসমান থেকে নেমে আসবে ইনশা’আল্লাহ।

বদর যুদ্ধে আল্লাহর রাসুল সা:মাত্র তিন শ’ তেরজন যুদ্ধা নিয়ে একটি অসম যুদ্ধে জয় লাভ করেছিলেন। এই যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য তিনি মদীনার কুফা মসজিদের কোণে বসে তাসবীহ-তা’লীল ও দু’আয় লিপ্ত হননি। বরং প্রথমত: তিনি তাঁর তিন শ’ তেরজন সাচ্চা ঈমানদার সাথী নিয়ে বদর প্রান্তরে উপস্থিত হন এবং বিশাল কুফ্ফার বাহিনীর সামনে নিজেদেরকে পেশ করেন। দ্বিতীয়ত: ঠিক বদর প্রান্তরের পাশে বা যুদ্ধের ময়দানেই মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর সাহায্যের জন্য করুণাভিক্ষা করেন।

যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে, সম্পুর্ণ নিরাপদ দূরে অবস্থান করে, আরাম কেদারায় গা এলিয়ে দিয়ে আল্লাহর সাহায্যের জন্য অশ্রু সজলিত করা বৃথা। আল্লাহর সাহায্য যেখানে প্রয়োজন সেখানে নিজেকে আগে পেশ করতে হবে, অর্থাৎ নিজের চেষ্টার সবটুকু আগে বিলিয়ে দিতে হবে তারপর তাঁর সাহায্যের জন্য দু’টো হাত প্রসারিত করতে হবে। তাহলেই আবাবিলও আসবে এবং আল্লাহর রিজার্ভ ফোর্সরাও আসবে।

এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী পৃথিবীতে প্রায় ২০০ কোটি মুসলমান যা পৃথিবীতে বসবাসকারী মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৪% কিন্তু তাদের মধ্যে একজন আবুবকর, ওমর, ওসমান ও আলী রাজি’আল্লাহু তা’আলা আনহুম নেই। আর অন্যদিকে ২০১৯ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ কোটি ৪৭ লক্ষ ইহুদী যা মোট জনসংখ্যার মাত্র ০.২৫%, অথচ তারাই আজ পৃথিবীতে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে। আরো দু:খের বিষয় হলো, এই ইহুদীরা মুসলমানদের মধ্যে একদল চাটুকার তৈয়ার করতে সক্ষম হয়েছে। এটি মুসলিম জাতি সত্তার জন্য সবচেয়ে লজ্জাকর ও দুর্ভাগ্যের বিষয়। এই চাটুকারদের কাজ হলো, মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। তাঁরা মুসলমানদের ছোটখাট বিষয়কে প্রধান শিরোনাম বানিয়ে তাদের মধ্যে অনৈক্যের বিষবৃক্ষ বপন করে যাচ্ছে। আল্লাহ তা’আলা বলেন,“তোমরা সবাই দলবদ্ধভাবে আল্লাহর রুজ্জুকে আঁকড়ে ধরো এবং দলাদলি করো না।”(সুরা আলে ইমরান:১০৩) এ আয়াতের আলোকে ঐক্য সৃষ্টি করা ফরয এবং গ্রুফিং বা দলাদলি করা হারাম কাজ। যারা মুসলমানদের মধ্যে দলাদলি সৃষ্টি করছে তারা একদিকে ফরয তরক করছে অন্যদিকে দলাদলি করে কুরআন বিরোধী কাজে লিপ্ত আছে।

পৃথিবীর শক্তিশালী মুসলিমদেশগুলো হীনমন্যতার চরম পর্র্যায়ে এসে পৌঁছেছে। তারা প্রতিদিন সালাতে শতবার বলছে, “আমরা তোমারই গোলামী করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি।”(সুরা ফাতিহা) অথচ বাস্তবে তারা কুফফার শক্তি তথা পৃথিবীর তথাকথিত পরাশক্তির পায়ে অর্ঘ দিয়ে থাকে। তাদের শক্তির কাছে নিজের বিঊেশ বিক্রি করে দিয়েছে। তারা কি আবাবিল বা আল্লাহর অদৃশ্য সাহায্যের আশা করতে পারে?

কখনো না, কারণ তারা মিথ্যাবাদী মুনাফিক। তারা সালাতে যা বলছে তা নির্ভেজাল মিথ্যা আবৃত্তি মাত্র।

পৃথিবীর নেতৃত্ব ও আধিপত্য বিস্তার করতে হলে সিসাঢালা প্রাচীর বা ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য দরকার একদল নেতৃত্বের য্যেগ্যতাসম্পন্ন বীরসাহসী মর্দে মুজাহিদ। সুদৃঢ় দেয়াল গড়ার জন্য নিম্নবর্ণিত গুণাবলী সৃষ্টি করতে হবে।
আকীদা-বিশ্বাস এবং উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের মধ্যে পূর্ণ ঐক্য। এ গুণটিই মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রতিটি সদস্যকে পূর্ণরূপে ঐক্যবদ্ধ করে।
পরস্পরের নিষ্ঠা ও ঐক্যন্তিকতার ওপর আস্থা। প্রকৃতপক্ষে সবাই নিজ নিজ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে নিষ্ঠাবান এবং অসদুদ্দেশ্য থেকে মুক্ত না হলে এ গুণ সৃষ্টি হতে পারে না। আর এ গুণটি যদি সৃষ্টি না হয় তাহলে যেমন যুদ্ধের মত কঠিন পরীক্ষা কারো দোষ-ত্রুটি গোপন থাকতে দেয় না।

আর আস্থা নষ্ট হয়ে গেলে সেনাবাহিনী প্রতিটি সদস্য পরস্পরের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে একে অপরকে সন্দেহ করতে শুরু করে, তেমনি সাধারণ মুসলমানগণ ও দেশ পারস্পরিক নিষ্ঠা ও ঐকান্তিকতার ওপর আস্থা সৃষ্টি করতে হবে।

নৈতিক চরিত্রের একটি উন্নত মান থাকতে হবে। এক মুসলিম ও অন্য মুসলিম, এক মুসলিম দেশ অন্য মুসলিম দেশ যদি সেই মানের নীচে চলে যায় তাহলে তাদের মনে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা ও সম্মানবোধ সুষ্টি হতে পারে না। তারা পারস্পরিক কোন্দল ও দ্বন্ধ-সংঘর্ষ থেকেও রক্ষা পেতে পারে না।
উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের প্রতি এমন অনুরাগ ও ভালবাসা ্ওবং তা অর্জনের জন্য এমন দৃঢ় সংকল্প থাকা চাই যা গোটা মুসলিম উম্মাহর মধ্যে জীবনপাত করার অদম্য আকাংখা সৃষ্টি করে দেবে আর যে মুসলমানদের যে কোন দুর্যোগে তা প্রকৃতই মজবুত দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে যাবে।

বী সা: এর নেতৃত্বে যে শক্তিশালী সংগঠনটি গড়ে উঠেছিল,যার সাথে সংঘর্ষে বড় বড় শক্তি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী কোন শক্তি যার মোকাবেলায় দাঁড়াতে পারেনি এ সব গুণ ও বৈশিষ্টে ছিল তার ভিত্তি। বর্তমান মুসলিম বিশ্ব যদি রাসুলুল্লাহ সা: এর মতো উল্লেখিত গুণ ও বৈশিষ্ট্যের আলোকে নিজেদেরকে গঠন করেন তাহলে মুসলিম বিশ্বই পৃথিবীতে আধিপত্য বিস্তার করবে এবং তারাই পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। কোন পরাশক্তি চোখ তুলে তাদের দিকে তাকাতে পারবে না। মনে রাখতে হবে, এই ধরনের গুণ-বৈশিষ্টের লোক তৈরী করা রাসুলুল্লাহ সা: এর একটি মৌলিক সুন্নাহ্। এই সুন্নাহ ছাড়া অন্যান্য সুন্নাহ মুল্যহীন হয়ে পড়ে।

আল্লাহ তা’আলা বলেন,“যারা ঈমানের পথ অবলম্বন করেছে তারা আল্লাহর পথে লড়াই করে আর যারা কাফের তারা লড়াই করে তাগুতের পথে। কাজেই শয়তানের সহযোগীদের সাথে লড়ো এবং নিশ্চিত জেনে রাখো, শয়তানের কৌশল আসলে নিতান্তই দুর্বল।”(সুরা নিসা: ৭৬) এটি আল্লাহর দ্ব্যর্থহীন ফয়সালা। আল্লাহর পৃথিবীতে একমাত্র আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে লড়াই করা হচ্ছে ঈমানদারদের কাজ।

যথার্থ ও সত্যিকার মু’মিন এই কাজ থেকে কখনো বিরত থাকবে না। আর আল্লাহর পৃথিবীতে আল্লাহ বিরোধী ও আল্লাহদ্রোহীদের রাজত্ব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য তাগুতের পথে লড়াই করা হচ্ছে কাফেরদের কাজ। কোন ঈমানদার ব্যক্তি এ কাজ করতে পারে না। এমনকি যারা আল্লাহর পথে লড়বে না সেই সমস্ত ঈমানদারেরা পক্ষান্তরে কাফেরদেরকেই সহযোগীতা করার দোষে দোষী হবেন। তাদের কোন অজুহাত দেখাবার কোন সুযোগ নাই। ঈমানের দাবী পূরণের জন্য অবশ্যই তাকে আল্লাহর পথে লড়তে হবে।

“আল্লাহই তো সেই মহান সত্তা যিনি তাঁর রাসুলকে হিদায়াত ও সত্য দীন বা জীবন ব্যবস্থা দিয়ে পাঠিয়েছেন যেন তাকে সমস্ত দীনের ওপর বিজয়ী করে দেন। আর এ বাস্তবতা সম্পর্কে আল্লাহর সাক্ষ্যই যতেষ্ট।”(সুরা আল ফাতাহ:২৮)

দীন মানে জীবন ব্যবস্থা। দীনি হক্ব বা দীনে ইসলাম মানে ইসলামী জীবন ব্যবস্থা। আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসুলুল্লাহ সা: কর্তৃক প্রদর্শিত জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলামী জীবন ব্যবস্থা। আর আল্লাহর কাছে এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য জীবন ব্যবস্থা। আল্লাহ তা’আলা বলেন, “ইসলাম আল্লাহর নিকট একমাত্র জীবন ব্যবস্থা।” (সুরা আলে ইমরান:১৯) অর্থাৎ আল্লাহর কাছে মানুষের জন্য একটি মাত্র জীবন ও একটি মাত্র জীবন বিধান সঠিক ও নির্ভুল বলে গৃহীত। সেটি হচ্ছে, মানুষ আল্লাহকে নিজের মালিক ও মাবুদ বলে স্বীকার করে নিবে এবং তাঁর ইবাদাত, বন্দেগী ও দাসতে¦র মধ্যে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সোপর্দ করে দেবে। আর তাঁর বন্দেগী করার পদ্ধতি নিজে আবিস্কার করবে না।

বরং রাসুলুল্লাহ সা:-কে যে হিদায়াত ও বিধান সহকারে পাঠিয়েছেন সেইহিদায়াত ও বিধান যে পদ্ধতিতে প্রদর্শন করে গেছেন তাতে কোন প্রকার কমবেশ না করে তার অনুসরণ করবে। এই চিন্তা ও কর্মপদ্ধতির নাম ইসলাম আর বিশ্ব-জাহানের স্রষ্টার ও প্রভুর নিজের সৃষ্টিকূল ও প্রজা সাধারণের জন্য ইসলাম ছাড়া অন্য কোন কর্মপদ্ধতির বৈধতার স্বীকৃতি না দেয়াও পুরোপুরি ন্যায়সংগত।

এই জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই মুহাম্মদ সা: কে রাসুল হিসাবে দুনিয়াতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখিত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা এ কথাটিই পরিস্কার ভাষায় বলেছেন। শুধু দীনের প্রচার করার জন্য মুহাম্মদ সা: কে পাঠানো উদ্দেশ্য ছিল না বরং উদ্দেশ্য ছিল মানব রচিত বা মানুষের মস্তিস্ক প্রসূত জীবন ব্যবস্থার ওপর আল্লাহ প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠা করা বা বিজয়ী করা।

অন্য কথায় জীবনের সমস্ত দিক ও বিভাগের ওপর কোন বাতিল জীবনাদর্শ বিজয়ী হয়ে থাকবে আর ইসলামী জীবন ব্যবস্থা বাতিল জীবনাদর্শের আধিপত্যাধীনে বেঁচে থাকবে এবং বাতিল জীবন ব্যবস্থা যতটুকু অধিকার দেবে এ দীন সেই চৌহদ্দির মধ্যেই হাত পা গুটিয়ে বসে থাকবে অথবা দীনের কিছু কিছু অংশ বাতিল জীবন ব্যবস্থার সাথে সমঝোতা করে জীবন পরিচালনা করবে এ উদ্দেশ্যে নবী সা: এ দীন দিয়ে পাঠানো হয়নি। বরং তাঁকে প্রেরণ করা হয়েছে যে, এখানে ইসলামী জীবন ব্যবস্থা বিজয়ী জীবনাদর্শ হিসাবে থাকবে। অন্য কোন জীবনাদর্শ বেঁচে থাকলেও এ জীবনাদর্শ যে সীমার মধ্য তাকে বেঁচে থাকার অনুমতি দেবে সে সীমার মধ্যেই তা বেঁচে থাকবে।

সাচ্চাঈমানদার তারা, যারা লোভ-লালসা ও কামনা-বাসনা মোকাবেলায সত্য ও সততার ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে। এ দুনিয়ায় সত্য ও ন্যায়ের পথ অবলম্বন করলে যেসব ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় তা সবই যারা সহ্য করে নেয়। দুনিয়ায় অবৈধ পন্থা অবলম্বন করলে যেসব লাভ পাওয়া যেতে পারে তা সবই যারা দূরে নিক্ষেপ করে। যারা ভালো কাজের সুফল লাভ করার জন্য সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে প্রস্তুত থাকে, যে সময়টি বর্তমান পার্থিব জীবনের অবসান ঘটার পর অন্য জগতে আসবে।

যেমন: আল্লাহ তা’আলা বলেন,“তোমাদের কাছে যা কিছু আছে খরচ হয়ে যাবে এবং আল্লাহর কাছে যা কিছু আছে তাই স্থায়ী হবে এবং আমি অবশ্যই যারা সবরের পথ অবলম্বন করবে তাদের প্রতিদান তাদের সর্বোত্তম কাজ অনুযায়ী দেবো।”(সুরা আন নাহল:৯৬) যারা মজবুতভাবে আল্লাহর আনুগত্যের পথে এগিয়ে চলে এবং সে পথে যে সব সংকট, সমস্যা ও বিপদ আসে তা সবরের সাথে মোকাবেলা করে এবং যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সাহায্য-সহযোগীতা নাও আসে তাতে ভীত-সন্ত্রস্ত হয় না। বরং একজন অনুগত বান্দার মতো সব অবস্থায় তাঁর ইচ্ছার ওপর সন্তুষ্ট থাকে এবং নিজের ওপর দায়িত্ব দৃঢ় সংকল্পের সাথে পালন করতে থাকে। আল্লাহ যথাসময়ে তাদের এই সবরের প্রতিদান দিবেন।

 

Posted ১:৫০ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.