বাংলাদেশ রিপোর্ট : | বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
বক্তব্য রাখছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
অতীতের সব ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রবাসীকল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। নিউইয়র্কে আয়োজিত বাংলাদেশ সোসাইটির মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, নতুন সরকার নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেছে।
আগামী তিন মাসের মধ্যে সিলেটসহ দেশব্যাপী মহাসড়ক, রেলপথ ও বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান হবে। গতা ১০ মে রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির উডসাইডের গুলশান ট্যারেসে বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় আয়োজিত সভাটি বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতি ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “আমি নিজেও একসময় প্রবাসী ছিলাম, দেশের প্রধানমন্ত্রীও দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। তাই প্রবাসীদের সমস্যা আমরা জানি ও বুঝি।” তিনি জানান, প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পাশাপাশি প্রবাসী মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হবে। যুগ্ম সচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত ওই সেল ই-মেইলে প্রাপ্ত অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করবে। এছাড়া থাকবে হটলাইন সেবাও। খবর : ইউএনএ’র।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কাজী আজহারুল হক মিলন, আজিমুর রহমান বোরহান, আব্দুর রহিম হাওলাদার, কাজী আজম, আহসান হাবীব, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আতরাউল আলম ও নাইম টুটুল। এছাড়া বক্তব্য দেন সোসাইটির সাবেক সভাপতি ডা. ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ডা. মোহাম্মদ হামিদুজ্জামান ও আজমল হোসেন কুনু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন খান ও রানা ফেরদৌস চৌধুরী।

কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বাবলুর হোসেন, সোসাইটির সাবেক ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম, এনআরবি’র চেয়ারপার্সন সেকিল চৌধুরী, সোসাইটির নির্বাচন কমিশনার ও জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সোসাইটির সহসভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান বেদারুল ইসলাম বাবলা, ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এম এ বাসেত, সন্দ্বীপ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশি আমেরিকান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আমিন মেহেদী, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আবু সাঈদ আহমদ, এম এ বাতেন, সাইফুর খান হারুন, সোসাইটির কার্যকরী সদস্য জাহাঙ্গীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও হারুন চেয়ারম্যান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা, বৃহত্তর সিলেট গণদাবি পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র, সিলেট এমসি কলেজ অ্যাসোসিয়েশন, গোলাপগঞ্জ সোসাইটি, প্রবাসী আইন সুরক্ষা কমিটি ও কামাল স্মৃতি পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা মন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানান।
সভায় স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম বলেন, “বাংলাদেশ সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এবং এটি সকল প্রবাসীর সংগঠন।” তিনি সভাকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রাখতে রাজনৈতিক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান জানান।সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ সোসাইটির ৫০ বছরের কার্যক্রম ও কমিউনিটির কল্যাণে সংগঠনের ভূমিকা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তিনি প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি ও প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
সভায় বক্তারা সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা, বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধ, ঢাকা-নিউইয়র্ক-ঢাকা রুটে বিমান চলাচল চালু, প্রবাসীদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে পাঠানো, বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রদান এবং বিভিন্ন হাউজিং কোম্পানির অনিয়ম বন্ধসহ নানা দাবি তুলে ধরেন। সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান বাবলুর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, “আমি যখন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যান, তখন আরিফুল হক চৌধুরী ছিলেন দশম শ্রেণির ছাত্র। তিনি কর্মী থেকে জাতীয় নেতায় পরিণত হয়েছেন। ওয়ার্ড কমিশনার থেকে এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি সিলেটবাসীর গর্ব।” তিনি আরিফুল হক চৌধুরীকে “সিলেট রত্ন” হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রস্তাব দিলে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা করতালির মাধ্যমে তা সমর্থন জানান। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক সরকারকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের সর্বস্বান্ত করা ম্যানপাওয়ার ব্যবসার মাফিয়াচক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্লট জটিলতার অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্লট ও জমি বিক্রির নামে প্রবাসীদের অর্থ আত্মসাৎকারী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। সবশেষে তিনি অতীতের বিভেদ ভুলে সম্প্রীতি ও ঐক্যের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ সোসাইটির ৯ দফা দাবি ও প্রস্তাবনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে পাঠানোর স্থায়ী ব্যবস্থা। দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি। রেমিট্যান্স প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ন্যূনতম ৪ শতাংশ করা। বিদেশে বাংলাদেশ মিশন ও কনস্যুলেটের সেবার মান উন্নয়ন এবং ২৪ ঘণ্টার হটলাইন চালু। ঢাকা-নিউইয়র্ক-ঢাকা রুটে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালু। নিউইয়র্ক ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল কনস্যুলার সেবা চালুর উদ্যোগ। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত ও এনআইডি কার্যক্রম সহজ ও দ্রুত করা।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে ফাউন্ডেশন অফ গ্রেটার জৈন্তার সংবর্ধনা
নিউইয়র্ক সফররত শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি-কে সংবর্ধনা দিয়েছে তার নির্বাচনী এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক সংগঠন ফাউন্ডেশন অফ গ্রেটার জৈন্তা। এ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বলেন, আমি সিলেট-৪ আসনের এমপি হলেও মন্ত্রী হিসেবে সারা দেশের দায়িত্ব আমার ওপর অর্পিত। ন্যায় ও সততার সঙ্গে আমি দায়িত্ব পালন করতে চাই এবং সবার সহযোগিতা কামনা করি।তিনি বলেন, আমি এমপি বা মন্ত্রী হতে চাইনি। দল ও দলের চেয়ারম্যান চেয়েছেন, এলাকার মানুষ ভোট দিয়েছেন বলেই আমি নির্বাচিত হয়েছি। এ জন্য তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়া এবং দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তিনি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করবেন।
গত ৭ মে সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে এ মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে সাত দফা দাবিনামাসহ একটি স্মারকলিপি ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা রশীদ আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুন্নুন চৌধুরী, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও ব্রঙ্কস-বাংলাদেশ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল গফফার চৌধুরী খসরু এবং ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মাওলানা যাকারিয়া মাহমুদ।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জামীল আনসারী। তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন আসসাফা ইসলামিক সেন্টারের ইমাম মাওলানা রফিক আহমেদ রেফাহী। স্বাগত বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ বুরহান উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য দেন বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র উপদেষ্টা গওহর চৌধুরী কিনু, গোয়াইনঘাট প্রবাসী ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আব্দুর রব, ফাউন্ডেশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলী, ব্রঙ্কস বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি নূরে আলম জিকু, সিলেট মহানগর বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি আজমল বক্স সাদেক, ফ্লোরিডা বিএনপি নেতা হাজী আব্দুর রকীব এবং নিউজার্সি স্টেট বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নুল হক প্রমুখ।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা (সিলেট-৪) গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত জনপদ হিসেবে পরিচিত হলেও পর্যটন সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় রাস্তা-ঘাটের অভাবে অনেক এলাকায় যেতে পারিনি। এলাকার সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমি অবগত আছি এবং ধাপে ধাপে সেগুলোর সমাধানে পদক্ষেপ নেয়া হবে।
সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, সিলেট অঞ্চলের ১৯ জন সংসদ সদস্য একসঙ্গে আলোচনা করে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সিলেটসহ সারা দেশের উন্নয়নে যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তার বাস্তব প্রতিফলন আগামী এক বছরের মধ্যেই দৃশ্যমান হবে। বিদেশে কর্মী প্রেরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট বিদেশগামী কর্মীদের শোষণ করে আসছিল।
সেই সিন্ডিকেট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এখন থেকে শুধু টিকিটের খরচে কর্মীরা বিদেশ যেতে পারবেন বলে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দক্ষতা ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়। পাশাপাশি বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে হয়রানি, কাটাছেঁড়া এবং ইমিগ্রেশনে অহেতুক ভোগান্তি বন্ধে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।মন্ত্রী আরো বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে যেভাবে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করেছেন, সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সিলেট-৪ আসনের জনগণ তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।তিনি বলেন, আমার দায়িত্বের পরিধি এখন অনেক বেড়েছে। এলাকার ছোটখাটো সমস্যাগুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সবাই মিলে এগিয়ে গেলে উন্নয়ন আরো দ্রুত সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটি বিএনপি (উত্তর)-এর সভাপতি আহবাব চৌধুরী খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ চৌধুরী, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এমএ বাতিন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইফুর খান হারুন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার, কুলাউড়া-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ’র সভাপতি সৈয়দ ইলিয়াস খছরু, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি যোসেফ চৌধুরী, সাবেক আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ মনির এবং মাওলানা আবুল কালাম। সময় স্বল্পতার কারণে উপস্থিত অনেক অতিথি বক্তব্য না দিয়ে তাদের নির্ধারিত সময় সংবর্ধিত মন্ত্রীর জন্য ছেড়ে দেন। শেষে নৈশভোজের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
Posted ১১:২২ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3053 বার পঠিত)
(2342 বার পঠিত)