বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৫
বিশ্বজিৎ সাহা
নিউইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রধান বিশ্বজিৎ সাহা। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পতিত স্বৈরাচারের অন্যতম সার্টিফায়েড দোসর। বিগত দেড় দশকে দেশের লুটেরা শ্রেনি তার মাধ্যমে বিপুল অংকের অর্থ যুক্তরষ্ট্রে ও ভারতে পাচার করেছে এবং নিউইয়র্কে বইমেলার আড়ালে নাম ভাঙ্গিয়ে অর্থের বিনিময়ে বাংলাদেশ ও ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আদম পাচার করেছেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বিশেষ করে টার্গেট করেন ক্ষমতাবান রাজনীতিক ও বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও মালিকদের। বছরে একাধিকবার বই ও বাণিজ্য মেলার নামে আদম পাচার করে বিপুল বিত্তের মালিক হয়েছেন বিশ্বজিৎ। এজন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী আওয়ামী ঘরানার কতিপয় কথিত বুদ্ধিজীবীকে ব্যবহার করে আসছেন ঢাল হিসেবে। স্বৈরাচারের শীর্ষ পর্যায়ে ছিল তার অবাধ বিচরণ। জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পূর্বে বিশ্বজিৎ সাহার বইমেলা, বাণিজ্যমেলা এবং রেমিট্যান্স মেলায় অতিথি, পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রায় শতভাগই ছিলো ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী শ্রেনির।
দেশের অর্থ পাচারকারীদের ঘনিষ্ট সহচর বিশ্বজিৎ সাহা নিউইয়র্কের বিলাসবহুল হোটেলে এসব মেলার আয়োজন করতেন লক্ষ লক্ষ ডলার ব্যয় করে। আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর হঠাৎই তিনি মুখোশ পাল্টে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ম্যানহাটানের হোটেল ম্যারিয়ট মার্কেসে আয়োজন করেন বাণিজ্য মেলা। পরের মাসে গত ২০ ও ২১ অক্টোবর দুদিনব্যাপী রেমিট্যান্স মেলার আয়োজন করেন। নিউইয়র্কে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় এক ডজন রেমিট্যান্স হাউজ রয়েছে।
এমনকি তাদের একটি সংগঠনও সক্রিয়। তাদেরকে পাশ কাটিয়ে এমন ব্যক্তির আয়োজিত মেলায় অংশ নেন বাংলাদেশের কতিপয় ব্যাংকের কর্মকর্তা। বছর না ঘুরতেই বিশ্বজিৎ সাহা বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগসাজসে করে নতুন করে আবার রেমিট্যান্স মেলার ঘোষণা দিয়েছেন। অনুষ্ঠেয় এ মেলার অতিথির তালিকায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে।
বাংলাদেশ-ইউএসএ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিইউসিআই) এবং ইউএসএ বাংলাদেশ বিজনেস লিঙ্কের আয়োজনে আগামী ১৯ ও ২০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে নিউইয়র্কে চতুর্থ বাংলাদেশ রেমিট্যান্স মেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান হয়েছে। মেলা অনুষ্ঠিত হবে জ্যাকসন হাইটসের শানাই রেস্টুরেন্ট ও পার্টি হলে। এ আয়োজনের পুরোধা হিসেবে নাম রয়েছেন: আহবায়ক – ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, প্রেসিডেন্ট বিইউসিআই; যুগ্ম আহবায়ক- রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট, বিইউসিআই; ও প্রধান সমন্বয়কারী- বিশ্বজিৎ সাহা, সিইও বিইউসিআই।
আয়োজকবৃন্দ বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ও বেসরকারি খাতের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে চিঠি লিখে গত তিনটি রেমিট্যান্স মেলায় যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে, তাদেরকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করাসহ আয়োজকদের বিভিন্ন কর্মতৎপরতার বয়ান দিয়ে এবারের মেলায় আরো অধিক সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অংকের আর্থিক অনুদান চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের রেমিট্যান্স মেলা প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এবং সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ব্যাংকস, ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যানগণ মেলায় অংশগ্রহণের সম্মতি দিয়েছেন।
চিঠিতে রেমিট্যান্স মেলায় টাইটেল স্পন্সর (একজন) হিসেবে অংশগ্রহণ করতে হলে তাকে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৫০ লাখ টাকা; পাওয়ার্ড বাই স্পন্সরের (একজন) জন্য ৩০ লাখ টাকা; চারজন প্রোগ্রাম স্পন্সর হিসেবে থাকবেন, যাদের প্রত্যেকেকে দিতে হবে ১২ লাখ টাকা করে। মেলায় যারা বুথ নেবেন, তাদেরকে ৩৬ বর্গফুট আয়তনের বুথের জন্য দিতে হবে বুথপ্রতি ৫ হাজার ডলার করে এবং এর সঙ্গে যোগ হবে ভ্যাট ও ট্যাক্স।
যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী স্বৈরশাসনামলে সুবিধাভোগী বিশ্বজিৎ সাহার ইউএসএ বাংলাদেশ বিজনেস লিঙ্ক ও মুক্তধারা নিউইয়র্ক এই মেলার মূল আয়োজক সংগঠন। দুটি সংগঠনেরই প্রেসিডেন্ট বিশ্বজিৎ সাহা। মেলা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিশ্বজিৎ সাহা প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী ঘরানার সক্রিয় কতিপয় বুদ্ধিজীবী ও অ্যাক্টিভিষ্টদের ব্যবহার করেন ঢাল হিসেবে। তিনি তাদেরকে দিয়েই অনেক কথা বলিয়ে থাকেন, নিজের অসদুদ্দেশ্যকে আড়াল করার জন্য।
আগে শুধু বইমেলার নামে বাংলাদেশ ও ভারত থেকে আদম আমদানী এবং অর্থ পাচারকারীদের সহযোগিতার অভিযোগ ছিলো বিশ্বজিত সাহার বিরুদ্ধে। বিগত দেড় দশকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার আমলে বিভিন্ন ধরণের মেলা আয়োজনের আড়ালে এই ব্যবসায়কে আরো সম্প্রসারিত করেন তিনি। প্রায় এক দশক পূর্বে বাংলাদেশের সাবেক সরকার প্রধানকে খুশী করতে “শেখ মুজিব হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী” প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন বিশ্বজিত। এর মাধ্যমে আওয়ামী সরকারের সান্নিধ্যে চলে যান তিনি। হাতিয়ে নেন মোটা অংকের অর্থ।
নানাবিধ উসিলায় বিশ্বজিত সখ্যতা গড়ে তুলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ উপদেষ্টা মশিয়ুর রহমান ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সাথে। এভাবেই কপাল খুলে যায় বিশ্বজিত সাহার। নিউইয়র্কে তিনি একের পর এক বিভিন্ন নামে মেলা ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে থাকেন। আর এসব অনুষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ অর্থের যোগানদাতা হিসেবে উঠে আসে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী ব্যাংক, অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সহ অনেক ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক। নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানগুলোতে বড় ধরণের আর্থিক সহযোগিতার জন্য বিশ্বজিত বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তুলেন এফবিসিসিআই কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও বিভিন্ন বেসরকারী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সাথে।
প্রতিবছর শেখ হাসিনা যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে যোগদান করতে আসতেন, সেই সময় তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করে কৌশলে তার সফরসঙ্গীদের অতিথি করে কাজ বাগিয়ে নিতেন। বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হলেও থেমে নেই বিশ্বজিত সাহার এসব প্রতারণাপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন। এজন্য তিনি যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে । গত মাসে প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘে যোগদান করতে নিউইয়র্কে আসেন। এসময় তার হোটেল লবিতে দৌড়ঝাপ করতে দেখা যায় বিশ্বজিত সাহাকে।
সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণ নেই তার কোন অনুষ্ঠানেই। দেশের পরিবর্তিত অবস্থার পরও বিশ্বজিত সাহার রেমিট্যান্স মেলার আয়োজন নিয়ে প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক কৌতুহলের উদ্রেক করেছে। তাদের প্রশ্ন যে ব্যক্তি বাংলাদেশের লুটেরা অর্থ পাচারকারীদের সহযোগী, যিনি প্রবাসে কোন রেমিট্যান্স প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বা অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত নন। এমনকি বাংলাদেশে কোন অর্থও প্রেরণ করেন না সেই ব্যক্তি কিভাবে এতোবড় রেমিট্যান্স মেলার আয়োজন করছেন? শুধু কি তাই মানি রেমিট্যান্স সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদানেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এসব মেলার আড়ালে বিশ্বজিত সাহা তার প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পাচারের হাবে পরিণত করেছেন। তার এবারের মেলা আয়োজনেও বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক বড় ধরণের আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে। নিউইয়র্কের এই মেলার আড়ালে চলেছে বড় ধরনের অর্থ পাচার।
মেলার মওসুমে তাদের অনেকে আদম পাচার করে এসেছেন অর্থের বিনিময়ে। এবারও এই চক্রটি বেশ সক্রিয়। বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন ব্যাংক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান মোটা অংকের অর্থ দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে বিশ্বজিৎ সাহাকে। বিশ্বজিৎ সাহা দীর্ঘ তিন দশক যাবত মুক্তধারা বইমেলার নামে করে আসছেন বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা ও আদম ব্যবসা। অবৈধভাবে মুক্তধারার নাম ব্যবহার করার কারণে বাংলাদেশে মামলাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে। শেখ মুজিব হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’র প্রবক্তা বিশ্বজিৎ হাসিনা সরকারের আমলে বিপুল পরিমাণ অর্থবিত্তের মালিক বনেছেন। তিনিই আবার কৌশলে স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশের অপচেষ্টা করছেন প্রতিনিধিত্ব করার। সচেতন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইতোমধ্যেই এই প্রচেষ্টা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রশ্ন অন্তবর্তী সরকারের অভ্যন্তরে থেকে কারা এসব প্রতারণামূলক কর্মকান্ডে সহযোগিতা করছে?
ভাঙছে মুক্তধারা
নিউইয়র্ক : কমিটি গঠন নিয়ে রাজনৈতিক বিভক্তি দেখা দিয়েছে মুক্ত ধারা ফাউন্ডেশনে। ফলে আগামী ২৩ মে থেকে অনুষ্ঠিতব্য চার দিনব্যাপী বাংলা বইমেলায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। জানা গেছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটিতে দুটি ধারা তৈরি হয়েছে। ক্ষুদ্র একটি অংশ জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
অন্যদিকে বড় একটি অংশ ৩৫ বছর ধরে চলা নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলাকে আগের মতই পরিচালিত করার পক্ষে। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় গত ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কার্যকরী কমিটির সভায়। ওই সভায় দুজন সিনিয়র কর্মকর্তা কমিটির কয়েকজন সদস্যকে স্বৈরশাসকের লোক বলে আখ্যায়িত করেন। এতে আপত্তি জানিয়ে কমিটির শীর্ষস্থানীয় পাঁচজন কর্মকর্তা সভা থেকে বেরিয়ে যান। পরে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সভা মুলতবি করা হয়।
জানা গেছে, মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা রয়েছে। তবে একাত্তরের প্রহরী নামে একটি সংগঠনের কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন, ৩৫ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুষ্ঠিত নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা এ বছর জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দখলে চলে যাচ্ছে। এ কারণে তারা আগামী কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে রাখার পক্ষে মত দেন। বিদায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন নবী ওই চিঠি পাওয়ার পর মুক্তিধারা ফাউন্ডেশনের সিইও বিশ্বজিৎ সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু তার কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাননি ড, নূরুন নবী।
একটি সূত্র জানায়, নতুন কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে না রাখা হলে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারেন ড. নূরুন নবী, ড. জিনাত নবী, ফাহিম রেজা নূর, জাকিয়া ফাহিম, স্বীকৃতি বড়ুয়া ও শুভ রায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব ও সিইও বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, ৩৫ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বইমেলা হয়ে আসছে। এটি অব্যাহত থাকবে। এর বাইরে আর কিছু হয়নি।
Posted ১:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh