নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
বত্তব্য রাখছেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বশির
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও নিরাপদ ও সহজে বাংলাদেশ ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলাদেশি মালিকানাধীন জনপ্রিয় ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর-এর সিইও মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বশির।

৩০ মার্চ (সোমবার) সন্ধ্যায় আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’-এ তিনি বলেন, বর্তমানে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের গ্লোবাল হাব ইস্তাম্বুল হয়ে নিরাপদ রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জেএফকেসহ ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর থেকে ঢাকা রুটে ফ্লাইট চলাচল করছে। এছাড়া কানাডার টরন্টো থেকে হংকং হয়ে ঢাকা রুটেও নিয়মিত ফ্লাইট রয়েছে।তিনি আরও জানান, গ্লোবাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর-এর ‘মাইবেস্টফ্লাই ডটকম’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজে এয়ার টিকিট বুকিং ও কনফার্ম করা যাচ্ছে। এতে বিশেষ ছাড় ও নানা সুযোগ-সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে।
নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্লাইড শোর মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপদ ভ্রমণ, বিকল্প রুট এবং অনলাইন টিকিটিং সেবার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুফতি ইসমাইল, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, জেনারেল ম্যানেজার এরশাদ রফি তুহিন, অফিস ম্যানেজার মাহবুবুর রহমান রায়হান এবং অফিস সহকারী আনিকা। মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বশির বলেন, আমাদের ‘মাইবেস্টফ্লাই ডটকম’ ওয়েবসাইট থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে স্থানীয় মুদ্রায় সহজে এয়ার টিকিট বুকিং ও কনফার্ম করা যায়। পাশাপাশি বিশেষ ডিসকাউন্টের সুবিধাও রয়েছে। নিউইয়র্ক ও ঢাকায় সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা কল সেন্টার সার্ভিস চালু আছে।
তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে তাদের প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রক্রিয়াতেও সহযোগিতা করে থাকে। ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো সেবার জন্য গ্লোবাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর-এর সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রীদের জন্য ট্রাভেল এজেন্সির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স ও দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
ভ্রমণের সময় কোনো সমস্যায় পড়লে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সমাধান পাওয়া সম্ভব। আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের কারণে তার ব্যবসায় প্রায় ৫০ শতাংশ ধস নেমেছে এবং অন্তত ৫০ জন যাত্রী বিভিন্ন সমস্যায় পড়েছেন। তবে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।তিনি বলেন, “ব্যবসা নয়-সেবাই আমাদের মূল মন্ত্র। এই লক্ষ্যেই আমরা গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
Posted ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh