শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Weekly Bangladesh নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত

হোমলন স্ট্রিট নয়, হিলসাইড এভিনিউ-ই ‘লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ’ : উদ্বোধনীতে কমিউনিটিকে হেয় করা হয়েছে

নিউইয়র্ক :   |   বৃহস্পতিবার, ০৩ মার্চ ২০২২

হোমলন স্ট্রিট নয়, হিলসাইড এভিনিউ-ই ‘লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ’ : উদ্বোধনীতে কমিউনিটিকে হেয় করা হয়েছে

বক্তব্য রাখছেন নাসির আলী খান পল। পাশে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অমর একুশে মহান শহীদ দিবস তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলাদেশী অধ্যুষিত নিউইয়র্কের জ্যমাইকায় একটি সড়কের নামকরণ ‘লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের অনৈক্যর সুযোগে পুরো কমিউনিটিকে অপমানিত করার অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলম্যান জিম এফ জিনারোর বিরুদ্ধে। সেই সাথে অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিম্যান জিম এফ জিনারো অনুষ্ঠানটি ‘হাইজ্যাক’ করে নিজের মতো করে পরিচালনা করেছেন, যা কারো কাম্য ছিলো না। অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলাসহ সার্বিক বিষয়টি জিম জিনারোকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা ছাড়াও প্রয়োজনে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশী কমিউনিটির বিজয়-কে সেলিব্রেট করা হবে। পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটির আগামী নির্বাচনে কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক্ট-২৪ থেকে একজন বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রার্থী নির্বাচিত করার ব্যাপারে কমিউনিটির ঐক্যেও বিকল্প নেই বলে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউস্থ একটি ক্যাফেতে ২৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। এদিকে হোমলন ষ্ট্রীট নয়, হিলসাইড এভিনিউ-ই ‘লিটন বাংলাদেশ এভিনিউ’ নামে প্রতিকী নামকরণ করা হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানিয়ে বলা হয়, অসাবধানতাবশত: হোমলন ষ্ট্রীটটি ‘লিটন বাংলাদেশ এভিনিউ’ হিসেবে উদ্বোধন করা হয়েছে এবং সাইনটিও ভুলভাবে টাঙানো হয়। যা কাউন্সিলম্যান জিম এফ জিনারোকে অবহিত করা হয়েছে এবং অতি দ্রুত সাইনটি ঠিক করা হবে।

ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আয়োজক, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারী ‘লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরো কমিউনিটি অপমানিত হয়েছে। অব্যবস্থাপনা আর বিশৃঙ্খলায় অনুষ্ঠানটি না হয়ে আরো সুন্দর ও সার্থক অনুষ্ঠান হতে পারতো। আর এই না পারার ব্যর্থতার কারণ আমাদের কমিউনিটির অনৈক্য। অথচ নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকা বাংলাদেশী অধ্যুষিত অগ্রসরমান কমিউনিটি। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশীদের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক্ট ২৪ মাথায় রেখে কমিউনিটির ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিধি বৃদ্ধিও পাশাপাশি ভোটার সংখ্যাও বাড়ছে। ফলে মেইন ষ্ট্রীম রাজনীতিতে বাংলাদেশী-আমেরিকানদের ভয়েজও প্রকারন্তরে জোদার হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় মূলধারার রাজনীতিকরা ভোটের মূল্য দিতে শিখেছেন। আজ আমেরিকানদের মাঝে স্বাধীন বাংলাদেশ, বাঙালী জাতির ব্যাপারে জানতে পারছে। যেটা ৩০ বছর আগে ছিলো না। কিন্তু একজন বাংলাদেশী হিসেবে ‘লিটন বাংলাদেশ এভিনিউ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজে অপমানিত হয়েছি। তাই আগামী দিনে কোন ভুল বুঝাবুঝি বা অনৈক্য নয়, মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশীদের পথ সসংহত হবে তারই প্রেক্ষপট তৈরীর জন্য আজকের এই অনুষ্ঠান। তিনি বলেন, আগামী দিনে সিটি কাউন্সিলে আমরা আরো শাহানা হানিফ চাই। নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক্ট ২৪ থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশীই আমাদের মূল লক্ষ্য।

প্রবীণ প্রবাসী নাসির আলী খান পলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মূল আলোচনায় অংশ নেন মূলধারার রাজনীতিক মোর্শেদ আলম, অ্যাসাল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এবং ইউনিয়ন নেতা মাফ মিসবাহ উদ্দিন ও ফার্মাসিস্ট আওয়াল সিদ্দিকী। ‘লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনে কাউন্সিলম্যানের অফিসের সাথে সমন্বয়কারী ৭জন যথাক্রমে মোহাম্মদ আলী, রেজাউল করীম চৌধুরী, ড. দিলীপ নাথ, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, মোহাম্মদ তুহিন, বাহলুল সৈয়দ উজ্জল ও রাব্বী সৈয়দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এবং কিভাবে অনুষ্ঠানটি হলো তার প্রেক্ষপট তুলে ধরেন। এছাড়াও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট মিনহাজ আহমেদ সাম্মু ও এএফ মিসবাহউজ্জামান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের বক্তব্যের পর তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। বিপুল সংখ্যক কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নাসির আলী খান পল বলেন, একুশের অনুষ্ঠানে যা হয়েছে তাতে বাংলাদেশ কমিউনিটি, বাংলাদেশ, দেশের পতাকা অপমানিত হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবাঙালীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আমাদের অনৈক্য আর নেতৃত্বের ব্যর্থতাই এজন্য দায়ী। তবে সেদিন কি হয়েছে সেটা আজকের বিষয় না, মুল বিষয় হচ্ছে আগামী যাতে আর একই ভুলের পনরাবৃত্তি না হয় এবং বৃহত্তর স্বাথে আমরা কিভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি সেই মূল বিষয়। তিনি তার দীর্ঘ দিনের প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, আজকের বাংলাদেশী কমিউনিটি একদিনে গড়ে উঠেনি। অনেক কাঠখড় পুরিয়ে কমিউনিটি সমৃদ্ধ হয়েছে। তাই কমিউনিটির মান-সম্মান আমাদের মান-সম্মান। এজন্য ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।

মোর্শেদ আলম তার বক্তব্যে তার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, আমরা দেশে রাজনীতি করতাম বলেই প্রবাস জীবনে এসে কমিউনিটি অ্যাকটিভিটির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। যাতে আমরা আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি। আমরা আমরা বড় কমিউনিটি কিন্তু ঐক্যবদ্ধ নই। যার সুযোগে কাউন্সিলম্যান জিম জিনারো আমাদের অপমান করেছেন। আমাদের অনুষ্ঠান তিনি করেছেন। আমাদের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়ে তিনি তা করতে পারেন না। এর প্রতিকারের জন্য তার কাছে যেতে হবে। মাফ মিসবাহ উদ্দিন তার বক্তব্যে একজন বাংলাদেশী-আমেরিকান হিসেবে দীর্ঘ ৬/৭ টার্ম ধরে মূলধারার রাজনীতি ও ইউনিয়নে নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, সময় এসেছে বাংলাদেশী কমিউনিটিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। আমাদের নেতৃত্বের ব্যর্থতা আর অনৈক্যের কারণে আমরা আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অথচ একটু ত্যাগ স্বীকার করলে আমরা আরো অনেক বড় বড় কাজ করতে পারি। তিনি আগামী নির্বাচনে কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক ২৪ থেকে একজন যোগ্য বাংলাদেশী-আমেরিকানতে প্রার্থী করার জন্য কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানান।

আওয়াল সিদ্দিকীও তার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতার কতা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফরকালীন সময়ে তার সাথে যখন হোটেলে আমরা সাক্ষাৎ করি তখন তিনি বলেছিলেন- প্রবাসে যাই করো দেশকে ভুলে যেয়ো না, পারলে দেশের জন্য কিছু করো। তাঁর কথা আজো মনে আছে, তাই দেশের জন্য স্বাধ্য মতো কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকেও দেশ ও দেশের মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘লিটন বাংলাদেশ এভিনিউ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা হয়ে তার আর পুরনাবৃত্তি হতে দেয়া যাবে না। কমিউনিটিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ‘লিটন বাংলাদেশ এভিনিউ’ অর্জন কমিউনিটির বড় পাওয়া। প্রয়োজনে আমরা আবার একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে এই অর্জন সেলিব্রেট করতে পারি। অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমাদের আগামী দিনের টার্গেট আসন্ন নির্বাচনে ডিষ্ট্রিক্ট ২৪ থেকে বাংলাদেশী-আমেরিকানকে নির্বাচিত করা। সেই লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ভূল-ত্রুটি শুধরে মিলে-মিশে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের ব্যর্থতা স্বীকার করতে হবে, ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সেদিন আমরা অসহায় ছিলাম। বক্তা হিসেবে আমাদের পাঠানো লিষ্ট অনুস্মরণ করা হয়নি। যার জন্য আমরা অপমানিত হয়েছি।

কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট এবং জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার অনুষ্ঠানটি আয়োজনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে বলেন, লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ নামকরণ অবশ্যই একটি বড় অর্জন, তবে এই সম্মান একদিনে কিংবা একজনের চেষ্টায় অর্জিত হয়নি। কিন্তু সাপ্তাহিক বাঙালী পত্রিকায় প্রকাশিত প্রথম খবরে এই অর্জনের কৃতিত্ব একজনকে দেওয়া হয়েছে যার ফলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ-কে আমি জানিয়েছি। তিনি আরো বলেন, কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডানোভান রিচার্ডসেরও ভূমিকা ছিলো এবং তিনি চেয়েছিলেন বরো হল এবং কাউন্সিল মেম্বার অফিস মিলে যৌথভাবে নাম ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হবে। কিন্তু কাউন্সিলম্যান জিম জিনারো একাই অনুষ্ঠানের আয়োজক করায় বরো প্রেসিডেন্ট ডানোভান রিচার্ডস আর অনুষ্ঠানে আসেননি। তিনি অনুষ্ঠানটির সকল ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

প্রসঙ্গত তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটিকে বর্ণাঢ্য করতেই জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় পতাকা সহ ব্যানার, পোষ্টার আর কয়েকজন অতিথির জন্য উত্তরীয় নিয়ে যায় এবং কৃতজ্ঞতা স্বরূপ কাউন্সিলম্যানকে প্ল্যাক দেয়। বাহলুল সৈয়দ উজ্জল বলেন, জ্যামাইকায় আজকের বাংলাদেশ কমিউনটি একদিনে গড়ে উঠেনি। আজকের লিটল বাংলাদেশ এভিনিউ কারো বা কোন সংগঠন/প্রতিষ্ঠানের একার অবদান নয়। এজন্য সকল বাংলাদেশী-ই কৃতিত্বের দাবীদার। আমরাও অতীতে সফলতার সাথে অনেক অনুষ্ঠান করেছি। তবে এমন অনুষ্ঠান আগে হয়নি। আগামীতে যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা আরো বড় অর্জন করতে পারি সেটিই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিৎ এবং সেই লক্ষ্যেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মোহাম্মদ তুহিন বলেন, সবার অবদানের ফসল আজকের লিটন বাংলাদেশ এভিনিউ। তাই একে অপরের দোষ-ত্রুটি ধরে পিছনের দিকে নয়, আমাদেরকে সামনের দিকে এগুতে হবে। আমরা কে কোথায় থাকি সেটি বড় কথা নয়, আমরা সবাই কমিউনিটির জন্য কাজ রছি। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাজ করতে হবে। রাব্বী সৈয়দ বলেন, অনুষ্ঠানটি আয়োজনে আমাদের ব্যর্থতা রয়েছে সত্য, তবে তা ইচ্ছেকৃত নয়। আর ঐদিন পরিস্থিতি এমন হয়ে উঠে যে আমার কি করনীয় তাই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামনে এগুতে চাই, সবার সহযোগিতা চাই। নিউইয়র্ক (ইউএনএ)

Posted ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৩ মার্চ ২০২২

Weekly Bangladesh |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
Dr. Mohammed Wazed A Khan, President & Editor
Anwar Hossain Manju, Advisor, Editorial Board
Corporate Office

86-47 164th Street, Suite#BH
Jamaica, New York 11432

Tel: 917-304-3912, 718-523-6299 Fax: 718-206-2579

E-mail: [email protected]

Web: weeklybangladeshusa.com

Facebook: fb/weeklybangladeshusa.com

Mohammed Dinaj Khan,
Vice President
Florida Office

1610 NW 3rd Street
Deerfield Beach, FL 33442

Jackson Heights Office

37-55, 72 Street, Jackson Heights, NY 11372, Tel: 718-255-1158

Published by News Bangladesh Inc.