বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বাঁ থেকে-ইমাম আবু জাফর, ড. টম ফাচিনে, ড. রানা রাশেদ, ডা. মাহমুদুর রহমান, ডা. নাজমুল খান, ড. আতিয়া পাশা, ড. মহসীন পাটোয়ারী।
আল মামুর স্কুলের ফান্ডরেইজিং আল মামুর স্কুলের ইভেন্ট হলে অনুষ্ঠিত হয় গত ১৩ জুন শনিবার। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইয়াকিন ইন্সটিটিউট অফ ইসলামিক রিসার্চের রিসার্চ ডাইরেক্টর ড. টম ফাচিনে। তিনি তাঁর বক্তব্যে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সাংস্কৃতিক বিবর্তন এবং ইসলামে ওয়াকফের গুরুত্ব ও আবশ্যকীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। রাতের খাবারের পর অনুষ্ঠান হলে কহরপশং দলের খেলা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয় এবং আগত অতিথিরা খেলা উপভোগ করেন।

পরিবেশ ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য। আল মামুর স্কুলের পরিচালক ফার্মাসিস্ট মোহাম্মদ রাশেদ রানা’র নেতৃত্বে ফান্ড রেইজিং কমিটি ও তহবিল সংগ্রহকারী দল, যার মধ্যে প্যারেন্টস টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ, স্কুলের শিক্ষক, প্রশাসক ও বোর্ড সদস্যরা তহবিল সংগ্রহ কাজ সুচারুভাবে পরিচালনা করেছেন। আল মামুর স্কুলের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে, অনুষ্ঠানে এক লাখ ডলারের বেশি অনুদান সংগ্রহ ও প্রতিশ্রুতি পাওয়া প্রদান করেছেন। বোর্ডের পক্ষ থেকে বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মহসীন পাটোয়ারী সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফান্ড রেইজিং কমিটির চেয়ারম্যান ফার্মাসিস্ট ড. রানা রাশেদ, বোর্ডের লক্ষ্য ও কাজ সম্পর্কে জানান বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মহসীন পাটোয়ারী, জ্যমাইকা মুসলিম সেন্টারের প্রেসিডেন্ট ডা. নাজমুল খান, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের চেয়ারম্যান ডা. মাহমুদুর রহমান তুহিন, স্কুল সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন আল মামুর স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. আতিয়া পাশা, পিটিএ প্রেসিডেন্ট ফারজানা ফ্লোরা, ফাইন্যান্স ডাইরেক্টর মোহাম্মদ সিদ্দিক, জেএমসির ইমাম মাওলানা আবু জাফর বেগ। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ইমাম ড. টম ফাচিনে।

এছাড়া আল মামুর স্কুল বোর্ডের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর সামি-উর-রব বক্তব্য রাখেন। গুরুত্বপূর্ণ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মোহাম্মদ আমিনুল্লাহ, মোহাম্মদ ইয়ার, জুলকার হায়দার, ফাহিম হোতাকি, শেকিল চৌধুরী, ডা. কুদসিয়া বানু, ডা. নায়েম রহমান, ফার্মাসিস্ট মোহামদ কবীর. ফার্মাসিস্ট কাজী হালিম, সৈয়দ এম রহমান, ডা. সিদ্দিকুর রহমান, জামিলুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ হাশেম, ডা. নিশাদ হক, ডা. মোহাম্মদ এস আহমেদ, শাহ মোহাম্মদ আল-মাসুম, ডা. মোহাম্মদ এস তাহের, ডা. ওয়াদুদ ভূঁঁইয়া, শওকত চৌধুরী।
এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন আল মামুর স্কুলের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে, সেগুলোর মধ্যে ছিল- জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার, মুসলিম উম্মহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা), লং আইল্যান্ড মুসলিম সোসাইটি, নাহার ফাউন্ডেশন, শেলটার রক ইসলামিক সোসাইটি, এলহাম একাডেমি ও হিলসাইড ইসলামিক সেন্টার।
Posted ৫:১১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3063 বার পঠিত)
(2440 বার পঠিত)