বাংলাদেশ প্রতিবেদন : | বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
নতুন সাজে চালু হলো ঘরোয়া রেষ্টুরেন্ট। প্রায় সাড়ে চার মাস পর ১৬৮-৪১ হিলাসাইড এভিনিউতে প্রতিষ্ঠিত রেষ্টুরেন্টটি চালু হয় ১৮ মার্চ। এদিন সন্ধ্যায় রেষ্টুরেন্টটির ক্রেতা আর শুভাকাঙ্খীদের মিষ্টি মুখ করিয়ে নতুন যাত্রা শুরু হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটির।
জ্যামাইকার হিলসাইড এভিন্যুতে দীর্ঘ দু’দশক ধরে গ্রাহক সেবায় নিয়োজিত ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট। নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত এই এলাকাটিতে ইতোমধ্যেই অত্যন্ত সুনাম ও বিশ্বস্থতা অর্জন করেছে রেস্টুরেন্টটি। উন্নতমানের দেশীয় স্বাদের খাবার ও গ্রাহক সেবা ঘরোয়া রেস্টুরেন্টকে জনপ্রিয় করে তুলেছে অভিবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে। শুধু ভোজন বিলাসীরাই নন কুইন্সের অন্যান্য এলাকা, ব্রঙ্কস, ব্রুকলীন, ম্যানহাটান এবং লংআইল্যান্ড থেকেও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বাংলাদেশীরা ঘরোয়া ও নিড়িবিলি পরিবেশে খাবারের স্বাদ নিতে সপরিবাওে ভীড় করেন ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট্। গ্রাহকদের সুবিধার্থে ব্রুকলীনের চাচ-ম্যাকডোনাল্ড এভিন্যুতেও একটি শাখা রয়েছে ঘরোয়া রেস্টুরেন্টের। দেশীর ঐতিহ্যের প্রতীক ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে জ্যামাইকা শাখাকে সাজিয়েছে সম্পূর্ন নতুন আঙ্গিকে।

আকষর্নীয় ও চোখ ধাঁধানো এ সাজের সাথে পরিবর্তন ও নতুনত্ব এসেছে খাবার সামগ্রীতেও। ঘরোয়া রেস্টুরেন্টে পরিবার নিয়ে খাবার উপভোগের পাশাপাশি রয়েছে ক্যাটারিংয়ের সুবিধা। রেস্টুরেন্টতে আড্ডা স্ন্যাকস, নাস্তা, মধ্যাহ্ন ভোজ ও নৈশভোজের রয়েছে বিশেষ আয়োজন। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে পার্ক সাইড প্লেটার, পান্তা এন্ড পোলাও, ভাই-বন্ধু ভোজ, গোল্ড ফিস্ট, বেঙ্গল উৎসব সহ খাবারের রকমারি প্যাকেজ।
ঘরোয়া রেস্টুরেন্ট ক্যাটারিং সার্ভিসে ৩ হাজার পর্যন্ত অতিথির খাবার সরবরাহ করে থাকে। বিয়ে, করপোরেট অনুষ্ঠানাদি, ধর্মীয় এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য ফুল সার্ভিস ক্যাটারিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। নিউইয়র্ক ছাড়াও পাশ্ববর্তী স্টেটগুলোর শেরাটন, হিলটন, ম্যারিয়ট এবং ট্যারেস অন দ্য পার্কের মতো অভিজাত হোটেল ও পার্টি হলগুলোতে ক্যাটারিং সেবা দিয়ে থাকে ঘরোয়া। এজন্য রেস্টুরেন্টটির রয়েছে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা।ঘরোয়া রেষ্টুরেন্টের স্বত্তাধিকারী আব্দুল কদ্দুস জানান। মুখরোচক খাবার আর সেবা দিয়ে রেষ্টুরেন্ট তার সুনাম অর্জন করেছে। অতি সম্প্রতি ক্রেতাদের চাহিদার পাশাপাশি পরিবেশ এবং রুচির কথা ভেবে আমরা নতুন সাজে রেষ্টুরেন্ট সাজানোর সিদ্ধান্ত নেই। এজন্য দীর্ঘ সময় রেষ্টুরেন্টটি বন্ধ রেখে আধুনিক সাজে ‘ডেকোরেশন’ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আশা করি আমাদের ক্রেতারা নতুন সাজে রেষ্টুরেন্টটি পছন্দ করবেন এবং মনোরম পরিবেশে পরিবার-পরিজন আর বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে পছন্দের মুখরোচক খাবার উপভোগ করতে পারবেন। আব্দুল কদ্দুস জানান, চা-সিঙ্গারা-সমচা থেকে শুরু করে ভাত-মাছ, পোলাও-বিরিয়ানী-মাংস সহ যেকোন ধরনের খবার পাওয়া যাবে ‘ঘরোয়া’ রেষ্টুরেন্টে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের মতোই থাকছে ক্যাটারিং। ইতিমধ্যেই পিকনিক-এর অর্ডার নেয়া শুরু হয়েছে। নিজস্ব পরিবহনে গরম গরম খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকবে। আর পুরো গ্রীস্মকালে সকাল ৯টা থেকে মধ্যরাত ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা হবে বলেও জানান তিনি।
Posted ১:২১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3053 বার পঠিত)
(2341 বার পঠিত)