বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
আল-মামুর স্কুল ও আল-মামুর ফাউন্ডেশনের প্রথম বার্ষিক অ্যাওয়ার্ড বিতরণী ও ডিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১৯ ডিসেম্বর শনিবার ফেশ মেডোতে আল-মামুর স্কুল অডিটরিয়ামে । অনুষ্ঠানে তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
তারা হচ্ছেন: স্টেট সিনেটর টবি স্ট্যাভিস্কি, সিনেটর জন ল্যু এবং কমিউনিটি কাউন্সিল ৮ এর চেয়ারপারসন মার্থা টেলর। তারা অনুষ্ঠানে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন। অতিথি বক্তা ছিলেন ইমাম শামসি আলী।

জেএমসি’র যেসব কমিউনিটি নেতা ২০০৩ সালে ২০ জনেরও কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে আল-মামুর স্কুল প্রতিষ্ঠার সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করে আল-মামুর স্কুল কর্পোরেশনের প্রথম ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আল-মামুর ফাউন্ডেশন তাদের স্বীকৃতি দিয়েছে। তারা আল-মামুরের যাত্রা শুরুর ওপর তাদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।
তারা বলেন, সিদ্ধান্তটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, কিন্তু তা এতটাই ফলপ্রসু প্রমাণিত হয়েছে যে, এখন আল-মামুর স্কুলে প্রি-কে থেকে ১২ গ্রেড পর্যন্ত ৩৪০ জনের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

আল-মামুর ফাউন্ডেশন ‘ড. এন্ড মিসেস পাটোয়ারী টিচার অফ দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে আলতাফ সিদ্দিকীকে। এছাড়া চারজন সফল শিক্ষার্থীকে ‘ড. মাহমুদুর রহমান স্টুডেন্ট অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত করে। তারা হচ্ছেন: সাফিয়া সরতাজ, জান্নাতুল ইসলাম, জিশান আহমেদ।
ফাউন্ডেশন ফাউন্ডেশনের নেতা ও উদ্যোক্তা জেএমসির সাবেক চেয়ারম্যান (২০০৩) মুহাম্মদ আমজাদ হোসেন, সাবেক সভাপতি (২০০৩) মুতাসিম বিল্লাহ, সাবেক সেক্রেটারী (২০০৩) আবুল রফিউদ্দিন হাসান, ফাউন্ডেশনের ২০০৫ সালের ৫ জন ট্রাস্ট্রি খাজা মিজান হাসান, সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ ওয়াদুদ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ রফিকুর রহমান ও মাহমুদুল হককে সম্মাননা প্রদান করে। অনুষ্ঠানে আল-মামুর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় যে, ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টিবৃন্দ ও জেএমসি কমিউনিটি তাদের আর্থিক অবদান রাখবেন, যাতে মেধার পরিচয় দানকারী আরো বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থীকে স্কলারশিপ ও অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা সম্ভব হয়।
Posted ৩:০৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3054 বার পঠিত)
(2344 বার পঠিত)