শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইমাম ওলামাদের স্মারকলিপি

আলেমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীদের শাস্তি দাবি

বাংলাদেশ রিপোর্ট :   |   বৃহস্পতিবার, ০২ জুন ২০২২

আলেমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীদের শাস্তি দাবি

বাংলাদেশের ১১৬ জন বরেণ্য আলেম ও এক হাজার মাদরাসার বিরুদ্ধে তথাকথিত গণকমিশনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে এবং (শেষ পাতার পর)দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী গণকমিশন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি নিউইয়র্কে বাংলাদেশে কনস্যুলেটে প্রদান করা হয়। গত ৩১ মে মঙ্গলবার ‘নিউইয়র্ক বাংলাদেশী ইমাম ও ওলামা মাশায়েখ’ ব্যনাওে দেওয়া এই স্মারকলিপি কনসাল জেনারেল ড: মনিরুল ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ইমাম ও ওলামা প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনেন।

মুফতি ইসমাঈলের নেতৃত্ব স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা এমকে রহমান মাহমুদ, মাওলানা আবুল খায়ের, মাওলানা মঞ্জুরুল করীম। স্বারকলিপি শেষে জ্যাকসন হাইটসে নবান্ন পার্টি হলে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন ইমাম ও ওলামা মাসায়েখগণ এবং প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া স্মারকলিপির বিস্তারিত লিখিতভাবে তুলে ধরেন। বাংলাদেশে হঠাৎ দৃষ্টিপটে আসা ‘মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন’ নামক একটি সংগঠন গত ১১ মে দেশের বরেণ্য ওলামা মাশায়েখ ও ওয়ায়েজিনগণকে ‘ধর্ম ব্যবসায়ী’ আখ্যা দিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে। ২২শত পৃষ্ঠার এই শ্বেতপত্রে ১১৬ জন আলেমের এবং এক হাজার মাদরাসার বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, সন্ত্রাস উসকে দেয়া, নারীদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা ইত্যাদি নানান ধরনের কাল্পনিক অভিযোগ উত্থাপন করে দুর্নীতি দমন কমিশনে তদন্তের জন্য আবেদন করা হয়। ‘গণকমিশনে’র এসব পদক্ষেপ দেশে ও প্রবাসে ব্যাপক প্রতিμিয়া সৃষ্টি করেছে। এতে নিউইয়র্ক প্রবাসী ইমাম ও ওলামা মাশায়েখ চরম বিব্রত ও গভীরভাবে উদ্বিগড়ব। এই তালিকায় দেওবন্দি, আলিয়া, চরমোনাই, জৌনপুরী, বেরলবি, আহলে হাদিস প্রায় সব দল, মত ও অরাজনৈতিক আলেমদের নাম রাখা হয়েছে।

শ্বেতপত্রে আলেম-ওলামার বিরুদ্ধে ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে মানুষকে উগ্রবাদের সবক দেয়া হয় বলে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি এবং আপনিও ভালভাবেই অবগত যে, বাংলাদেশের আলেমগণ সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বদা সরব। বিগত দিনে দেশে যখন উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল তখন প্রশাসনের পাশাপাশি এই আলেমদের উগ্রবাদ বিরোধী শক্ত অবস্থানের কারণেই সামাজিকভাবে উগ্রবাদকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। সেই সময় এই ‘গণকমিশনে’র পেছনে থাকা ঘাতক দালাল কমিটির ব্যক্তিবর্গের শুধুমাত্র লম্ফ-জম্ফ ছাড়া কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি। বাংলাদেশে গুলশানের ‘হলি আর্টিজান’ সহ বিভিনড়ব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডেও মাদরাসা ছাত্রদের সম্পৃক্ততা মেলেনি। তবে পুলিশি তদন্তে সেসব হামলায় দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং ধনী পরিবারের সন্তানদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আমরা মনে করি, গণকমিশনের তালিকা সম্পূর্ণ একতরফা, মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং দেশের ইসলাম, ইসলামী শিক্ষা ও আলেমদের বিরুদ্ধে এক গভীর চμান্ত। তারা সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে তারা মাঠে নেমেছে। কারণ, শ্বেতপত্রে অভিযুক্ত কোনো আলেম বা মাদরাসার প্রিন্সিপালের বক্তব্য নেয়া হয়নি। তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়নি। গণকমিশনের অভিযোগ ও প্রকাশিত তালিকা যে ঠুনকো তার প্রমাণও পাওয়া গেছে। এক হাজার মাদরাসার তালিকায় এমন অনেক মাদরাসার নাম আছে বাস্তবে যেগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই। চট্টগ্রামের দুটো মাদরাসার নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলো মূলত দোকান বহু আলেমের নাম উল্লিখিত হয়েছে যারা তিন-চার বছর আগেই ইন্তেকাল করেছেন। ফেনীর সোনাগাজীর ওলামাবাজার হোসাইনিয়া মাদরাসার নামোল্লেখ করা হয়েছে তিনবার। মুহতামিম ও ছাত্র সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন। তালিকায় ৩০ নম্বরে আছে মাওলানা মতিউর রহমান মাদানির নাম। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার বাসিন্দা। ৪১ নম্বরে যার নাম আছে তিনি ইন্তেকাল করেছেন কয়েক বছর আগে। ৭৬ ও ৯৪ নম্বরে মুফতি ওমর ফারুক যুক্তিবাদীর নাম আছে দু’বার। ৪১ ও ৮৩ নম্বরে আছে মাওলানা আবু নাঈম মুহাম্মদ তানভিরের নাম। একই ব্যক্তির নাম দু’বার। তালিকায় এমন ব্যক্তির নাম আছে যারা আদৌ ধর্মীয় বক্তা নন।

শ্বেতপত্রে আলেমদের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ সবাই জানেন যে, দেশের আলেম-ওলামা ওয়াজ-নসিহত, তাজকিয়ায়ে নফস ও দরস তাদরিসের খিদমতে নিয়োজিত।এই আলেমগণ বিভিনড়ব সময় বিনা স্বার্থে, বিনা শর্তে অনুদান সংগ্রহ করেন শুধু মাদরাসা-মসজিদ পরিচালনার জন্য। আর মাহফিল মৌসুমে আয়োজক কমিটি অর্থসংগ্রহ করে মাহফিলের খরচ সঙ্কুলানের জন্য। তারা ওয়ায়েজিনগণকে ভালোবেসে সম্মানি প্রদান করেন। যারা প্রখ্যাত বক্তা, তাদেরকে মানুষ নেহায়েত আবেগ থেকেই একটু বেশি সম্মানী দিয়ে থাকেন। এতে কোনো কোনো ওয়ায়েজিন অর্থ-বিত্তের মালিকও হতে পারেন, এটা দোষনীয় নয়। কিন্তু তারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ক্যাসিনো ব্যবসায়, কাবিখার অর্থ, উনড়বয়ন কার্যμমের কমিশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির সভাপতির কমিশন বা নিয়োগ বাণিজ্যের অর্থে এই সম্পদের মালিক হননি। আমাদের জানা মতে, জঙ্গি অর্থায়ন, মানি লন্ডারিং তো দূরের কথা, তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ আলেমের রাজধানী বা নিজ নিজ জেলা শহরে একটি বাড়ি বা ফ্ল্যাট পর্যন্ত নেই। তারা সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর জীবনধারায় অভ্যস্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, ‘গণকমিশন’ ওইসব অবৈধ অর্থ উপার্জনকারী কিংবা কানাডা, আমেরিকা, মালয়েশিয়া বা ভারতে পাচারকারী অথবা বিদেশে বেগমপাড়া সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি। অথচ তারা তাদের হীন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শধু ওলামা-মাশায়েখ ও মাদরাসাগুলোর তালিকাই প্রস্তুত করেছে।

তারা বলেন, তথাকথিত গণকমিশনের অভিযোগ, ধর্মীয় বক্তারা মাহফিলে নারী বিদ্বেষী বক্তৃতা করেন। ইসলামে নারী জাতিকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। আলেম-উলামা নারী জাতির হারানো সম্মান ফিরিয়ে এনে পরিপূর্ণ নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ওয়াজ-মাহফিল ও মসজিদের মিম্বারে বসে খুৎবা দিয়ে প্রাণান্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু গণকমিশন ওয়ায়েজিনদের বক্তব্যের খন্ডিত অংশ উপস্থাপন করে এবং কিছু চিহ্নিত হলুদ মিডিয়া তা প্রচার করে পুরো বক্তব্যই ‘নারী বিদ্বেষী’ বলে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

আবহমানকাল থেকে বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ, নীতি নৈতিকতা, মননশীলতা, ন্যায়বোধ, সাম্প্রদায়িক সহঅবস্থান ইত্যাদির শিক্ষা কওমী মাদরাসা এবং ওয়ায়েজিনগণ দিয়ে সমাজে স্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছেন। কিছু ব্যতিμম ছাড়া তালিকাভুক্ত ওলামা-মাশায়েখের সবাই দেশের সর্বোচ্চ সম্মানিত, মাননীয় এবং জনপ্রিয়। অথচ ‘গণকমিশনের’ কর্তাব্যক্তি যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের কেউ কেউ সমাজে নেতিবাচকভাবে চিহ্নিত এবং বিতর্কিত। তাদের কারো কারো বিরুদ্ধেই বরং বিভিনড়ব সামাজিক অভিযোগ রয়েছে। এই সব বিতর্কিতরাই জাতির সম্মানিত ও দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। এটা জাতির জন্য দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কিছুই নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিউইয়র্কের সর্বস্তরের বাংলাদেশী প্রবাসী ইমাম ও ওলামা মাশায়েখ মনে করেন, এই শ্বেতপত্র প্রকাশের নেপথ্যে উদ্যোক্তাদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো: ১. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে দেশে একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা। ২. মাদরাসা শিক্ষার ঐতিহ্য ধ্বংস করা। ৩. ওয়াজ, নসিহত ও তাফসির মাহফিলকে প্রশড়ববিদ্ধ করা। ৪. সমাজে বরণ্যে ওলামা-মাশায়েখকে হেয় প্রতিপনড়ব করা। ৫. আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করা। ৬. বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সঙ্ঘাতের দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করা এবং দেশের ভাবমর্যাদাকে প্রশড়ববিদ্ধ করা। ৭. মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের স্লোগান তোলে বৈশ্বিক আগ্রাসী শক্তির দৃষ্টি আকর্ষণ করা। ৮.ওলামা-মাশায়েখদের সরকারের মুখোমুখি করে একটি সঙ্ঘাতময় পরিস্থিতি সৃৃষ্টি করা এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলা।
তদন্তসংμান্ত কোড অব দ্য μিমিনাল প্রসিডিউর-(১৮৯৮) এর ধারা ৪ এর ১ উপধারা অনুসারে তদন্ত করার জন্য কোনো অথরাইজড ব্যক্তি প্রয়োজন। এই বিবেচনায় গণকমিশন ব্যক্তিবর্গ যা করেছেন তা বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক ধারণার স্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সাথে তারা কোনো অথরাইজড পারসন বা সংস্থা না হয়েও ‘তদন্ত প্রতিবেদন’ শিরোনামে শে^তপত্র প্রকাশ করার মাধ্যমে আইনগত অনধিকার চর্চা করেছেন; যা নৈতিক ও সামাজিক অপরাধ। আদতে এই শ্বেতপত্র প্রকাশ সংবিধানবিরোধী; নাগরিকের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত মানবিক মর্যাদানীতির প্রতি অশ্রদ্ধা। এই কথিত কমিশনের তদন্ত ও শ্বেতপত্রের নৈতিক ও আইনত কোনো ভিত্তি নেই বরং এটি সংবিধান, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তথা মানবিক মর্যাদার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত অপরাধ। এই অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে এধরনের অপতৎপরতা চলতেই থাকবে। সার্বিকভাবে যার দায়ভার সরকারের উপর বর্তাবে এবং এ ধরনের তৎপরতা দিন শেষে সরকারের ভাবমূর্তিকেই ক্ষুণড়ব করবে। কাজেই সরকারকে এখনই এ বিষয়ে সচেতন হবে।

আমরা আপনার নিকট সবিনয় আরজ করে বলতে চাই যে, আলেম-উলামারাও মানুষ, তাঁরাও ভুলের উর্ধে নন। তাই, কারো তেমন কোন ভুল যা ইসলাম, আন্তধর্মীয় কিংবা দেশের স্বাধীনতার জন্য হুমকি স্বরূপ নজরে আসলে বা ‘গণকমিশনের’ এই তালিকায় সত্যিকার কোনো অপরাধী থাকলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনুন। তবে আমাদের দাবী হলো- যারা অপরাধী নয়, তাদের সম্মানহানির জন্য অবিলম্বে ইসলাম বিদ্বেষী গণকমিশন চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্যসচিব তুরিন আফরোজ গংসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিভ্রান্ত ও অরাজকতা সৃষ্টিকারী গণকমিশনকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে হবে। ‘গণকমিশনের’ প্রকৃত উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতে হবে। গণকমিশনকে কে বা কারা তদন্তের জন্য নিয়োগ দিল? দুই হাজার দুইশত পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরি করতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়েছে। সেই অর্থের জোগানদাতা কে, তাকেও খুঁজে বের করতে হবে। তবেই আসল রহস্য উন্মোচিত হবে ইনশাল্লাহ। বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মুফতি ইসমাঈলের সঞ্চালনায় সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর দেন মাওলানা এমকে রহমান মাহমুদ, মাওলানা আবুল খায়ের, মাওলানা কাজী কাইয়ূম। অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা ইয়াসীন, দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মজিবুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মঞ্জুরুল করীম, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম মাছুম, ক্বারী মোজাম্মেল, মাওলানা আবুল কালাম প্রমুখ।

Posted ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ জুন ২০২২

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.