নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
গত ২৭ জুন রোববার ‘মধ্যপন্থার রাজনীতির নয়া জাগরণী’ শীর্ষক রাজনৈতিক আলোচনা সিটির জ্যামাইকায় সাপ্তাহিক বাংলাদেশ কার্যালয়ে অণুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মির্জা গালিব এর সাথে ঘরোয়া আড্ডার আয়োজনটি করেছে ‘আমেরিকা-বাংলাদেশ ইনিশিয়েটিভ’। আলোচনায় অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন সাংবাদিক আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডাক্তার ওয়াজেদ খান, সাপ্তাহিক প্রবাসের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ওয়ালিউল আলম, কবি কাজী জহিরুল ইসলাম, হিউম্যান রাইটস নেত্রী কাজী ফৌজিয়া, বাংলাদেশী স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ইউএস এর উপদেষ্টা ডাক্তার সৈয়দ আল আমিন রাসেল, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও লেঝখক রওশন হক, এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স ইউএসএ’র সদস্য সচিব ডাক্তার মোহাইমেন সায়মন প্রমুখ।

আমেরিকার বাঙালি কমিউনিটিতে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হিসেবে ঘোষিত সময়েই আড্ডার সূচনা করেন এবিআই এর আহ্বায়ক, প্রাক্তন অধ্যাপক এবং নিউইয়র্কে ফেডারেল এমপ্লয়ী হিসেবে কর্মরত পেশাজীবী , সংগঠক ও চিন্তক ইমাম চৌধুরী। আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ও সঞ্চালক আড্ডার সূচনায় আলোচনাকে গাইড করতে সাতটি পয়েন্টে একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, মধ্যপন্থার রাজনীতি বিষয়ক আড্ডায় যা আলোচনা হতে পারে- .তাত্ত্বিক ধারণা – বিশ্বব্যাপী বর্তমান লিবারেল ডেমোক্রেসি এবং অতীতের উম্মাতান ওয়াসাতান বা ইনক্লুসিভ মদিনা রাষ্ট্রের ধারণার প্রয়োগ সম্ভাবনা; খ)ব্যবহারিক ধারণা- আমেরিকা ও মালয়েশিয়া রাষ্ট্র ধারণার প্রয়োগ এবং সচেতন ভাবে ব্রিটিশ ইউরোপীয় ও ভারতীয় মডেল থেকে রিভার্স করা; গ) প্রায়োগিক ধারণায় বাংলাদেশ মডেল এর উপযুক্ততা বিচার-বিদ্যমান ডান-বাম রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শে প্রভাব মুক্ত হওয়া , নৈতিক বোধযুক্ত, মতাদর্শিক ও ধর্মীয় বিতর্ক মুক্ত রাজনৈতিক সংগঠন ধারা গড়ে তোলার কৌশল পত্র তুলে ধরা। ঘ) আওয়ামী লীগ, বিএনপি ,জামাত কেন মধ্যপন্থার আদর্শিক দল নয়? সেটা ব্যাখ্যা করা। ঙ) এনসিপি’র মধ্যপন্থার দর্শন ও কৌশল কি হবে? মানুষ কেন উপরের প্রধান তিনটি দলের পরিবর্তে এনসিপিতে যোগদান অথবা সমর্থন দেবে ? এই চতুর্থ পয়েন্টে এসে এনসিপিকে নিচের সাতটি পয়েন্টে তাদের বক্তব্য বা লিখিত লিটারেচার স্পষ্ট করতে হবে।

তারা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে আওয়ামী লীগ এবং বাম চিন্তাধারার সংগঠন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদকে তারা কিভাবে মোকাবেলা করা হবে সেই কৌশল বের করতে হবে। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চালাতে হবে। বিভাজনের রাজনীতি মুক্ত করা দেশের একক জাতীয় চেতনা বিকাশের পূর্ব শর্ত। আর তার জন্য বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বিতর্কের তাই অবসান করে ; বাংলাদেশে নাগরিকতা ভিত্তিক নতুন জাতি চেতনার উন্মেষ ঘটাতে হবে। নতুন দল নতুন রাজনীতি কিভাবে সে বিষয়টি হ্যান্ডেল করবে তা স্পষ্ট করতে হবে।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যথাক্রমে জনাব নিজামুল শাহির, নুমায়ের হোসাইন, মাহমুদা জাহানারা, মোঃ এমদাদ উল্লাহ, সালাহউদ্দিন আহমেদ, কাউসার মুমিন, কবি আব্দুল হামিদ সোহেল, কবি আবুল বাশার, রাকিব উদ্দিন, সানজিদা নওশীন, মোহাম্মদ রশিদ, আবু ফারুক রানা প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন মোটিভেশন স্পীকার আলমাসুর রহমান, ব্যবসায়ী নুরুল খান, পেশাজীবী লিসানুর রাসুল প্রমুখ।
Posted ২:৪৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3076 বার পঠিত)
(2472 বার পঠিত)