বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
নিউইয়র্ক সিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্টেট আইনপ্রণেতাগণ গভর্নর ক্যাথি সি হকুলের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন ধনীদের ওপর কর বৃদ্ধির জন্য। এ উদ্দেশ্যে তারা বেশ কিছু প্রস্তাবও পেশ করেছেন গভর্নরের কাছে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, কর বৃদ্ধির প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা নানা ধরনের জটিলতার সৃষ্টি করে এবং এ ধরনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের চেষ্টায় বন্ধুরাও শত্রুতে পরিণত হয়। তবে, এর বিপরীতে ইতিবাচক ফলাফলও আসতে পারে।
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এবং সিটি কাউন্সিলের স্পিকার জুলি মেনিন গত মঙ্গলবার তাদের মাঝে বিদ্যমান মতপার্থক্য সত্বেও মিলিতভাবে ঘোষণা করেছেন যে তারা মেয়রের নির্বাহী বাজেট উপস্থাপনের সময়সীমা বৃদ্ধি করবেন এবং নিউইয়র্ক স্টেটের গভর্নর ক্যাথি হকুলকে সিটির অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় আরও অর্থ বরাদ্দের জন্য আহ্বান জানাবেন।
মামদানি ও স্পিকার জুলির প্রস্তাবের মূল কেন্দ্রে ছিল “পাস থ্রু এন্টিটি ট্যাক্স” নামে ট্যাক্স ক্রেডিট ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনয়ণ, যা কিছু ব্যবসার মালিক ব্যবহার করেন। এ প্রস্তাব গৃহীত হলে বছরে সিটির বাজেট বরাদ্দে সর্বোচ্চ ১ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত কর রাজস্ব বৃদ্ধি পেতে পারে বলে তারা দাবি করেছেন। মেয়র মামদানি জোর দিয়ে বলেছেন যে, সিটির আর্থিক সংকট মোকাবিলায় স্টেটের এগিয়ে আসার অত্যন্ত জরুরী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, স্টেটের পদক্ষেপ ছাড়া সিটির চলমান সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।
কিন্তু সিটি ও স্টেটের বাজেট আলোচনা যে স্থবির অবস্থার মধ্যে পড়েছে সেটি ইঙ্গিত করে স্টেট গভর্নর হকুল সিটির জন্য আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধির ব্যাপারে মেয়র ও স্পিকারের অনুরোধে শীতল প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং বলেন যে, শিশু পরিচর্যা, নগদ সহায়তা এবং নিউইয়র্ক সিটিতে যারা তাদের দ্বিতীয় বাড়ি ক্রয় করবে তাদের ওপর নতুন করের জন্য স্টেটের পক্ষ থেকে বহু বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, আমরা সিটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা দিয়েছি।উল্লেখ্য, স্টেটের বাজেট প্রণয়নে ইতোমধ্যে প্রায় এক মাস বিলম্ব হয়েছে এবং এর ফলে আর্থিক অনিশ্চয়তা এখন নিউইয়র্ক সিটি ছাড়াও স্টেটের অন্যান্য অংশেও প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। গত মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে, মেয়র এবং জুলি মেনিন জানান যে, তারা নির্বাহী বাজেট ঘোষণা আগামী ১২ মে পর্যন্ত পিছিয়ে দেবেন। কারণ তারা এখনো আশা করছেন যে, স্টেট গভর্নর আরো উদার হয়ে এ সময়ের মধ্যে সিটির কাক্সিক্ষত অর্থ বরাদ্দ করতে সম্মত হবেন।
Posted ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh