নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
নিউইয়র্কের বহুজাতিক সমাজে বাঙালি সংস্কৃতির আলোকে জীবনের অবশিষ্ট দিনগুলো অতিবাহিত করতে পারবেন প্রবীণ প্রবাসীরা-এমন একটি ‘ডে কেয়ার সেন্টার’ উদ্বোধন উপলক্ষে গত ১৩ জুলাই এক ‘নৌ-হিারের আয়োজন করে। তিনশ’ প্রবীণসহ ৩৮০ জনের ৫ ঘন্টাব্যাপী এই ভ্রমণে অংশগ্রহণকারিরা গান-আড্ডা ও স্মৃতিচারণে মেতে উঠেছিলেন।

বাংলাদেশি বৈচিত্রময় খাবার আইটেম পরিবেশন করা হয় সবার মাঝে। সিটির হিলসাইড এভিনিউয়ে অবস্থিত ‘অল কাউন্টি হোমকেয়ার গ্রুপ’র ব্যবস্থাপনায় ফ্লাশিং বে থেকে ইস্ট রিভার ও হাডসন নদীর মধ্যে অনুষ্ঠিত এ নৌ-ভ্রমণে অংশগ্রহণকারিরা ম্যানহাটানের দৃষ্টিনন্দন এলাকাগুলো প্রাণ ভরে অবলোকন করেন। ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র কাছে দিয়ে ‘স্কাইলাইন প্রিন্সেস’ জাহাজটি অতিক্রমের সময় অনেকে সেলফি নিতে ব্যস্ত ছিলেন সবাই। চমৎকার আবহাওয়ায় প্রায় সকলেই ছিলেন ফুরফুরে মেজাজে। পরিবেশকে আরো স্মৃতিময় করেন জনপ্রিয় শিল্পী রিজিয়া পারভিন, রন্টি দাস, কামরুজ্জামান বকুল নিজ নিজ পরিবেশনায়। গানে গানে মাতোয়ারা প্রবাসীরাও ফিরে যান শৈশব-আর কৈশোরের হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোতে।
‘সোস্যাল এডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার’র শুভ সূচনা প্রসঙ্গে ‘অল কাউন্টি হোমকেয়ার গ্রুপ’র সিইও আব্দুল কাদের শিশির বলেন, প্রবীণদের জন্যে নিউইয়র্ক স্টেট প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধার সদ্ব্যবহার করার যে অভিপ্রায় আমাদের রয়েছে তা ষোলকলায় পূর্ণ করার সংকল্প থেকেই এ আয়োজন।
নিজের ভাষা-সংস্কৃতি এবং একেবারেই নিজ বাড়ির মত নির্মল আনন্দদায়ক একটি পরিবেশে প্রবীনরা দিনাতিপাত করতে পারবেন ডে কেয়ার সেন্টারে। খাবারও পাবেন বাঙালি রসনার। বিদ্যমান ‘এডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার’সমূহে বাঙালি খাবার দূরের কথা বাংলায় কথা বলার মত পরিবেশও নেই।
‘অল কাউন্টি হোমকেয়ার গ্রুপ’ সেই অভাব দূর করার পথে একধাপ এগুলো বলে উল্লেখ করেন আব্দুল কাদের শিশির। প্রবাসের জনপ্রিয় উপস্থাপক সোনিয়ার প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও পরিচালনায় এ নৌ-ভ্রমণে মা-বাবার সাথে ছিলেন সন্তান-নাতি-পুতিরাও। ছিলেন কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও। সম্প্রীতির এক অনন্য বন্ধনে বিকেল ৫টায় আবারো জাহাজ ভিড়েছে ‘ওয়ার্ল্ডফেয়ার মেরিনা রেস্টুরেন্টে’র পার্শ্ববর্তী ফ্লাশিং বে-তে।
Posted ১২:৫৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3055 বার পঠিত)
(2347 বার পঠিত)