ডা. ওয়াজেদ খান : | বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার আড়াই শতাব্দী উদযাপিত হচ্ছে ৪ জুলাই, শনিবার। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর এই রাষ্ট্রটি ১৭৭৬ সালে ৪ জুলাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় পেনসিলভেনিয়ার রাজ্য আইন সভায় দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসের বৈঠকে। এর আগেই ১৭৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে আমেরিকার তৎকালীন ১৩টি ব্রিটিশ কলোনি বা উপনিবেশ। টানা আট বছর, চার মাস, দুই সপ্তাহ, একদিন যুদ্ধের অবসান ঘটে ১৭৮৩ সালে ৩ সেপ্টেম্বর। এই যুদ্ধ ১৩ উপনিবেশের মধ্যেই সীমিত থাকেনি। পরবর্তীতে তাতে যুক্ত হয় ফরাসী, স্পেনিশ ও ক্যারাবিয়ানরাও। ব্যাপক প্রাণহানিও ঘটে এই যুদ্ধে।
গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের দেশ যুক্তরাষ্ট্র। পঞ্চাশটি অঙ্গরাজ্য নিয়ে গঠিত দেশটির ১৩টি রাজ্যই একসময় ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। দীর্ঘ লড়াই ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তীতে প্রায় ডজনখানে যুদ্ধে জড়িয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। উনবিংশ শতাব্দীর ষাট দশকে মোকাবিলা করেছে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ। অবলুপ্তি ঘটেছে দাসত্ব প্রথার। অবকাঠামোর অভিনব উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়ে বিকাশ ঘটেছে গণতন্ত্রের। অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিমত্তায় কেড়ে নিয়েছে শ্রেষ্ঠত্বের মুকূট। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় এখন ক্ষমতায় আছে ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। আইন, বিচার বিভাগ, ও প্রশাসন পারস্পরিক ভারসাম্য বজায় রাখছে রাষ্ট্র পরিচালনায়। দীর্ঘ আড়াই শতাব্দীতে নানা উত্থান-পতন, যুদ্ধ বিগ্রহের পরও অটুট রয়েছে মূল সংবিধান। বিশ্বের অভিবাসীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এবারের স্বাধীনতা দিবস নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র একটি ঐতিহাসিক দলিল। গ্রেট ব্রিটেনের সাথে যুদ্ধরত যুক্তরাষ্ট্রের তেরটি উপনিবেশ নিজেদের ব্রিটিশ শাসনের বাইরে স্বাধীন ও সার্বভৌম হিসেবে ঘোষণা করে এবং এর মাধ্যমে গঠন করে যুক্তরাষ্ট্র নামে নতুন রাষ্ট্র। কংগ্রেসে ভোটাভুটির জন্য আগেই আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার একটি খসড়া প্রস্তুত করে রেখেছিলেন পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর ১ বছরেরও বেশি সময় পরে ২ জুলাই কংগ্রেস ভোট দান করে গ্রেট ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার জন্য । কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয় ৪ জুলাই, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদিত হয় যে তারিখে। স্বাধীনতার মৌলিক উদ্দেশ্য পূরণ করে ঘোষণাপত্রটি। যা অনুপ্রেরণা যোগায় বিভিন্ন দেশের অনেক সমশ্রেণীর দলিল প্রণয়নে এবং ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত অনুসৃত হয় মধ্য ইউরোপ সহ অন্যান্য দেশে। ১৭৭৬ সালের জুলাইতে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার সময়, তের উপনিবেশ ও গ্রেট ব্রিটেন এক বছরেরও বেশি সময় ছিল যুদ্ধরত।
উপনিবেশসমূহ এবং গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করেছিল ১৭৬৩ সাল থেকেই। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১৭৬৫ সালের স্ট্যাম্প অ্যাক্ট ও ১৭৬৭ সালের টাউনশেন্ড অ্যাক্টস উপনিবেশসমূহ থেকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যদিও তাদের উপর কর আরোপের কোন অধিকার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ছিল না। ম্যাসাচুসেটস প্রদেশকে শাস্তি দেওয়ার জন্য ১৭৭৪ সালে উপনিবেশগুলিতে অসহিষ্ণু আইন হিসেবে পরিচিত কোয়ার্সিভ অ্যাক্ট পাস করে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট। বিষয়টি একটি সংকটে পরিণত হয় ১৭৭৩ সালের বোস্টন টি পার্টির জন্য। ১৭৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলাডেলফিয়ায় ১ম কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসের অধিবেশন হয় এর পাল্টা জবাব দিতে। তখনো সমঝোতার আশা করত কিছু ঔপনিবেশিক। স্বাধীনতা ঘোষণার পক্ষে সমর্থন আরো বেড়ে যায় যখন এটা সুনিশ্চিত হয় যে রাজা জর্জ তার মার্কিন প্রজাদের বিরুদ্ধে জার্মানির সৈন্যদের ভাড়া করেন। ফলে ১৭৭৬ সালের এপ্রিল ও জুলাইয়ের মধ্যে ঘোষিত হয় একটি জটিল রাজনৈতিক যুদ্ধ ।
স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস বা চতুর্থ জুলাই হলো জাতীয় দিবস। একটি ফেডারেল ছুটির দিন। এই দিনটি পালিত হয় ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই দ্বিতীয় মহাদেশীয় কংগ্রেস কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদনের স্মরণে। কংগ্রেসে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠাতা জনকেরা ঘোষণা করেছিলেন যে, তেরটি উপনিবেশ আর ব্রিটিশ রাজতন্ত্র বা রাজা তৃতীয় জর্জের অধীনে নেই। বরং তারা এখন সম্মিলিত, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। কংগ্রেস ১৭৭৬ সালের ২ জুলাই প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিয়ে স্বাধীনতা অনুমোদন করে। স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেওয়ার পর, কংগ্রেসের মনোযোগ যায় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের দিকে।এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা সম্বলিত বিবৃতিটি তৈরি করতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি টমাস জেফারসনকে এর প্রথম খসড়া লেখার দায়িত্ব দেয়। জেফারসন কমিটির অন্য চার সদস্যের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করলেও, মূলত তিনি একাই ১৭৭৬ সালের ১১ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে এই তৈরি করেন খসড়াটি। এই ১৭ দিন তিনি ফিলাডেলফিয়ার ৭০০ মার্কেট স্ট্রিটের একটি তিনতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন। বাড়িটি বর্তমানে ডিক্লারেশন হাউস নামে পরিচিত, যা ইন্ডিপেন্ডেন্স হলের খুব কাছেই অবস্থিত। অবশেষে ৪ জুলাই কংগ্রেস চূড়ান্তভাবে অনুমোদন কওে ঘোষণাপত্রটি।
এর দুই দিন পর, ৪ জুলাই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উদযাপনের লক্ষ্যে স্বাধীনতা দিবসে সাধারণত আয়োজন করা হয় আতশবাজি, শোভাযাত্র, বারবিকিউ, কার্নিভাল, মেলা, পিকনিক, সঙ্গীতানুষ্ঠান, বেসবল খেলা, পারিবারিক পুনর্মিলনী, রাজনৈতিক বক্তৃতা ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানের। শুরু থেকেই ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে আসছে আমেরিকানরা। রোড আইল্যান্ডের ব্রিস্টলে ১৭৭৭ সালের ৪ জুলাইকে সম্মান জানিয়ে সকালে ও সন্ধ্যায় তোপধ্বনি করা হয় তেরটি করে। যা ছিল আধুনিক আমেরিকানদের উদযাপনের মতোই। লাল, সাদা ও নীল রঙের পতাকায় সাজানো হয়েছিল বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোকে। নিউ জার্সির নিউ ব্রান্সউইকের কাছে ১৭৭৮ সালে, রস হলের সদর দপ্তর থেকে তোপধ্বনির মাধ্যমে ৪ জুলাই উদযাপন করেন জেনারেল জর্জ ওয়াশিংটন। ১৭৭৯ সালের ৪ জুলাই রবিবার হওয়ায় পরদিন সোমবার, উদযাপন করা হয় ৫ই জুলাই ছুটি। ম্যাসাচুসেটস জেনারেল কোর্ট প্রথম রাজ্য আইনসভা হিসেবে ৪ জুলাইকে রাষ্ট্রীয় উৎসবের স্বীকৃতি দেয় ১৭৮১ সালে।
নর্থ ক্যারোলাইনার সেলেমে ১৭৮৩ সালে দ্য সাম অব জয় শিরোনামে জোহান ফ্রিডরিখ পিটারের সংকলিত একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হয় দিনটি। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস স্বাধীনতা দিবসকে ফেডারেল কর্মচারীদের জন্য অবৈতনিক ছুটি হিসেবে ঘোষণা কওে ১৮৭০ সালে। কংগ্রেস ১৯৩৮ সালে এটিকে বেতনসহ ফেডারেল ছুটিতে রূপান্তরিত করে। এই দিনে সব ধরনের জরুরি নয় এমন ফেডারেল প্রতিষ্ঠান যেমন ডাক বিভাগ এবং ফেডারেল আদালত বন্ধ থাকে। আইনগতভাবে ছুটি ৪ জুলাই হলেও, যদি এই দিনটি শনিবার বা রবিবার পড়ে, তবে ফেডারেল সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান যথাক্রমে আগের শুক্রবার বা পরের সোমবার।সরকারি নয় এমন অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে এই দিনে।
আমেরিকান পরিবারগুলো সাধারণত পিকনিক বা বারবিকিউর আয়োজন করে এই দিনটি উদযাপন করে। অনেকে এই ছুটির দিন এবং দীর্ঘ সপ্তাহান্তের সুযোগ নিয়ে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে একত্রিত হন। সাধারণত দুপুরের দিকে প্যারেড শুরু হয় এবং দীর্ঘ প্যারেডগুলো বিকেলের প্রথম ভাগ পর্যন্ত চলতে থাকে। সন্ধ্যায় পার্ক, বন্দর, নৌকার ওপর, খেলার মাঠ, মেলার মাঠ, সমুদ্র সৈকত বা শহরের চত্বরে আতশবাজি প্রদর্শন করা হয়। সাজসজ্জার জন্য ব্যবহৃত ফিতা, বেলুন ও পোশাকের ক্ষেত্রে সাধারণত মার্কিন পতাকার লাল, সাদা ও নীল রঙকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অনেক বাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান তাদের আঙিনা ছোট ছোট মার্কিন পতাকা দিয়ে সাজায়।
একসময় ফোর্থ অফ জুলাইয়ের আগের রাতটি ছিল উদযাপনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। তখন কোলাহলপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করা হতো, যার প্রধান আকর্ষণ ছিল বনফায়ার বা অগ্নিকুণ্ড।নিউ ইংল্যান্ডের শহরগুলোতে কাঠের পিপা দিয়ে উঁচু পিরামিড তৈরির প্রতিযোগিতা চলত। সন্ধ্যায় উদযাপনের সূচনা করতে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হতো। এর মধ্যে সবচেয়ে উঁচু পিরামিডটি তৈরি হতো ম্যাসাচুসেটসের স্যালেম শহরে, যা প্রায় চল্লিশ স্তর পর্যন্ত উঁচু হতো। স্বাধীনতা দিবসের আতশবাজি প্রদর্শনীর সময় প্রায়ই বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গান বাজানো হয়। কিছু গানের কথায় ফুটে ওঠে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধ বা ১৮১২ সালের যুদ্ধের ইতিহাস। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজ্যেই আতশবাজির প্রদর্শনী হয়। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের সম্মানে একটি করে তোপধ্বনি দেওয়া হয়, যাকে বলা হয় “ইউনিয়নকে সালাম”। অন্যান্য বড় প্রদর্শনীর মধ্যে রয়েছে সিয়াটলের লেক ইউনিয়ন, সান ডিয়েগোর মিশন বে, বোস্টনের চার্লস নদী, ফিলাডেলফিয়ার ফিলাডেলফিয়া মিউজিয়াম অফ আর্ট, সান ফ্রান্সিস্কোর সান ফ্রান্সিস্কো উপসাগর এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ন্যাশনাল মলের প্রদর্শনী।মিশিগানের ডেট্রয়েট শহর উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম আতশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করে। ডেট্রয়েট নদীর ওপর অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীটি কানাডার উইন্ডসর, অন্টারিওর কানাডা দিবস এবং আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের যৌথ অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়।
রোড আইল্যান্ডের ব্রিস্টল ফোর্থ অফ জুলাই ১৭৮৫ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা প্যারেড হলো যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রাচীন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। নেব্রাস্কার সেওয়ার্ড শহরের কেন্দ্রীয় চত্বরে এই উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে ১৮৬৮ সাল থেকে । ১৯৭৬ সাল থেকে নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বিখ্যাত ‘মেসি’স ফোর্থ অফ জুলাই ফায়ারওয়ার্কস’ প্রদর্শনী। এটি সাধারণত ইস্ট রিভার বা হাডসন নদীর ওপর আয়োজন করা হয়। বোস্টন পপস অর্কেস্ট্রা ১৯৭৪ সাল থেকে আয়োজন করে আসছে “বোস্টন পপস ফায়ারওয়ার্কস স্পেক্টাকুলার” নামে একটি সঙ্গীত ও আতশবাজি অনুষ্ঠানের। ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ক্যাপিটল লনে অনুষ্ঠিত হয় উন্মুক্ত কনসার্ট।
অন্যান্য দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
ফিলিপাইন নিজেদের প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে ৪ জুলাই দিনটিকে। ১৯৪৬ সালের এই দিনে ফিলিপাইন যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিপাইনের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়। যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ৪ জুলাই তারিখটি বেছে নিয়েছিল যাতে এটি তাদের নিজেদের স্বাধীনতা দিবসের সাথে মিলে যায়। ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ফিলিপাইনে এই দিনটি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হতো। পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে “প্রজাতন্ত্র দিবস” রাখা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ডেনমার্কের রেবিল্ড ন্যাশনাল পার্কে অনুষ্ঠিত হয় সবচেয়ে বড় ৪ জুলাইয়ের উদযাপন। এটি স্বাধীনতা দিবসের সাথে সম্পর্কিত না হলে কুইবেক প্রদেশের ট্রোয়া-রিভিয়ের শহর প্রতি বছর ৪ জুলাই নিজেদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ফ্রিডম ২৫০’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সপ্তাহব্যাপী আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ তুলে ধরা হবে।
লেখক : সম্পাদক, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ, নিউইয়র্ক।
Posted ৩:০৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh