বাংলাদেশ অনলাইন : | সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সাহায্য বন্ধ করলে আগামী চার বছরে ৬০ লাখ মানুষ এইচআইভি ও এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে বলে সতর্ক করেছে দ্য ইউনাইটেড ন্যাশনস এইডস এজেন্সি (ইউএনএইড)।
যদিও প্রেসিডেন্টস ইমারজেন্সি প্ল্যান ফর এইডস রিলিফ (পিইপিএফআর)-এর অধীনে এইচআইভির চিকিৎসার জন্য তহবিল ছাড়ের সুযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে, তবে এ নিয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে বিভ্রান্তি ও নানা রকম সমস্যা অব্যাহত আছে বলে মন্তব্য করেছে ইউএনএইডের উপনির্বাহী পরিচালক ক্রিসটিন স্টেগলিন। শুক্রবার জেনেভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। এ খবর দিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
স্টেগলিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বৈদেশিক সাহায্য বন্ধের যে ঘোষণা দিয়েছে, তাতে এই ছাড় (ওয়েভার) তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না। বিষয়টি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে কমিউনিটি পর্যায়ে।
তিনি বলেন, আমরা মনে করছি এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে। উল্লেখ্য, জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্দেশে ৯০ দিনের জন্য কয়েকশ কোটি ডলারের সাহায্য স্থগিত করেন।
তবে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের তহবিলের ওপর নির্ভরশীল দুই কোটি মানুষের জন্য সাহায্য চলমান রাখা হয়েছে। ইউএনএইডের রিপোর্ট অনুসারে, ইথিওপিয়াতে ৫ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ও ১০ হাজার ডেটা ক্লার্ককে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য বন্ধ করা হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রতিরোধ সেবাতে।
হাজার হাজার নারী, তরুণী ও যারা এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন তারা এইচআইভি টেস্টিং, কনডম বিতরণ, প্রি-এক্সপোজার প্রোফাইলাক্সিস (প্রেপ)-এর মতো সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্টেগলিং এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, যদি প্রেপের তহবিল ২০২৫ এর পর পুনরায় অনুমোদিত না হয় তাহলে এর পরিণতি হবে বিপর্যয়কর। এসময় এইচআইভি সংক্রান্ত রোগ ৪০০ গুণ বেড়ে ৬০ লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা যাবার শঙ্কা প্রকাশ করে সতর্ক করেন স্টেগলিং।
এদিকে তহবিল বন্ধ না করতে আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর প্রতি জোর তাগিদের আহ্বান জানিয়েছে ইউএনএইডস। এসময় আর্থিক তহবিল গঠনে বিলম্বের পরিণাম ভয়াবহ হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয় ওই সংস্থার তরফ থেকে। মানুষ যদি চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসা বন্ধ করে দেয়, তাহলে এর থেকে জন্ম নেবে নতুন কোনো ইনফেকশন- বলেন স্টেগলিং।
Posted ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh